|
পশুর জীবনে সফলতা নিছক দৈহিক ভাবে বাঁচায়। মনুষ্য জীবনের সফতা তার মানবতায়। সংখ্যায় বিপুল ভাবে বেড়ে উঠা দিয়ে তাই একটি জাতির মর্যাদা বাড়ে না। তবে মুসলমানের ক্ষেত্রে সফলতার এ মাপকাঠি আরো ব্যপক এবং ভিন্নতর। তাকে বাঁচতে হয় আল্লাহর দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ অনুসারি হয়ে। নইলে তার সমগ্র বাঁচাটাই বৃথা। প্রশ্ন হল, বাংলাদেশের মুসলমানদের এক্ষেত্রে সফলতা বা বিফলতা কতটুকু? উন্নয়ন পরিমাপের যতগুলো মাপকাঠি আছে সেগুলির বিচারে বাংলাদেশ এক ব্যর্থ রাষ্ট্র। সংঘাতময় রাজনীতি, মেরুদন্ডহীন অর্থনীতি, বিধস্ত শিল্প, দূর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসন, অকার্যকর শিক্ষা, ভেসে যাওয়া আইন-শৃঙ্খলা - সবকিছুই এ ব্যর্থতার প্রমাণ। পঞ্চাশ বছর পূর্বেও অবস্থা এমনটি ছিল না। বিজন মরু বা গভীর জঙ্গলের পথহারা পথিক যেমন ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয় তেমনি অবস্থা বাংলাদেশেরও। অথচ এ জাতির কাছে মুক্তির নির্ভূল পথ ছিল। সেটি হল আল্লাহর দেওয়া রোড ম্যাপ। এটিই শরিয়ত। বান্দাহর কল্যাণে মহান আল্লাহর এটি সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। কিন্তু অজ্ঞতা ও ইসলামে অঙ্গিকারহীনতার কারণে আল্লাহর এ শ্রেষ্ঠ নিয়ামতটির প্রয়োগ সম্ভব হয়নি। দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের ব্যর্থতাও এক্ষেত্রে কম নয়। বিশ্বের অন্য কোন দেশে এত নামাযী নেই, এত মসজিদ-মাদ্রাসাও নেই। নেই এত আলেম-উলামা। বাংলাদেশের আলেম-উলামাদের সংখ্যাই খোলাফায়ে রাশেদার আমলের মুসলমানদের চেয়ে অধিক। কিন্তু বিস্ময়ের বিষয়, ৯০ ভাগ মুসলমানের এ দেশটিতে শরিয়ত প্রতিষ্ঠিত নেই। অথচ শরিয়ত হলো সিরাতুল মোস্তাকিম। এটির প্রতিষ্ঠিত না থাকার অর্থ, সঠিক পথ ছেড়ে বিপদসংকূল জঙ্গল দিয়ে পথ চলা। (বিস্তারিত)
Bookmark this,
|