Bookmark and Share
Home

eBook Collection

সর্বাধিক পঠিত

ভারতের ট্রানজিট এবং আত্মঘাতের পথে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ
Sunday, 29 August 2010 12:43
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারত কেন ট্রানজিট চায়? সে ট্রানজিটের উন্নয়নে ভারত কেন এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চায়? কেনই বা আওয়ামী সরকার ভিন্ন প্রতিটি সরকারই অতীতে সে ট্রানজিট দিতে বিরোধীতা করলো? এ প্রশ্নগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বিনিয়োগের খাত শুধু ট্রানজিট বা রাস্তাঘাট নয়। অথচ শিল্প-কৃষি-বিদ্যুৎসহ বিনিয়োগের অন্য কোন খাতেই ভারত আজ অবধি কোন বিনিয়োগ করেনি। অতএব ট্রানজিট খাতে কেন তার এত আগ্রহ? ভারত নিজেও কোন ধনি দেশ নয়। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টে প্রকাশ, আফ্রিকার ২২টি দেশে যত গরীব মানুষের বাস, তার চেয়ে বেশী গরীবের বাস ভারতের ৮টি প্রদেশে। আফগানিস্তান বা ইরাকে মার্কিনীদের বিরুদ্ধে যত আত্মত্যাগী যুবক বোমা হামলায় প্রাণ দেয় ভারতে তার চেয়ে বহুশত গুণ বেশী কৃষক বা গৃহবধু দারিদ্র্য ও হতাশায় আত্মহত্যা করে। নিজ দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হলে দেশটির দরিদ্র মানুষের অনেক উপকার হত। অথচ সে পথে না গিয়ে ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে বাংলাদেশের ট্রানজিট খাতে। হেতু কি?
Read more...
 
অপরাধীচক্রের রাজনীতি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
বাংলাদেশ
Sunday, 15 August 2010 09:19
বাংলাদেশে অপরাধীদের বিচরন শুধু সন্ত্রাস, চুরিডাকাতি, খুণ-খারাবী বা ব্যভিচারীতে নয়, বরং পুলিশ, প্রশাসন, আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য ও বুদ্ধিবৃ্ত্তিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। বস্তুতঃ সমগ্র দেশটিই অধিকৃত তাদের হাতে। তাদের সবচেয়ে বড় ভীড় দেশের রাজনীতিতে। অনেকের কাছেই রাজনীতি এখন আর নিঃস্বার্থ জনসেবার হাতিয়ার নয়, ব্যবহৃত হচ্ছে হীন স্বার্থ শিকারে। হিংস্র জীব যেমন শিকার শেষে বনে গিয়ে আশ্রয় নেয়, তেমনি বহু দুর্বৃত্ত অপরাধীরাও নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে বা কৃত অপরাধের শাস্তি এড়াতে রাজনীতিতে যোগ দেয়। অফিস-আদালত, সেনানিবাস, হাট-বাজার বা লোকালয়ে অপরাধ কর্ম সংঘটিত হলে সেটির তবুও বিচারের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু রাজনীতিতে সে সম্ভাবনা নেই। কারণ, আদালত, সেক্রেটারিয়েট, ডাকাতপাড়া বা পথে ঘাটে দুষ্কর্মে লিপ্ত কোন অপরাধীকে পুলিশ ধরলে তার পক্ষে মিছিল হয় না, লগি বৈঠা নিয়ে তাকে বাঁচাতে কেউ যুদ্ধ শুরু করে না। অথচ কোন রাজনৈতিক নেতাকে দূর্নীতি বা কোন বিদেশী শক্তির গুপ্তচর বা এজেন্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগে ধরলেও তার বিচার করা অসম্ভব। বিচারের আগেই অপরাধী নেতাকে নির্দোষ ঘোষনা দেওয়া হয় রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে। এবং সে নেতার বিরুদ্ধে বিচারের যে কোন উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আখ্যা দিয়ে সরকার ও বিচারকদেরই উল্টো রাজপথে লাঠি দেখানো হয়।
Read more...
 
অধিকৃত মসজিদ ও বিপন্ন ইসলাম
ইসলাম
Sunday, 25 July 2010 18:47
দেশে দেশে ইসলাম যেমন প্রবল ভাবে বিজয়ী হতে পারে, তেমনি পরাজিত, অবহেলিত বা বিপন্নও হতে পারে। আল্লাহর দ্বীনের সবচেয়ে বড় বিজয় এসেছিল মহান নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ) এর হাতে। সমগ্র ইতিহাসে সেটিই হল মানবের সবচেয়ে গৌরবময় কীর্তি। অপর দিকে মানব জাতির পথভ্রষ্টতা, পাপাচার ও আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইতিহাসও বড্ড দীর্ঘ। পথভ্রষ্ট মানুষেরা ইসলামকে বিপন্ন বা আল্লাহর দ্বীনের চর্চা অসম্ভব করেছে খোদ আল্লাহর ঘর -ক্বাবার অভ্যন্তরেও। সেখানে মুর্তি বসিয়ে সেগুলির পুঁজা করেছে। আল্লাহর ঘর এভাবে ব্যবহৃত হয়েছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিচর্যা বাড়াতে। আল্লাহর ঘর ও আল্লাহর জমিন শয়তানী শক্তির হাতে অধিকৃত হলে ইসলাম যে কতটা বিপন্ন হয় এবং ইসলামের বিজয় যে কতটা অসম্ভব হয় -এ হল তার নজীর।
Read more...
 
একাত্তরের চেতনার মরণছোবল
বাংলাদেশ
Sunday, 10 January 2010 20:15

রক্তপাত কোনদেশেই সৌহার্দ, সম্পৃতি ও একতা গড়ে না। শান্তিও আনে না। যা গড়ে তা হলো পরস্পরের মাঝে গভীর ঘৃনা, বিভক্তি ও সে সাথে নতুন নতুন রক্তপাতের প্রেক্ষাপট। রক্তের স্মৃতি সহজে মুছে না, বরং সেটি বেঁচে থাকে যুগ যুগ ধরে। এবং গভীরতর করে ঘৃনা। রক্তের স্মৃতি ধরেই জাহেলী যুগের আরবগণ একই যুদ্ধ চালিয়ে যেত শত শত বছর ধরে। রাজনীতিতে রক্তাক্ষয়ী পথ তাই প্রজ্ঞাবান নেতাগণ এড়িয়ে চলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়তে তাই কোন রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অথচ মুজিব জেনেশুনেই ভয়ানক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে তাতে মুজিবের স্বার্থ যাই থাক, ভারতে স্বার্থ ছিল বিরাট। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই ভারতের লক্ষ্য ছিল, নানা ভাষার ও নানা অঞ্চলের মুসলমানদের মাঝে তীব্রতর ঘৃনা ও বিভেদ সৃষ্টি হোক। আর সে ঘৃনায় ভেঙ্গে যাক উপমহাদেশের মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে মুজিবের উপরের অর্পিত দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাহিনীর ঢুকার উপযোগী প্রেক্ষাপট তৈরী করা। তবে মুসলমানদের মাঝে ঘৃণা ও বিভক্তিকে তীব্রতর ও স্থায়ী করার স্বার্থে মুজিব ও তার সমর্থকগণ শুধু পাকিস্তান ভাঙ্গা নিয়েই খুশি ছিল না। তাদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নিরস্ত্র পাকিস্তানপন্থিদের হত্যা, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুট, বাড়ী দখল ও তাদের বিরুদ্ধে লাগাতর ঘৃনা সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত ও বীভৎস করা।

Read more...
 
শেখ মুজিবের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি
বাংলাদেশ
Thursday, 03 December 2009 23:29

পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে প্রচুর সমস্যা ছিল। ভৌগলিক ভাবে দেশটির দুটি অংশ হাজার মাইলের বেশী দূরে থাকায় সে সমস্যায় প্রচন্ড জটিলতাও ছিল। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রচুর বৈষম্যও ছিল। তবে সে সমস্যার কারণগুলো বুঝা ও তার সমাধান নিয়ে যতটা চেষ্টা হয়েছে তার চেয়ে বেশী সেগুলি ব্যবহৃত হয়েছে রাজনীতির গুটি রূপে ক্ষমতা আহরণে। সবচেয়ে বেশী হয়েছে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র পাকাতে। শেখ মুজিব সবসময়ই বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অথচ শেখ মুজিব নিজেই ষড়যন্ত্র করেছেন পাকিস্তানের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে এবং সেটি করেছেন পাকিস্তানের আজন্ম শত্রু ভারতের সাথে মিলে সংগোপনে। আগরতলা ষড়যন্ত্র যে মিথ্যা ছিল না সেটি বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর। এখন এ ষড়যন্ত্রকে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজেদের জন্য গর্বের বিষয় রূপে গণ্য করেন। যাদের বিরুদ্ধে সে মামলায় সেদিন অভিযোগ আনা হয়েছিল, তারাই এখন সে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বাহাদুরীও জাহির করছে।

Read more...
 
বাংলাদেশে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্বৃত্তি
বাংলাদেশ
Thursday, 05 August 2010 19:03

চরিত্রহীনতা বা দুর্বৃত্তি শুধু চুরি-ডাকাতি, সন্ত্রাস, ঘুষখোরি, মদখোরি বা ব্যাভিচার নয়। সবচেয়ে বড় চরিত্রহীনতা বা দুর্বৃত্তি হলো মিথ্যাচার। বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে সেটি যেমন হয় কথায় তেমনি হয় তাদের লেখনিতে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেমন তার মগজ, জাতির ক্ষেত্রে তেমনি হলো বুদ্ধিজীবীরা। মগজ অসুস্থ্য হলে দেহের বল বা সুস্থ্যতা কোন কাজে লাগে না। তেমনি একটি দেশের বুদ্ধিজীবীগণ দুর্বৃত্ত হলে বা পথভ্রষ্ট হলে সেদেশের কৃষি-সম্পদ,খনিজ সম্পদ,শিল্প বা কলকারখানা সে জাতির জন্য কোন খ্যাতি, সম্মান বা সফলতা বয়ে আনে না। বরং তাদের কারণে জাতির জীবনে বাড়ে পথভ্রষ্টতা। এমন মিথ্যাচারী বুদ্ধিজীবীদের কারণেই দুর্বৃত্তি ছেয়ে গেছে বাংলাদেশে বুদ্ধিবৃত্তির ময়দানে। মিথ্যাচার ও দূর্নীতি পরিণত হয়েছে সংস্কৃতির উপাদানে।

Read more...
 
আল্লাহর অরক্ষিত দুর্গ ও পরাজিত মুসলমান
ইসলাম
Sunday, 04 July 2010 18:57
সুরক্ষিত দুর্গ ও সে দুর্গের লড়াকু সৈনিক ছাড়া কোন ধর্মের বা আদর্শের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা বাড়ে না। এগুলি ছাড়া সার্বভৌমত্বও সুরক্ষা পায় না। তাই প্রতি শাসক রাজ্য-শাসনে শুধু প্রাসাদ গড়ে না, সুরক্ষিত দুর্গ, থানা,কোট-কাছারি,কারাগার, অস্ত্রাগার,বিদ্যালয়, সচিবালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানও গড়ে। এগুলি হল রাজ্যশাসনের অবকাঠামো। সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় অতি অপরিহার্য হল এগুলি। এ প্রতিষ্ঠানগুলি হাতছাড়া হলে শাসন-কাজ চলে না। এ বিশ্বে মানব সৃষ্টির পিছনেও মহান আল্লাহতায়ালার একটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শুধু এ বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টাই নন, শাসকও। তিনি শুধু সর্বশক্তিমান প্রভুই নন,সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রনেতাও। তাঁর সে প্রনীত আইনই ইসলামে শরিয়তরূপে পরিচিত। তিনি চান,সমগ্র বিশ্বজুড়ে সে আইনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা। যেমন তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মহম্মদ (সাঃ) প্রতিষ্ঠা  করেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে অন্য কোন বিধান, ধর্ম, মতবাদ বা দর্শন প্রতিষ্ঠা পাক সেটি মহান আল্লাহর কাম্য নয়। তাছাড়া তাতে মানবের কল্যাণও নেই।
Read more...
 
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ
বাংলাদেশ
Saturday, 02 January 2010 08:10

অপরাধ বীভৎস ও বহুমুখি
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ অনেক। সবচেয়ে বড় অপরাধঃ নিরেট মিথ্যাচার। সেটি অতি বিচিত্র ও বীভৎসভাবে। দ্বিতীয় অপরাধঃ মুসলমানদের বিপুল সম্পদহানী, প্রাণহানী, শক্তিহানী ও ইজ্জতহানী। বাংলাদেশকে তারা তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি বানিয়ে ছেড়েছে। তৃতীয় অপরাধঃ দুর্বৃত্তির সীমাহীন প্রসার। এবং চতুর্থ অপরাধঃ স্বাধীনতার মুখোশ পড়িয়ে দেশটিকে একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করেছে ভারতের। বিশ্বের প্রায় দুই শত দেশকে পর পর ৫ বার হারিয়ে বাংলাদেশ যে দুর্বৃত্তিতে শিরোপা পেল সেটিও এই সেকুলারিষ্টদের একক অবদান। দূর্নীতিকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে ব্যবহার করেছে দেশের রাজনীতি, পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থাকে। আগামী হাজারো বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ আর কোন গৌরব নিয়ে না হোক অন্ততঃ এ অর্জন নিয়ে বিশ্ববাসীর স্মৃতিতে প্রবলভাবে বেঁচে থাকবে। আজ পার পেলেও এ অপরাধ নিয়ে শত বছর পরও বাংলাদেশের মাটিতে অবশ্যই বিচার বসবে। আগামী দিনের প্রজন্ম অবশ্যই প্রশ্ন তুলবে, “আমাদের পূর্বপুরুষগণ কি এতটাই অযোগ্য ও অপদার্থ ছিল যে এমন দুর্বৃত্তদেরও মাথায় তুলেছিল?”

Read more...
 
একাত্তরে নারীধর্ষণ ও সত্যধর্ষণ
বাংলাদেশ
Saturday, 21 November 2009 23:35

মিথ্যাচার ও দুর্বৃত্তিতে শিরোপা-লাভ
হত্যা, ধর্ষণ বা চুরি-ডাকাতিই শুধু অপরাধ নয়, বরং বড় অপরাধ হলো মিথ্যা বলা ও তার প্রচার। খাদ্য দুষিত হলে তাতে স্বাস্থ্যহানী ঘটে, আচরণে বা জ্ঞানচর্চায় মিথ্যাচর্চা হলে তাতে আসে নৈতিক পচন। মহানবী (সাঃ) মিথ্যাচর্চাকে একারণেই সকল পাপের মা বলেছেন। কারণ,সকল পাপের জন্ম তো এ মিথ্যাচর্চা থেকেই। খুনি, ধর্ষণকারি, ঘুষখোর, চোর-ডাকাত ও ধোকাবাজ রাজনীতিবিদ -সবাইকে পদে পদে মিথ্যা বলতে হয়। খুন,ডাকাতি বা ধর্ষণের লক্ষ্যে বাড়ী থেকে বেরুনোর পরই যদি কোন দুর্বৃত্তকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে সে কোথায় যাচ্ছে, এবং উত্তরে যদি সত্য কথা বলে তবে কি সে খুন,ডাকাতি ও ধর্ষণ করতে পারে? পদে পদে মিথ্যার সিঁড়ি বেয়েই প্রতিটি অপরাধীকে অপরাধের নানা পথে ছুটতে হয়। মিথ্যা বলা বন্ধ হলে পাপাচারও বন্ধ হয়ে যায়। হত্যা বা ধর্ষণের কারণে একটি জাতির মুখে অপমানের কালিমা ততটা লাগে না যতটা লাগে মিথ্যাচর্চায় ভেসে যাওয়ায়। বাংলাদেশে নৈতিক পচন ও দুর্বৃত্তিতে দেশটির পাঁচবার শিরোপা পাওয়ার যে বিশ্বজোড়া পরিচিতি সেটি একাত্তরে গণহত্যা ও নারীর ধর্ষণের কারণে জুটেনি। বরং সেটি সত্যহত্যা বা সত্যধর্ষণের কারণে।

Read more...
 
কাশ্মীরের জিহাদ এবং দিশেহারা ভারত
আন্তর্জাতিক
Monday, 26 July 2010 18:33
কাশ্মীর নিয়ে ভারত এখন দিশেহারা অবস্থায়। ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আফগানিস্তানে সোভিয়েত রাশিয়ার যে অবস্থা হয়েছিল, ভারতের অবস্থা কাশ্মীরে তা থেকে খুব একটা ভিন্নতর নয়। তবে পার্থক্য হল, মার্কিনী ও রুশদের পক্ষে কোমড় বেঁধে লড়বার প্রচুর লোক ছিল। দেশ দুটিতে বহু মানুষের মাঝে সমাজবাদ বা পুঁজিবাদের প্রচন্ড মোহও ছিল। কিন্তু এখানে কাশ্মীরীদের মাঝে সে মোহ নাই। বরং যা আছে তা হল, তাদের সাথে প্রচন্ড প্রতারণার ইতিহাস। আছে সামরিক আগ্রাসন। আছে আসমুদ্র-হিমাচল জুড়ে হিন্দু সাম্রাজ্য নির্মানের স্বপ্ন। আছে মুসলিম বিরোধী প্রচন্ড সাম্প্রদায়িকতা। ফলে হিন্দু-সাম্রাজ্য নির্মানের এ লড়াই ভারতীয় সেনাদের একাকী লড়তে হচ্ছে -যাদের প্রায় সবাই হিন্দু।
Read more...
 
ভাষা আন্দোলনের নাশকতা
বাংলাদেশ
Saturday, 23 January 2010 22:49

ভাষা-আন্দোলনের লক্ষ্য শুধু রাষ্ট্রভাষা রূপে বাংলার স্বীকৃতি লাভ ছিল না। বরং পাকিস্তান এবং যে প্যান-ইসলামী চেতনার ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তার বিনাশ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। পাকিস্তান খন্ডিত হয়েছে, বাংলাদেশও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামি চেতনা বিনাশের কাজ এখনও শেষ হয়নি, তাই শেষ হয়নি ভাষা আন্দোলনের নামে বাঙালীর চেতনা জগতে সেকুলার ধারার সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের কাজ। ভাষা আন্দোলনের নাশকতা এখানেই। ভাষা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের দাবী,ভাষা আন্দোলন না হলে বাঙালী জাতিয়তাবাদ কখনই এতটা প্রচন্ডতা পেত না এবং বাংলাদেশও সৃষ্টি হতো না। তাদের এ যুক্তি অস্বীকারের উপায় নেই। তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের কল্যাণচিন্তা, ইসলামের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে মুসলমানদের আবার উত্থান -এসব নানা স্বপ্ন মাথায় নিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে সে স্বপ্নের বিনাশই ভাষা-আন্দোলনের একমাত্র নাশকতা নয়, এখন সে আন্দোলনের সেকুলার চেতনাকে লাগাতর ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ইসলামী চেতনার উত্থান রোধের কাজে।

Read more...
 
ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লবের রোডম্যাপ
ইসলাম
Saturday, 19 December 2009 15:53

ভূমিকা
মুসলমান হওয়ার অর্থই হলো ইসলামের পূর্ণ অনুসরণ। সেটি যেমন নামায-রোযার ন্যায় ধর্মীয় অনুশাসনে, তেমনি প্রতি কর্মে। তখন সে কর্মের গন্ডির মধ্যে এসে যায় রাষ্ট্র এবং সমাজও। তাই মুসলমান মাত্রই স্বপ্ন দেখে এবং সে সাথে আত্মনিয়োগ করে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লবের। যার মধ্যে সে স্বপ্ন এবং আত্মনিয়োগ নেই, বুঝতে হবে তার মধ্যে ইসলামও নেই। তাই সমস্যা এখানে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লব নিয়ে স্বপ্ন দেখা নয়, বরং কীরূপে সেটি সম্ভব তা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে নানা দল ও নেতার নানা মত। বাংলাদেশের ন্যায় প্রতিটি মুসলিম দেশে এমন ভাবনা নিয়ে বহু দল বহু বছর ধরে কাজ করছে। কিন্তু তাদের পথ ও প্রক্রিয়া নিয়ে কী আজও কোন গবেষণা হয়েছে? তাদের ত্রুটিগুলো কী এবং সফলতাই বা কতটুকু-তা নিয়েও কী কোন চিন্তাভাবনা হয়েছে? এ নিয়ে বিতর্ক নেই যে, বাংলাদেশের ন্যায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলাম একটি পরাজিত জীবন বিধান। পরাজিত এ জন্য যে আল্লাহতায়ালার এ বিধানটি দেশের আইন-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে প্রতিষ্ঠা পায়নি। সেটি বেঁচে আছে নামায-রোযা, হজ-যাকাতের মত ধর্মীয় বিধানের সীমিত পরিসরে।  রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো দখলে গেছে ইসলামের বিপক্ষ শক্তির হাতে।

Read more...
 
বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর অপরাধ
বাংলাদেশ
Friday, 06 November 2009 02:18

অপরাধ ইসলামকে আড়াল করার
বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর অপরাধ অনেক। তবে বড় অপরাধ হলো, ইসলামের মূল পরিচয়টি তুলে না ধরার। এ অপরাধ সত্যকে গোপন করার। আর প্রতিটি অপরাধই আল্লাহর আযাব ডেকে আনে। বাংলাদেশে সে আযাবই কি কম? তারা যে ইসলামকে পেশ করছে তাতে নামায-রোযা ও হজ্ব-যাকাত আছে। মসজিদ-মাদ্রাসা, ওয়াজ-মাহফিল ও ইসলামের নামে দলগড়ার আহ্বানও আছে। কিন্তু যেটি নেই তা হলো নবীজী (সাঃ) নিজে যে ইসলামকে বহু যুদ্ধ ও বহু ত্যাগের বিনিময়ে বিজয়ী করেছিলেন সেটির পূর্ণাঙ্গ পরিচয়। মেঘ যেমন সূর্যকে আড়াল করে রাখে তারাও তেমনই তাঁর আমলের সে ইসলামকে আড়াল করে রেখেছে। ফলে বাংলাদেশ একটি মুসলিম-প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও সবচেয়ে অপরিচিত হলো নবীজী (সাঃ)র আমলের সনাতন ইসলাম। বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে সে ইসলাম পরিচিতি পেয়েছে মৌলবাদ রূপে। সেটিকে বলছে, জ্বিহাদীদের ইসলাম। সাধারণ মানুষ দূরে থাক, প্রধান প্রধান ইসলামি দলগুলোও সে ইসলাম থেকে সযত্নে দূরে থাকার চেষ্টা করছে।

Read more...
 
«StartPrev1234567NextEnd»

Page 1 of 7
Banner