Bookmark and Share
Home বাংলাদেশ

eBook Collection

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ
রেকর্ড এবার অসভ্যতায় Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 07 February 2010 22:51

গত ৩০শে জানুয়ারী অতিশয় অসভ্য ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে। দৈনিক ‘প্রথম আলো’ ৬ই ফেব্রুয়ারি খবর ছেপেছে সেখানে কলেজের শতবর্ষপূর্তি নিয়ে গানের আয়োজন করা হয়েছিল। দায়িত্বে ছিল সরকার সমর্থিত ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রনাধীন ছাত্র সংসদ। ‘প্রথম আলো’ যা ছেপেছে তা হলোঃ “ব্যান্ডের গান শুরুর আগেই হাজার হাজার তরুণ-যুবক ঢুকে পড়ে নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে। শুরু হয় বিশৃঙ্খলা থেকে তাণ্ডব। দুই তরুণীকে আমি অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে পাশের বাড়িতে পৌঁছে দিই। ১৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখি, সেই একই অবস্থা। আরও দুই তরুণী আমাকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানায়। প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়া এমন ৪০ থেকে ৫০ জনকে আমি উদ্ধার করতে দেখেছি।’ এটি ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের গত ৩০ জানুয়ারির রাতের ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শী এক তরুণ এভাবেই সেদিনের তাণ্ডবের বিবরণ দেন প্রথম আলোর কাছে। আনন্দমোহন কলেজের শতবর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘটে এ অপ্রীতিকর ঘটনা।

Read more...
 
ভাষা আন্দোলনের নাশকতা Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 23 January 2010 22:49

ভাষা-আন্দোলনের লক্ষ্য শুধু রাষ্ট্রভাষা রূপে বাংলার স্বীকৃতি লাভ ছিল না। বরং পাকিস্তান এবং যে প্যান-ইসলামী চেতনার ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তার বিনাশ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। পাকিস্তান খন্ডিত হয়েছে, বাংলাদেশও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামি চেতনা বিনাশের কাজ এখনও শেষ হয়নি, তাই শেষ হয়নি ভাষা আন্দোলনের নামে বাঙালীর চেতনা জগতে সেকুলার ধারার সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের কাজ। ভাষা আন্দোলনের নাশকতা এখানেই। ভাষা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের দাবী,ভাষা আন্দোলন না হলে বাঙালী জাতিয়তাবাদ কখনই এতটা প্রচন্ডতা পেত না এবং বাংলাদেশও সৃষ্টি হতো না। তাদের এ যুক্তি অস্বীকারের উপায় নেই। তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের কল্যাণচিন্তা, ইসলামের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে মুসলমানদের আবার উত্থান -এসব নানা স্বপ্ন মাথায় নিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে সে স্বপ্নের বিনাশই ভাষা-আন্দোলনের একমাত্র নাশকতা নয়, এখন সে আন্দোলনের সেকুলার চেতনাকে লাগাতর ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ইসলামী চেতনার উত্থান রোধের কাজে।

Read more...
 
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 02 January 2010 08:10

অপরাধ বীভৎস ও বহুমুখি
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ অনেক। সবচেয়ে বড় অপরাধঃ নিরেট মিথ্যাচার। সেটি অতি বিচিত্র ও বীভৎসভাবে। দ্বিতীয় অপরাধঃ মুসলমানদের বিপুল সম্পদহানী, প্রাণহানী, শক্তিহানী ও ইজ্জতহানী। বাংলাদেশকে তারা তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি বানিয়ে ছেড়েছে। তৃতীয় অপরাধঃ দুর্বৃত্তির সীমাহীন প্রসার। এবং চতুর্থ অপরাধঃ স্বাধীনতার মুখোশ পড়িয়ে দেশটিকে একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করেছে ভারতের। বিশ্বের প্রায় দুই শত দেশকে পর পর ৫ বার হারিয়ে বাংলাদেশ যে দুর্বৃত্তিতে শিরোপা পেল সেটিও এই সেকুলারিষ্টদের একক অবদান। দূর্নীতিকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে ব্যবহার করেছে দেশের রাজনীতি, পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থাকে। আগামী হাজারো বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ আর কোন গৌরব নিয়ে না হোক অন্ততঃ এ অর্জন নিয়ে বিশ্ববাসীর স্মৃতিতে প্রবলভাবে বেঁচে থাকবে। আজ পার পেলেও এ অপরাধ নিয়ে শত বছর পরও বাংলাদেশের মাটিতে অবশ্যই বিচার বসবে। আগামী দিনের প্রজন্ম অবশ্যই প্রশ্ন তুলবে, “আমাদের পূর্বপুরুষগণ কি এতটাই অযোগ্য ও অপদার্থ ছিল যে এমন দুর্বৃত্তদেরও মাথায় তুলেছিল?”

Read more...
 
একাত্তরে নারীধর্ষণ ও সত্যধর্ষণ Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 21 November 2009 23:35

মিথ্যাচার ও দুর্বৃত্তিতে শিরোপা-লাভ
হত্যা, ধর্ষণ বা চুরি-ডাকাতিই শুধু অপরাধ নয়, বরং বড় অপরাধ হলো মিথ্যা বলা ও তার প্রচার। খাদ্য দুষিত হলে তাতে স্বাস্থ্যহানী ঘটে, আচরণে বা জ্ঞানচর্চায় মিথ্যাচর্চা হলে তাতে আসে নৈতিক পচন। মহানবী (সাঃ) মিথ্যাচর্চাকে একারণেই সকল পাপের মা বলেছেন। কারণ,সকল পাপের জন্ম তো এ মিথ্যাচর্চা থেকেই। খুনি, ধর্ষণকারি, ঘুষখোর, চোর-ডাকাত ও ধোকাবাজ রাজনীতিবিদ -সবাইকে পদে পদে মিথ্যা বলতে হয়। খুন,ডাকাতি বা ধর্ষণের লক্ষ্যে বাড়ী থেকে বেরুনোর পরই যদি কোন দুর্বৃত্তকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে সে কোথায় যাচ্ছে, এবং উত্তরে যদি সত্য কথা বলে তবে কি সে খুন,ডাকাতি ও ধর্ষণ করতে পারে? পদে পদে মিথ্যার সিঁড়ি বেয়েই প্রতিটি অপরাধীকে অপরাধের নানা পথে ছুটতে হয়। মিথ্যা বলা বন্ধ হলে পাপাচারও বন্ধ হয়ে যায়। হত্যা বা ধর্ষণের কারণে একটি জাতির মুখে অপমানের কালিমা ততটা লাগে না যতটা লাগে মিথ্যাচর্চায় ভেসে যাওয়ায়। বাংলাদেশে নৈতিক পচন ও দুর্বৃত্তিতে দেশটির পাঁচবার শিরোপা পাওয়ার যে বিশ্বজোড়া পরিচিতি সেটি একাত্তরে গণহত্যা ও নারীর ধর্ষণের কারণে জুটেনি। বরং সেটি সত্যহত্যা বা সত্যধর্ষণের কারণে।

Read more...
 
রাজাকারের চেতনা বনাম মু্ক্তিযোদ্ধার চেতনা Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 16 August 2009 01:18

কেন এ লেখা?
একটি জনগোষ্ঠীর জীবনে অতিগুরুত্বপূর্ণ হল তার ইতিহাস। ইতিহাস-জ্ঞান একটি জাতিকে দেয় প্রজ্ঞা, দেয় দূরদৃষ্টি, দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ। যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, সে জাতির ভবিষ্যতের পথ চলাটি সঠিক হয় না, সুখেরও হয় না। পদে পদে ভ্রান্তি হয়। বিশ্বাসঘাতকদের বার বার বন্ধু মনে হয়। জাতির জীবনে তখন পলাশি আসে বার বার। তাই শুধু সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম-শাস্ত্র, কৃষি, বাণিজ্য বা চিকিৎসা-বিজ্ঞানের চর্চা বাড়িয়ে একটি জাতির বাঁচা আদৌ সুখের হয় না। এজন্যই ইতিহাস-বিজ্ঞানকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান। কিন্তু পাকিস্তানের ২৩ বছরে এবং বাংলাদেশে ইতিহাস-চর্চার সাথে সুবিচার করা হয়নি। গুরুত্বও আরোপ করা হয়নি। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটিতে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহু হাজার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটের কলসহ শতাধিক কলকারখানা।

Read more...
 
একাত্তরের চেতনার মরণছোবল Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 10 January 2010 20:15

রক্তপাত কোনদেশেই সৌহার্দ, সম্পৃতি ও একতা গড়ে না। শান্তিও আনে না। যা গড়ে তা হলো পরস্পরের মাঝে গভীর ঘৃনা, বিভক্তি ও সে সাথে নতুন নতুন রক্তপাতের প্রেক্ষাপট। রক্তের স্মৃতি সহজে মুছে না, বরং সেটি বেঁচে থাকে যুগ যুগ ধরে। এবং গভীরতর করে ঘৃনা। রক্তের স্মৃতি ধরেই জাহেলী যুগের আরবগণ একই যুদ্ধ চালিয়ে যেত শত শত বছর ধরে। রাজনীতিতে রক্তাক্ষয়ী পথ তাই প্রজ্ঞাবান নেতাগণ এড়িয়ে চলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়তে তাই কোন রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অথচ মুজিব জেনেশুনেই ভয়ানক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে তাতে মুজিবের স্বার্থ যাই থাক, ভারতে স্বার্থ ছিল বিরাট। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই ভারতের লক্ষ্য ছিল, নানা ভাষার ও নানা অঞ্চলের মুসলমানদের মাঝে তীব্রতর ঘৃনা ও বিভেদ সৃষ্টি হোক। আর সে ঘৃনায় ভেঙ্গে যাক উপমহাদেশের মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে মুজিবের উপরের অর্পিত দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাহিনীর ঢুকার উপযোগী প্রেক্ষাপট তৈরী করা। তবে মুসলমানদের মাঝে ঘৃণা ও বিভক্তিকে তীব্রতর ও স্থায়ী করার স্বার্থে মুজিব ও তার সমর্থকগণ শুধু পাকিস্তান ভাঙ্গা নিয়েই খুশি ছিল না। তাদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নিরস্ত্র পাকিস্তানপন্থিদের হত্যা, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুট, বাড়ী দখল ও তাদের বিরুদ্ধে লাগাতর ঘৃনা সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত ও বীভৎস করা।

Read more...
 
শেখ মুজিবের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 03 December 2009 23:29

পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে প্রচুর সমস্যা ছিল। ভৌগলিক ভাবে দেশটির দুটি অংশ হাজার মাইলের বেশী দূরে থাকায় সে সমস্যায় প্রচন্ড জটিলতাও ছিল। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রচুর বৈষম্যও ছিল। তবে সে সমস্যার কারণগুলো বুঝা ও তার সমাধান নিয়ে যতটা চেষ্টা হয়েছে তার চেয়ে বেশী সেগুলি ব্যবহৃত হয়েছে রাজনীতির গুটি রূপে ক্ষমতা আহরণে। সবচেয়ে বেশী হয়েছে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র পাকাতে। শেখ মুজিব সবসময়ই বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অথচ শেখ মুজিব নিজেই ষড়যন্ত্র করেছেন পাকিস্তানের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে এবং সেটি করেছেন পাকিস্তানের আজন্ম শত্রু ভারতের সাথে মিলে সংগোপনে। আগরতলা ষড়যন্ত্র যে মিথ্যা ছিল না সেটি বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর। এখন এ ষড়যন্ত্রকে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজেদের জন্য গর্বের বিষয় রূপে গণ্য করেন। যাদের বিরুদ্ধে সে মামলায় সেদিন অভিযোগ আনা হয়েছিল, তারাই এখন সে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বাহাদুরীও জাহির করছে।

Read more...
 
বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর অপরাধ Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 06 November 2009 02:18

অপরাধ ইসলামকে আড়াল করার
বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর অপরাধ অনেক। তবে বড় অপরাধ হলো, ইসলামের মূল পরিচয়টি তুলে না ধরার। এ অপরাধ সত্যকে গোপন করার। আর প্রতিটি অপরাধই আল্লাহর আযাব ডেকে আনে। বাংলাদেশে সে আযাবই কি কম? তারা যে ইসলামকে পেশ করছে তাতে নামায-রোযা ও হজ্ব-যাকাত আছে। মসজিদ-মাদ্রাসা, ওয়াজ-মাহফিল ও ইসলামের নামে দলগড়ার আহ্বানও আছে। কিন্তু যেটি নেই তা হলো নবীজী (সাঃ) নিজে যে ইসলামকে বহু যুদ্ধ ও বহু ত্যাগের বিনিময়ে বিজয়ী করেছিলেন সেটির পূর্ণাঙ্গ পরিচয়। মেঘ যেমন সূর্যকে আড়াল করে রাখে তারাও তেমনই তাঁর আমলের সে ইসলামকে আড়াল করে রেখেছে। ফলে বাংলাদেশ একটি মুসলিম-প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও সবচেয়ে অপরিচিত হলো নবীজী (সাঃ)র আমলের সনাতন ইসলাম। বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে সে ইসলাম পরিচিতি পেয়েছে মৌলবাদ রূপে। সেটিকে বলছে, জ্বিহাদীদের ইসলাম। সাধারণ মানুষ দূরে থাক, প্রধান প্রধান ইসলামি দলগুলোও সে ইসলাম থেকে সযত্নে দূরে থাকার চেষ্টা করছে।

Read more...
 
স্বাধীনতায় এত সংকট কেন? Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 05 August 2009 22:52
আলাদা মানচিত্র বা ভিন্ন পতাকাই কি স্বাধীনতার সবটুকু? এমন মানচিত্র ও পতাকা ভূটানের মত বিশ্বের বহু দেশেরই রয়েছে। একসময় সিকিমেরও ছিল। স্বাধীনতার অর্থ নিজের অধীনতা। অপরদিকে পরাধীনতায় অধীনতা অপরের। এবং সেটি শত্রুপক্ষের। স্বাধীন দেশকে পরাধীন করার অমানবিকতা ইতিহাসে প্রচুর। সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়রা এমনকি দেড় শত বছর আগেও আফ্রিকার মানুষদের গলায় রশি বেঁধে গরুছাগলের ন্যায় জাহাজে তুলেছে, পরিবার-পরিজন থেকে আলাদা করেছে এবং আটলান্টিকের ওপারে নিয়ে নিলামে তুলেছে। কেউ মনিব এবং কেউ ক্রীতদাস এ বিভাজন শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বটা অধিকৃত পরাধীন দেশ এবং আধিপত্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী দেশ - এ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। মনিবের কাছে যা অধিকার পরাধীন গোলামের জন্য তা বিদ্রোহ বা ঔদ্ধত্য গন্য হতে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিগত শতাব্দিতে নিছক মানবিক অধিকার চাওয়ার অপরাধে হাজার হাজার কৃষ্নাঙ্গ কৃতদাসকে বিচারের নামে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
Read more...
 
«StartPrev123NextEnd»

Page 1 of 3
Banner