|
আন্তর্জাতিক
|
|
Friday, 26 June 2009 00:38 |
|
ইরানের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সে দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জনাব মাহমুদ আহমদী নেজাদ। তিনি ইরানের নির্বাচনি ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নিবার্চনে মানুষের অংশগ্রহনও ছিল অপূর্ব। ভোট দিয়েছে দেশের শতকরা ৮৫ ভাগ ভোটার, জনগণের এমন বিপুল অংশগ্রহনের নজির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনসহ কোন পাশ্চাত্য দেশে নেই। কিন্তু আহমদী নেজাদের এমন বিজয়ে পাশ্চাত্য বিশ্ব খুশি হতে পারেনি। তারা অধির আগ্রহে বিজয়ের অপেক্ষায় ছিল প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী জনাব মীর হোসেন মোসাভীর। তারা আহমদী নেজাদের বিজয় মানতেই রাজী ছিল না। মানতে রাজী ছিল না মীর হোসেন মুসাভী নিজেও। একথা ঠিক, মীর হোসেন মুসাভী বিপুল লোক সমাগম করতে পেরেছিলন তেহরানের রাস্তায়। তেহরান শহরে তিনি প্রায় ৫ লাখ ভেটে জিতেছেনও। তেহরানে হেরে গিয়ে জনাব আহমদি নেজাদ প্রমাণ করেছেন, নির্বাচনে তিনি কোন কারচুপির আশ্রয় নেননি। কারণ সেটি হলে তার প্রমাণ মিলতে তেহরানে। অপর দিকে জনাব মুসাভী রাজধানীতে তার সমর্থনে বিশাল বিশাল নির্বাচনী জনসমাগম দেখে তিনি ভেবেছিলেন তার বিজয় অনিবার্য। পাশ্চাত্য মিডিয়া বিশেষ করে সিএনএন, বিবিসি, ফক্স নিউজ, সিবিএস, এনবিসি, এবিসি, এমএসএনবিসি মুসাভীর জনসভার সে ছবিগুলো ঘন ঘন দেখাচ্ছিল। অপর দিকে পরিকল্পিত ভাবে বাদ দিয়েছে জনাব আহমদী নেজাদের জনসভার চিত্রগুলি।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Saturday, 09 May 2009 20:55 |
|
নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের মূল লক্ষ্য ছিল, যেভাবেই হোক নির্বাচনী জয়। এজন্য তারা মিত্রতা গড়েছে সামরিক-বেসামরিক নানা পক্ষের সাথে। বিজয়ের পর এবার তাদের এজেন্ডা নিজেদের রাজনৈতিক দখলদারির স্থায়ী রূপ দেওয়া। সে লক্ষ্যে এখন তারা দখলদারি জমাতে চায় দেশবাসীর মনের ভূবনে। কারণ, একমাত্র চেতনার মানচিত্রের সাথেই স্থায়ী যোগসূত্র হলো রাজনৈতিক মানচিত্রের। এটি পাল্টে গেলে তাই পাল্টে যায় রাজনৈতিক মানচিত্রও। এজন্যই রাজনৈতিক বিজয়ের পর পরই প্রতিটি কৌশলি রাজনৈতিক পক্ষ্যই সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিজয়ে মনযোগী হয়। ইরানের জাতিয়তাবাদীরা ছিল এক্ষেত্রে অতি ধুরন্ধর। তারাই রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পর আদর্শিক ও ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাকে পাকাপোক্ত করে। ইতিহাস থেকে তার একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। ইসলামী সভ্যতার নির্মাণে শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইরান।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Tuesday, 14 April 2009 21:52 |
|
নামায-রোযা-হজ্জ-যাকাতের ন্যায় জিহাদের হুকুমটিও এসেছে মহান আল্লাহতায়ালা থেকে। আল-কোরআনে সে হুকুম ঘোষিত হয়েছে একবার নয়, বহু বার। নামায-রোযা গড়ে মহান আল্লাহর সাথে মজবুত বন্ধন। দেয় আত্মীক পরিশুদ্ধি। আর জিহাদ দেয় শত্রুর হামলার মুখে প্রতিরক্ষা। নিশ্চিত করে আল্লাহর ভূমিতে একমাত্র আল্লাহর আইনের প্রতিষ্ঠা। তাই যেখানে জিহাদ নেই, সেখানে মুসলমানদের প্রতিরক্ষা নেই এবং আল্লাহর আইনের প্রতিষ্ঠাও নেই। বরং এমন একটি জিহাদশূণ্য দেশে যেটি প্রবলভাবে বাড়ে সেটি হলো মহান আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। মুসলিম ভূমি তখন অধিকৃত হয় দেশী ও বিদেশী দুষমনদের হাতে। মুসলিম দেশগুলিতে শয়তানী শক্তির বিজয় ও উল্লাস বেড়েছে তো এভাবেই। আল্লাহর ভূমি এভাবেই দখলে গেছে আল্লাহর দুষমনদের হাতে। তাদের এ মহাবিজয়েরে ফলেই অধিকাংশ মুসলিম দেশে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে কাফেরদের আইন এবং আঁস্তাকুড়ে পড়েছে ইসলামের শরিয়তি বিধান।
|
|
Read more...
|
|
সংস্কৃতি ও সমাজ
|
|
Monday, 16 March 2009 22:05 |
বাংলাদেশ ভাসছে অপসংস্কৃতির জোয়ারে। এ জোয়ারে প্রবল ভাবে প্লাবিত হয়েছে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের ভূবন। বন্যার প্লাবনে ভাসলে দেশের মাটি থাকে, লোক-লস্কর থাকে, নতুন আবাদের সম্ভাবনাও থাকে। ফলে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর কিছু সামর্থও থাকে। এমন প্লাবনে বাংলাদেশ বহুবার ভেসেছে। কিন্তু অপসংস্কৃতির জোয়ারে আর যাই হোক দেশের সুস্থ্য পরিচিতি থাকে না। অপসংস্কৃতির সে দূষীত জোয়ারে দেশের মাটি না ভাসলেও ভেসে যায় মানুষের চরিত্র, ধ্যান-ধারণা, ধর্ম ও আদর্শ। এতে শুধু নিজস্ব সংস্কৃতিই বিনষ্ট হয় না, বিপন্ন হয় জাতির প্রতিরক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি ও নৈতিক মেরুদন্ড। মন ও মননে, নীতি ও নৈতিকতায়, চিন্তা ও চেতনায় জাতি তখন পঙ্গুত্ব পায়। এমন বিধ্বস্ত জাতি বেঁচে থাকে নিছক এক জৈবিক অস্তিত্ব নিয়ে। শিকড়হীন কচুড়িপানার ন্যায় জাতিও তখন ভাসমান অস্তিত্ব পায়। শিকড়কাটার এ কাজে এক সময় জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ হত, প্রচুর অর্থ ও রক্তক্ষয়ও হত। কিন্তু এখন আর এ কাজে রাজ্য-জয়ের প্রয়োজন পড়ে না, সাংস্কৃতিক অস্ত্রে তা যুদ্ধ ছাড়াই সম্ভব।
|
|
Read more...
|
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Saturday, 23 May 2009 15:43 |
|
সভ্যতার সংঘাতের তত্ত্ব পেশ করেছিলেন মার্কিন প্রোফেসর হান্টিংটন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রের বুদ্ধিবৃত্তিক ময়দানে এটি এক আলোড়ন সৃষ্টিকারি মতবাদ। যা প্রবলভাবে প্রভাবিত করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও পররাষ্ট্র-নীতিকে। প্রোফেসর হান্টিংটন লিখেছেন, সভ্যতার চুড়ান্ত সংঘাতটি হবে পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে মুসলিম সভ্যতার। তার মতে এ দুই সভ্যতার শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান অসম্ভব। সভ্যতা দুটি ধারণ করে দুটি ভিন্ন বিশ্বাস ও দুটি ভিন্ন মূল্যবোধ। জীবন ও জগত নিয়ে দুটি সভ্যতার মানুষের চিন্তা-চেতনাই সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাশ্চাত্য সভ্যতার ধারকদের কাছে ইসলাম ও তার শরিয়ত হলো মধ্যযুগীয় বর্বরতা। তাই সে শরিয়তের প্রতিষ্ঠা পৃথিবীর কোন দেশেই তারা মেনে নিতে রাজী নয়। আফগানিস্তানের উপর মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য ছিল, সে সম্ভাবনাকে শুরুতেই মিটিয়ে দেওয়া। অপরদিকে পাশ্চাত্য সভ্যতার অপরিহার্য উপাদান হলো ব্যভিচার, উলঙ্গতা, পর্ণগ্রাফী ও দেহব্যবসার ন্যায় আদিম পাপাচার। গ্রহনযোগ্য হলো সূদ, সমকামিতা এমন কি পুরুষের সাথে পুরুষের ও নারীর সাথে নারীর বিবাহ। এভাবে যে বিশ্বাস ও আচরণগুলো পাশ্চাত্য সভ্যতার অপরিহার্য উপাদান রূপে গণ্য হচ্ছে, সেগুলোই ঈমানদার মুসলমানদের কাছে গণ্য হচ্ছে আদিম বর্বরতা ও পাপাচার রূপে।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Monday, 04 May 2009 11:19 |
|
মুসলিম বিশ্বজুড়ে এখনও জেঁকে বসে আছে স্বৈরাচারি শাসন। কোথাও সেটি নির্ভেজাল রাজতন্ত্রের নামে, কোথাও সেটি সামরিক স্বৈরশাসকের নামে আবার কোথাও বা গণতন্ত্রের ছদ্দবেশে। বার বার নির্বাচন হলেই যে স্বৈরাচারি শাসনের মৃত্যু ঘটে তা নয়। হিটলারও ক্ষমতায় এসেছিল নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে। কিন্তু জনগণের ভোটে তার সে বিপুল বিজয় জার্মান জাতিকে গণতন্ত্র উপহার দেয়নি। বরং দিয়েছিল সে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসহনীয় স্বৈরশাসন। শেখ মুজিবও বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিল। কিন্তু তার সে বিজয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র আসেনি। বরং তার সে বিজয়ে চালু হয়েছিল একদলীয় স্বৈরশাসন এবং নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল বেসরকারি রাজনৈতিক দল। নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল সরকার বিরোধী পত্র-পত্রিকা। কিন্তু এরপরও মুজিব নিজেকে বড্ড গণতান্ত্রিক মনে করতেন। আর এটি শুধু অতীতের বিষয় নয়, বর্তমানের বিষয়ও।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Sunday, 05 April 2009 10:37 |
|
মুসলমান হওয়ার জন্য কারো উপরই কোন বাধ্যবাধকতা নেই। “লা ইকরাহা ফিদ্দীন” কোরআনের এই বহুল প্রচারিত আয়াতের অর্থ হলঃ দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নবীজী (সাঃ)র আমলেও আরবের হাজার হাজার মানুষ অমুসলমান থেকেছে। মিশর, লেবানন, ইরাকসহ আরব দেশগুলির লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও যে অমুসললিম, –তারা তো তাদেরই বংশধর। কোন মুসলিম সেনাবাহিনী কোন কালেই তাদেরকে মুসলিম হতে বাধ্য করেনি। কিন্তু যারা জেনে বুঝে মুসলিম হয় তাদের মাথার উপর অলংঘনীয় দায়িত্বও এসে যায়। অনেকটা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার মত। সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। কিন্তু যোগ দিলে সেনাবাহিনীর বাইরের লোকদের থেকে তার দায়িত্বটা ভিন্নতর হয়। তখন প্রাণ হাতে রণাঙ্গণে যাওয়াটি তার মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে এসে যায়। যুদ্ধে না গেলে বা নির্দেশ পালনে অবাধ্যতা দেখালে তার কোর্টমার্শাল হয়। বিচারে কঠোর শাস্তি হয়, এমনকি প্রাণদন্ডও হয়। প্রশ্ন হলো, মুসলমান হওয়ার পর সে বাধ্যবাধকতাটি কি?
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Sunday, 15 March 2009 16:18 |
রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ করার কথা বড্ড জোরে-শোরে বলেন বালাদেশের ন্যায় মুসলিম দেশের বহু সেকুলার রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবি। ভাবটা যেন, কোনটি ধর্মসম্মত আর কোনটি ধর্ম-বিরোধী এ বাছবিচারের দায়ভারটি তাদের। রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার শুধু নিন্দনীয়ই নয়, জঘন্য অপরাধও। বাংলাদেশের মত দেশে ধর্মের অপব্যবহার যে শুধু রাজনীতিতে হচ্ছে তা নয়, হচ্ছে আয়-উন্নতি বাড়ানোর লক্ষ্যেও। ধর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে সামাজিক মর্যাদা ও প্রতিপত্তি বাড়ানোর কাজেও। ধর্ম পালনে আন্তরিক না হয়েও এরা ধার্মিক সাজে, জনসম্মুখে ধর্ম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বড় কল্যাণকামী সাজে। মহান আল্লাহতায়ালার কাছে এমন ভন্ড ধার্মিকগণ বড়ই ঘৃনিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারেরা, তোমরা তা বল কেন যা করনা? আল্লাহর কাছে কঠিন অপছন্দের হল যে তোমরা এমন কথা বল যা তোমরা করনা” সুরা সাফ আয়াত ২। কোন ব্যক্তি বা সরকারের সামর্থ্য থাকলে ধর্মের সাথে এমন প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।
|
|
Read more...
|
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Friday, 15 May 2009 23:54 |
|
মুসলমান হওয়ার শর্ত শুধু এ নয়, আল্লাহকে উপাস্য এবং মুহাম্মদ (সাঃ)কে তাঁর রাসূল রূপে মেনে নিবে। বরং এ বিশ্বাসও অবশ্যই থাকতে হবে যে আল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিটি অবাধ্যতা ও বিদ্রোহ আযাব ডেকে আনে। আর সে অবাধ্যতা ও বিদ্রোহ একটি জনগোষ্ঠির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ও তাদের নেতাদের দ্বারা হলে তখন আযাব অনিবার্য হয়ে পড়ে সে জনগোষ্ঠির উপর। পবিত্র কোরআনে সে কথা একবার নয়, বহু বার বলা হয়েছে। তাছাড়া এ শিক্ষা ইতিহাস বিজ্ঞানেরও। বাংলাদেশের বিপর্যয় কেবল রাজনৈতিক নয়। নিছক সামরিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতি, অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও নয়। বরং সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটছে মুসলমানদের মুসলমান রূপে বেড়ে উঠা নিয়ে। আর মুসলমান হওয়ার অর্থ শুধু নামায-রোযা পালন নয়, বরং আল্লাহর প্রতিটি হুকুমের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রচন্ড আফসোস ছিল বাঙ্গালীর মানুষ রূপে বেড়ে উঠার ব্যর্থতা নিয়ে। তিনি লিখেছেন, “হে বিধাতা, সাত কোটি প্রাণীরে রেখেছো বাঙ্গালী করে, মানুষ করনি।” রবীন্দ্রনাথ এ কথা বলেছেন প্রায় শত বছর আগে। বিগত শত বছরে মানুষ রূপে বেড়ে উঠার এ ব্যর্থতা না কমে বরং প্রকট ভাবে বেড়েছে।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Saturday, 25 April 2009 00:24 |
প্রবল বিদ্রোহ চলছে আজ সমগ্র মুসলিম বিশ্বজুড়ে। তবে এ বিদ্রোহ কোন দুর্বৃত্ত স্বৈরাচারি শাসকের বিরুদ্ধে নয়। বরং দুর্বৃত্ত স্বৈরাচারি শাসকগণ তো নির্বিঘ্নে বসে আছে জনগণের সমর্থন নিয়েই। তাদের বিরুদ্ধে যেমন প্রতিবাদ নেই, তেমনি আন্দোলনও নেই। মুসলিম দেশগুলিতে তেমন বিদ্রোহ নেই বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধেও। বরং বহু দেশের মুসলমানতো আগ্রাসী কাফেরদের নিজ দেশে হামলায় আহবানও করছে। অধিকৃত হওয়ার পর আগ্রাসী শত্রুকে অধিকার দিচ্ছে বিশাল বিশাল ঘাঁটি নির্মাণের। আফগানিস্তান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন, তাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান জুড়ে যে বিশাল বিশাল মার্কিন ঘাটি নির্মিত হয়েছে সেটি তো সেসব দেশের মুসলিম শাসকদের অনুমতি নিয়েই। অপরদিকে কাফেরদের অস্ত্র কাঁধে নিয়ে বহু মুসলিম দেশের বহু লক্ষ মুসলমান নেমেছে মুসলিম নিধনে। সেটি ১৯১৭ সালে আরব দেশে যেমন হয়েছিল, তেমনি ১৯৭১এ বাংলাদেশেও হয়েছে। এবং আজ হচ্ছে আফগানিস্তান, ইরাক, ফিলিস্তিন ও চেচনিয়ায়।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Saturday, 21 March 2009 01:17 |
বাংলাদেশ যে কত তীব্র গতিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে যাচ্ছে পিলখানার হত্যাকান্ড হল তারই প্রমাণ। কোন সভ্য দেশে এমন ঘটনা বিরল। রোগ তিলে তিলে বেড়ে উঠার পরই একদিন সেটি প্রচন্ড রক্তক্ষরণ ঘটায় এবং মুহুর্তের মধ্যেই রোগীর জীবন সাঙ্গ করে। একই রূপ অবস্থা জাতীয় জীবনের বিপর্যয়গুলোর ক্ষেত্রেও। সেগুলোর পিছনেও দীর্ঘকাল ধরে জমে থাকা কারণ থাকে। ঢাকার পিলখানার নৃশংস হত্যাযজ্ঞটিকে যারা কতিপয় বিপথগামী সৈনিকের দ্বারা সংঘটিত দৈবাৎ কর্ম বলেন তারা সেটি বলেন গুরুতর এ ঘটনাকে লঘুতর করার মতলবে। বলেন বিষয়টির গভীরে না গিয়েই। এ নৃশংস ঘটনাটি কতিপয় মাথাগরম সৈনিকের কাজ ছিল না, সেটি হলে সেদিন পিলখানায় উপস্থিত দশ হাজারেরও বেশী পেশাদার সেপাহীর সামনে করার সাহস তারা পেত না। অনেকেই বাধা দিত। ডাকাতের নৃশংস কাজে গ্রামের নিরস্ত্র মানুষও বাধা দেয়। ডাকাতকে তারা অনেক সময় পাকড়াও করে। কিন্তু সেদিন পিলখানায় যা ঘটেছে সেটি বাংলার কোন নিরস্ত্র ও নিশীত পল্লীর ঘটনা ছিল না,
|
|
Read more...
|
|
শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
|
|
Monday, 23 February 2009 14:20 |
|
ইসলাম ও মুসলিম বিশ্ব আজ যে আগ্রাসনের শিকার সেটি শুধু সামরিক নয়, বরং প্রবলতর হল মিডিয়া ক্ষেত্রে। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিডিয়া আগ্রাসনে মধ্যপ্রাচ্যে যেমন ইসরাইল, সমগ্র বিশ্বজুড়ে যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্র, দক্ষিণ এশিয়ায় তেমনি ভারত। ভারতীয় প্রচারের কৌশল দ্বিমুখী। ভারত থেকে সরাসরি সম্প্রচারের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে তাদের আশ্রয়ে পালিত হচ্ছে মিডিয়া জগতের অনেকেই। প্রতিবেশী দেশের রাজনীতি ও ভূগোলকে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে ভারতীয় পুঁজির বিস্তর বিনিয়োগ হয়েছে মূলতঃ সাতচল্লিশ থেকেই। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ১৯৬৫-এর সামরিক আগ্রাসন ভন্ডুল হওয়ার পর তাদের প্রচারধর্মী নিরস্ত্র আগ্রাসনের মাত্রা বহুগুনে বেড়ে যায়। আকাশবাণীর বহু কেন্দ্র স্থাপিত হয় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানকে টার্গেট করে, প্রতিষ্ঠিত হয় অনেক নতুন টিভিকেন্দ্র। একাত্তরের পর থেকে শুরু হয় ভারতীয় বই-পুস্তকের বাঁধভাঙ্গা জোয়ার। এখন অবস্থা এমন যে, কলকাতার বই-পুস্তকের প্রচার সংখ্যা বহু বাংলাদেশী বইয়ের চেয়েও অধিক।
|
|
Read more...
|
|