|
আমার স্মৃতিকথা
|
|
Sunday, 22 August 2010 17:42 |
|
The Indian Muslims do not believe the official headcount regarding the Muslim population. They complain that the government has an ill-motive behind showing a lower number for the Muslims in India. The Muslims don't even have a 2 percent stake in the government service which is very insignificant in relation to the total Muslim population in India. The actual account of deprivation will become manifest if the correct statistics of the Indian Muslims are revealed. As a result, dissatisfaction will rise and people will strive to claim their rights. The increase in number will boost their morale and self-confidence, and accelerate their political uprising. The Muslims believe that this fear of uprising instigated the manipulation of the Muslim population statistics. The actual number of the Indian Muslims is kept as secret as the number of the Indian soldiers; hence is the nonchalance to reveal the actual headcount by the government.
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Sunday, 15 August 2010 09:19 |
|
বাংলাদেশে অপরাধীদের বিচরন শুধু সন্ত্রাস, চুরিডাকাতি, খুণ-খারাবী বা ব্যভিচারীতে নয়, বরং পুলিশ, প্রশাসন, আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য ও বুদ্ধিবৃ্ত্তিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। বস্তুতঃ সমগ্র দেশটিই অধিকৃত তাদের হাতে। তাদের সবচেয়ে বড় ভীড় দেশের রাজনীতিতে। অনেকের কাছেই রাজনীতি এখন আর নিঃস্বার্থ জনসেবার হাতিয়ার নয়, ব্যবহৃত হচ্ছে হীন স্বার্থ শিকারে। হিংস্র জীব যেমন শিকার শেষে বনে গিয়ে আশ্রয় নেয়, তেমনি বহু দুর্বৃত্ত অপরাধীরাও নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে বা কৃত অপরাধের শাস্তি এড়াতে রাজনীতিতে যোগ দেয়। অফিস-আদালত, সেনানিবাস, হাট-বাজার বা লোকালয়ে অপরাধ কর্ম সংঘটিত হলে সেটির তবুও বিচারের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু রাজনীতিতে সে সম্ভাবনা নেই। কারণ, আদালত, সেক্রেটারিয়েট, ডাকাতপাড়া বা পথে ঘাটে দুষ্কর্মে লিপ্ত কোন অপরাধীকে পুলিশ ধরলে তার পক্ষে মিছিল হয় না, লগি বৈঠা নিয়ে তাকে বাঁচাতে কেউ যুদ্ধ শুরু করে না। অথচ কোন রাজনৈতিক নেতাকে দূর্নীতি বা কোন বিদেশী শক্তির গুপ্তচর বা এজেন্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগে ধরলেও তার বিচার করা অসম্ভব। বিচারের আগেই অপরাধী নেতাকে নির্দোষ ঘোষনা দেওয়া হয় রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে। এবং সে নেতার বিরুদ্ধে বিচারের যে কোন উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আখ্যা দিয়ে সরকার ও বিচারকদেরই উল্টো রাজপথে লাঠি দেখানো হয়।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Thursday, 05 August 2010 19:03 |
|
চরিত্রহীনতা বা দুর্বৃত্তি শুধু চুরি-ডাকাতি, সন্ত্রাস, ঘুষখোরি, মদখোরি বা ব্যাভিচার নয়। সবচেয়ে বড় চরিত্রহীনতা বা দুর্বৃত্তি হলো মিথ্যাচার। বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে সেটি যেমন হয় কথায় তেমনি হয় তাদের লেখনিতে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেমন তার মগজ, জাতির ক্ষেত্রে তেমনি হলো বুদ্ধিজীবীরা। মগজ অসুস্থ্য হলে দেহের বল বা সুস্থ্যতা কোন কাজে লাগে না। তেমনি একটি দেশের বুদ্ধিজীবীগণ দুর্বৃত্ত হলে বা পথভ্রষ্ট হলে সেদেশের কৃষি-সম্পদ,খনিজ সম্পদ,শিল্প বা কলকারখানা সে জাতির জন্য কোন খ্যাতি, সম্মান বা সফলতা বয়ে আনে না। বরং তাদের কারণে জাতির জীবনে বাড়ে পথভ্রষ্টতা। এমন মিথ্যাচারী বুদ্ধিজীবীদের কারণেই দুর্বৃত্তি ছেয়ে গেছে বাংলাদেশে বুদ্ধিবৃত্তির ময়দানে। মিথ্যাচার ও দূর্নীতি পরিণত হয়েছে সংস্কৃতির উপাদানে।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Sunday, 25 July 2010 18:47 |
|
দেশে দেশে ইসলাম যেমন প্রবল ভাবে বিজয়ী হতে পারে, তেমনি পরাজিত, অবহেলিত বা বিপন্নও হতে পারে। আল্লাহর দ্বীনের সবচেয়ে বড় বিজয় এসেছিল মহান নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ) এর হাতে। সমগ্র ইতিহাসে সেটিই হল মানবের সবচেয়ে গৌরবময় কীর্তি। অপর দিকে মানব জাতির পথভ্রষ্টতা, পাপাচার ও আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইতিহাসও বড্ড দীর্ঘ। পথভ্রষ্ট মানুষেরা ইসলামকে বিপন্ন বা আল্লাহর দ্বীনের চর্চা অসম্ভব করেছে খোদ আল্লাহর ঘর -ক্বাবার অভ্যন্তরেও। সেখানে মুর্তি বসিয়ে সেগুলির পুঁজা করেছে। আল্লাহর ঘর এভাবে ব্যবহৃত হয়েছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিচর্যা বাড়াতে। আল্লাহর ঘর ও আল্লাহর জমিন শয়তানী শক্তির হাতে অধিকৃত হলে ইসলাম যে কতটা বিপন্ন হয় এবং ইসলামের বিজয় যে কতটা অসম্ভব হয় -এ হল তার নজীর।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Saturday, 23 January 2010 22:49 |
|
ভাষা-আন্দোলনের লক্ষ্য শুধু রাষ্ট্রভাষা রূপে বাংলার স্বীকৃতি লাভ ছিল না। বরং পাকিস্তান এবং যে প্যান-ইসলামী চেতনার ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তার বিনাশ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। পাকিস্তান খন্ডিত হয়েছে, বাংলাদেশও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামি চেতনা বিনাশের কাজ এখনও শেষ হয়নি, তাই শেষ হয়নি ভাষা আন্দোলনের নামে বাঙালীর চেতনা জগতে সেকুলার ধারার সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের কাজ। ভাষা আন্দোলনের নাশকতা এখানেই। ভাষা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের দাবী,ভাষা আন্দোলন না হলে বাঙালী জাতিয়তাবাদ কখনই এতটা প্রচন্ডতা পেত না এবং বাংলাদেশও সৃষ্টি হতো না। তাদের এ যুক্তি অস্বীকারের উপায় নেই। তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের কল্যাণচিন্তা, ইসলামের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে মুসলমানদের আবার উত্থান -এসব নানা স্বপ্ন মাথায় নিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে সে স্বপ্নের বিনাশই ভাষা-আন্দোলনের একমাত্র নাশকতা নয়, এখন সে আন্দোলনের সেকুলার চেতনাকে লাগাতর ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ইসলামী চেতনার উত্থান রোধের কাজে।
|
|
Read more...
|
|
|
আমার স্মৃতিকথা
|
|
Sunday, 22 August 2010 10:46 |
|
ইরানে পৌঁছি ১৯৮০ সালের মে মাসে এবং দেশে ফিরি ১৯৯০ সালের জুনে। পুরো দশটি বছর কাটিয়েছি। এর মধ্যে বহুবার আশা যাওয়া করেছি। তখন সারা দুনিয়ার মানুষের নজর ইরানের দিকে। কারণ, দেশটিতে তখন বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে গেছে। প্রতিদেশের পত্র-পত্রিকা, রেডিও-টিভিতে ইরানের খবর তখন লাগাতর শিরোনাম পাচ্ছে। যথন দেশে বেড়াতে আসতাম নানা মানুষ তখন নানা ধরণের প্রশ্ন করত। ইরান সম্মদ্ধে জানতে তারা যে কতটা উৎস্যুক ছিল সেটি বুঝতাম তাদের জানার আগ্রহ ও প্রশ্নের ধরণ থেকে। ইরানের বিরুদ্ধে তখন পাশ্চাত্য মিডিয়ার মাধ্যমে এত বেশী মিথ্যা প্রচার হয়েছে যে দেশটি সম্মদ্ধে সঠিক খবর পাওয়াই অসম্ভব ছিল। সবাই জানতে চেত ইরানের বিপ্লব, ইরানর মানুষ ও সে দেশের নেতা ইমাম খোমেনী সম্মদ্ধে। দীর্ঘ এ দশটি বছর ডাক্তার রূপে কাজ করেছি ইরান সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে। কর্মস্থল ছিল তেহরান থেকে মাত্র ১০৫ কিলোমিটার দূরে গরমসার নামক জেলাশহরে। ফলে তেহরানে যাওয়া আসা হত খুব ঘন ঘন। প্রায় ৮ বছর কাজ করেছি ঐ জেলার সদর হাসপাতালে। একই জেলারই গ্রামীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজ করেছি প্রায় ২ বছর। ইরান তখন ইসলামী বিপ্লবের দেশ। এ বিপ্লবের শুরু ১৯৭৯ সালের নভেম্বের মহম্মদ রেজা শাহের রাজতন্ত্র উৎখাতের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ এ দশটি বছর ইরানে অবস্থান কালে অতি কাছে থেকে ইরান, ইরান বিপ্লব ও ইরানের মানুষদের দেখার সুযোগ পেয়ছি। আমার জীবনের এ এক লম্বা ও বিচিত্র অভিজ্ঞতা।
|
|
Read more...
|
|
সংস্কৃতি ও সমাজ
|
|
Thursday, 05 August 2010 19:12 |
সমাজ-বিপ্লব কী?
সমাজ-বিপ্লব বলতে বুঝায়? সময়ের তালে সমাজ বা রাষ্ট্রে বহু কিছ্ই বদলে যায়। সেসব পরিবর্তন ঘটে যেমন বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্ম-মৃত্যুর মধ্য দিয়ে , তেমনি ঘটে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ-বিগ্রহ,দেশের মানচিত্র-বদল, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বার বার পরিববর্তন,ভয়াবহ মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে। এরূপ পরিবর্তনে বহুলক্ষ বা বহুকোটি মানুষের মৃত্যু হলেও বা কালের স্রোতে জাতীয় জীবনে বহুশত বছর অতিক্রান্ত হলেও সমাজ বদলায় না, বিপ্লবও আসে না। সমাজ পরিবর্তন বা বিপ্লবের অর্থ নিছক রাষ্ট্রগড়া নয়, কোন রাজবংশের নিপাত নয়, সরকার পরিবর্তনও নয়। কিছু রাস্তাঘাট, দালানকোঠা বা কলকারখানা নির্মানও নয়। সমাজে কতটা পরিবর্তন বা বিপ্লব আসলো সেটি পরিমাপের কিছু সুনির্দ্দিষ্ট মানদন্ড আছে। সেটি যাচাই হয় জীবন ও জগত নিয়ে মানুষের ধ্যাণ-ধারণা, ধর্ম, রুচী, ন্যায়বোধ, মূল্যবোধ, বিচার-আচার, বসবাস ও জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, শিল্প ও সংস্কৃতি, পোষাক-পরিচ্ছদ, সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে কতটা পরিবর্তন আসলো তা থেকে।
|
|
Read more...
|
|
আমার স্মৃতিকথা
|
|
Wednesday, 04 August 2010 18:40 |
|
ডাক্তার মোহাম্মদ উল্লাহ ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয় সম্ভবত ১৯৮২ সালের দিকে যখন উনি ইরানে যান। আমিও তখন ইরানে ডাক্তার রূপে কর্মরত। তিনি পোস্টিং পান ইরানের সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে। আমার পোস্টিংয়ের স্থান থেকে প্রায় হাজার মাইল দূরে। সেখানে কয়েক বছর কাজ করার পর আমি যে জেলায় কাজ করি সে জেলায় চলে আসেন। আমার কর্মস্থল শুরু থেকে শেষ অবধি ছিল গরমসার জেলায়। উল্লেখ্য যে এ জেলার সন্তান হলেন ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জনাব মাহমুদ আহমদী নেজাদ। মোহাম্মদ উল্লাহ ভাই ইরানে প্রথম কয়েক মাস চাকুরী করেন তেহরান শহরে জিহাদে সাজেন্দীগী নামক একটি প্রতিষ্ঠানে। পরে যোগ দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রালয়ে। গরমসার আসার পর থেকে তার সাথে ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়ে যায়। যখন জানলাম যে তিনি জনাব এ্যাডভোকেট এ. টি. সাদী সাহেবের জামাই তখন সে ঘনিষ্টতা যেন বেগবান হয়। কারণ আমি জনাব এ্যাডভোকেট এ. টি. সাদী সাহেবকে আগে থেকেই গভীর শ্রদ্ধা করতাম। এক সময় তিনি জাতিসংঘে পাকিস্তানী প্রতিনিধি টিমের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি "পাকিস্তান দরদী সংঘ" নামক একটি সংগঠন করেছিলেন। ঢাকার রাজপথে বহুবার আমি তার বক্তৃতা শুনেছি। উপমহাদেশের মুসলমানদের বিশেষ করে বাংলাদেশের মূসলমানদের প্রতি গভীর দরদ প্রকাশ পেত তার সেসব বক্তৃতায় -যেমন তার মুখের ভাষায় তেমনি তার বলিষ্ঠ দেহের ভাষায়। আমার আরেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু গরমসারে পোষ্টিং পেয়েছিলেন। তিনি হলেন ডাক্তার আমীনূর রহমান। উনার সাথেও আমার প্রথম পরিচয় ঘটে ইরানে। ডাক্তার আমিন ভাইও শুরুতে সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের এক হেল্থ সেন্টারে কাজ পান। পরে বদলী হয়ে গরমসার জেলায় বদলী হয়ে চলে আসেন। ভুগোলের দূরত্ব কমে যাওয়াতে আমাদের মনের দূরত্ব বলা যায় বিলুপ্ত হয়েছিল।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Sunday, 04 July 2010 18:57 |
|
সুরক্ষিত দুর্গ ও সে দুর্গের লড়াকু সৈনিক ছাড়া কোন ধর্মের বা আদর্শের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা বাড়ে না। এগুলি ছাড়া সার্বভৌমত্বও সুরক্ষা পায় না। তাই প্রতি শাসক রাজ্য-শাসনে শুধু প্রাসাদ গড়ে না, সুরক্ষিত দুর্গ, থানা,কোট-কাছারি,কারাগার, অস্ত্রাগার,বিদ্যালয়, সচিবালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানও গড়ে। এগুলি হল রাজ্যশাসনের অবকাঠামো। সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় অতি অপরিহার্য হল এগুলি। এ প্রতিষ্ঠানগুলি হাতছাড়া হলে শাসন-কাজ চলে না। এ বিশ্বে মানব সৃষ্টির পিছনেও মহান আল্লাহতায়ালার একটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শুধু এ বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টাই নন, শাসকও। তিনি শুধু সর্বশক্তিমান প্রভুই নন,সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রনেতাও। তাঁর সে প্রনীত আইনই ইসলামে শরিয়তরূপে পরিচিত। তিনি চান,সমগ্র বিশ্বজুড়ে সে আইনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা। যেমন তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মহম্মদ (সাঃ) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে অন্য কোন বিধান, ধর্ম, মতবাদ বা দর্শন প্রতিষ্ঠা পাক সেটি মহান আল্লাহর কাম্য নয়। তাছাড়া তাতে মানবের কল্যাণও নেই।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Sunday, 10 January 2010 20:15 |
|
রক্তপাত কোনদেশেই সৌহার্দ, সম্পৃতি ও একতা গড়ে না। শান্তিও আনে না। যা গড়ে তা হলো পরস্পরের মাঝে গভীর ঘৃনা, বিভক্তি ও সে সাথে নতুন নতুন রক্তপাতের প্রেক্ষাপট। রক্তের স্মৃতি সহজে মুছে না, বরং সেটি বেঁচে থাকে যুগ যুগ ধরে। এবং গভীরতর করে ঘৃনা। রক্তের স্মৃতি ধরেই জাহেলী যুগের আরবগণ একই যুদ্ধ চালিয়ে যেত শত শত বছর ধরে। রাজনীতিতে রক্তাক্ষয়ী পথ তাই প্রজ্ঞাবান নেতাগণ এড়িয়ে চলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়তে তাই কোন রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অথচ মুজিব জেনেশুনেই ভয়ানক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে তাতে মুজিবের স্বার্থ যাই থাক, ভারতে স্বার্থ ছিল বিরাট। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই ভারতের লক্ষ্য ছিল, নানা ভাষার ও নানা অঞ্চলের মুসলমানদের মাঝে তীব্রতর ঘৃনা ও বিভেদ সৃষ্টি হোক। আর সে ঘৃনায় ভেঙ্গে যাক উপমহাদেশের মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে মুজিবের উপরের অর্পিত দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাহিনীর ঢুকার উপযোগী প্রেক্ষাপট তৈরী করা। তবে মুসলমানদের মাঝে ঘৃণা ও বিভক্তিকে তীব্রতর ও স্থায়ী করার স্বার্থে মুজিব ও তার সমর্থকগণ শুধু পাকিস্তান ভাঙ্গা নিয়েই খুশি ছিল না। তাদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নিরস্ত্র পাকিস্তানপন্থিদের হত্যা, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুট, বাড়ী দখল ও তাদের বিরুদ্ধে লাগাতর ঘৃনা সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত ও বীভৎস করা।
|
|
Read more...
|
|
|
শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
|
|
Wednesday, 18 August 2010 20:15 |
|
কূয়ার ব্যাঙ বদ্ধকূপে আজীবন কাটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু যার বাঁচাটাই সমাজ, রাষ্ট্র, উম্মাহ ও সমগ্র মানবজাতির কল্যাণচিন্তা নিয়ে, কূয়ার বদ্ধজীবন তাঁর বাঁচাটাই অর্থহীন করে। শিক্ষা ও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা ব্যক্তিকে এমনই এক বদ্ধ, পঙ্গু ও অকার্যকর জীবন উপহার দিতে পারে। ইসলামের আগমন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে। ইসলামের নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ)সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত। আল্লাহতায়ালা চান তার দ্বীনকে সকল ধর্মের উপর বিজয়ী হোক। সত্যদ্বীনসহ নবী প্রেরণের লক্ষ্য যে কারণটি তিনি পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করেছেন তা হলো, “লি ইউযহিরারাহু আলাদ্দীনে কুল্লিহি” যেন সে দ্বীন সকল ধর্মের উপর প্রবল ভাবে ছেয়ে যায় বা বিজয়ী হয়। ফলে শুরু থেকেই ইসলাম বিশ্বজনীন। মহান আল্লাহর লক্ষ্য নিছক একটি দেশের মানুষকে পথ দেখানো নয়, তিনি চান সমগ্র মানব জাতি সত্যপথ পাক। তাই মুসলমানের ভাবনাও নিছক একটি দেশের মানুষকে নিয়ে নয়, বরং সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিয়ে। তাই মুসলমানের রাজনীতি ও ধর্মনীতির সাথে শিক্ষানীতিতেও বিশ্বজনীনতা এসে যায়। “চীন ও আরব হামারা, হিন্দুস্তান হামারা, মুসলিম হ্যায় হাম, সারা জাহান হামারা”- ঈমানের এ প্রতিধ্বণি শুধু আল্লামা ইকবালের একার নয়, প্রতিটি ঈমানদারের। এ বিশ্ব মহান আল্লাহর, আল্লাহর খলিফা রূপে মুসলমানের দায়ভারও তাই বিশ্বব্যাপী। ফলে আনসারুল্লাহ তথা আল্লাহর সাহায্যকারী রূপে মুসলমানের কাজই হলো, মহান আল্লাহর মিশনের সাথে পুরাপুরি একাত্ম হওয়া। বিভিন্ন ভাষা, ভূগোল বা বর্ণের নামে গড়া বিভক্তির প্রাচীর দিয়ে দায়িত্বপালনের সে সীমানা সীমিত করা যায় না। খন্ডিতও করা যায়না।
|
|
Read more...
|
|
সংস্কৃতি ও সমাজ
|
|
Thursday, 05 August 2010 19:08 |
|
ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের সাম্রাজ্যবাদী কোয়ালিশনের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধটি নিছক সামরিক বা রাজনৈতিক নয়। বরং সে যুদ্ধটি প্রবল ভাবে হচ্ছে প্রতিটি মুসলিম দেশের সাংস্কৃতিক ময়দানে। সাংস্কৃতিক যুদ্ধের তেমনি একটি উত্তপ্ত রণাঙ্গণ হলো বাংলাদেশে। পাশ্চাত্যের সে কোয়ালিশনে যোগ দিয়েছে আরেক আগ্রাসী দেশ ভারত। ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী্ পাশ্চাত্য এজেন্ডার সাথে ভারতীয় এজেন্ডা এক্ষেত্রে এক ও অভিন্ন। শত্রুপক্ষের এ কোয়ালিশন আফগানিস্তান,ইরাক বা ফিলিস্তিনের মুসলমানদের বিরুদ্ধে আজ যা কিছু করছে, ভারত অবিকল সেটিই করছে বিগত ৬০ বছরের বেশী কাল ধরে করছে অধিকৃত কাশ্মীরের অসহায় মুসলমানদের সাথে। বাংলাদেশের রণাঙ্গনে এ পক্ষটি অতি-উৎসাহী সহযোদ্ধা রূপে পেয়েছে দেশটির বিপুল সংখ্যক সেকুলার রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংস্কৃতিক ক্যাডার, শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী, লেখক-সাংবাদিক, এবং বহু সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Monday, 26 July 2010 18:33 |
|
কাশ্মীর নিয়ে ভারত এখন দিশেহারা অবস্থায়। ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আফগানিস্তানে সোভিয়েত রাশিয়ার যে অবস্থা হয়েছিল, ভারতের অবস্থা কাশ্মীরে তা থেকে খুব একটা ভিন্নতর নয়। তবে পার্থক্য হল, মার্কিনী ও রুশদের পক্ষে কোমড় বেঁধে লড়বার প্রচুর লোক ছিল। দেশ দুটিতে বহু মানুষের মাঝে সমাজবাদ বা পুঁজিবাদের প্রচন্ড মোহও ছিল। কিন্তু এখানে কাশ্মীরীদের মাঝে সে মোহ নাই। বরং যা আছে তা হল, তাদের সাথে প্রচন্ড প্রতারণার ইতিহাস। আছে সামরিক আগ্রাসন। আছে আসমুদ্র-হিমাচল জুড়ে হিন্দু সাম্রাজ্য নির্মানের স্বপ্ন। আছে মুসলিম বিরোধী প্রচন্ড সাম্প্রদায়িকতা। ফলে হিন্দু-সাম্রাজ্য নির্মানের এ লড়াই ভারতীয় সেনাদের একাকী লড়তে হচ্ছে -যাদের প্রায় সবাই হিন্দু।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Sunday, 07 February 2010 22:51 |
|
গত ৩০শে জানুয়ারী অতিশয় অসভ্য ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে। দৈনিক ‘প্রথম আলো’ ৬ই ফেব্রুয়ারি খবর ছেপেছে সেখানে কলেজের শতবর্ষপূর্তি নিয়ে গানের আয়োজন করা হয়েছিল। দায়িত্বে ছিল সরকার সমর্থিত ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রনাধীন ছাত্র সংসদ। ‘প্রথম আলো’ যা ছেপেছে তা হলোঃ “ব্যান্ডের গান শুরুর আগেই হাজার হাজার তরুণ-যুবক ঢুকে পড়ে নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে। শুরু হয় বিশৃঙ্খলা থেকে তাণ্ডব। দুই তরুণীকে আমি অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে পাশের বাড়িতে পৌঁছে দিই। ১৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখি, সেই একই অবস্থা। আরও দুই তরুণী আমাকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানায়। প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়া এমন ৪০ থেকে ৫০ জনকে আমি উদ্ধার করতে দেখেছি।’ এটি ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের গত ৩০ জানুয়ারির রাতের ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শী এক তরুণ এভাবেই সেদিনের তাণ্ডবের বিবরণ দেন প্রথম আলোর কাছে। আনন্দমোহন কলেজের শতবর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘটে এ অপ্রীতিকর ঘটনা।
|
|
Read more...
|
|
বাংলাদেশ
|
|
Saturday, 02 January 2010 08:10 |
|
অপরাধ বীভৎস ও বহুমুখি বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ অনেক। সবচেয়ে বড় অপরাধঃ নিরেট মিথ্যাচার। সেটি অতি বিচিত্র ও বীভৎসভাবে। দ্বিতীয় অপরাধঃ মুসলমানদের বিপুল সম্পদহানী, প্রাণহানী, শক্তিহানী ও ইজ্জতহানী। বাংলাদেশকে তারা তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি বানিয়ে ছেড়েছে। তৃতীয় অপরাধঃ দুর্বৃত্তির সীমাহীন প্রসার। এবং চতুর্থ অপরাধঃ স্বাধীনতার মুখোশ পড়িয়ে দেশটিকে একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করেছে ভারতের। বিশ্বের প্রায় দুই শত দেশকে পর পর ৫ বার হারিয়ে বাংলাদেশ যে দুর্বৃত্তিতে শিরোপা পেল সেটিও এই সেকুলারিষ্টদের একক অবদান। দূর্নীতিকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে ব্যবহার করেছে দেশের রাজনীতি, পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থাকে। আগামী হাজারো বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ আর কোন গৌরব নিয়ে না হোক অন্ততঃ এ অর্জন নিয়ে বিশ্ববাসীর স্মৃতিতে প্রবলভাবে বেঁচে থাকবে। আজ পার পেলেও এ অপরাধ নিয়ে শত বছর পরও বাংলাদেশের মাটিতে অবশ্যই বিচার বসবে। আগামী দিনের প্রজন্ম অবশ্যই প্রশ্ন তুলবে, “আমাদের পূর্বপুরুষগণ কি এতটাই অযোগ্য ও অপদার্থ ছিল যে এমন দুর্বৃত্তদেরও মাথায় তুলেছিল?”
|
|
Read more...
|
|