Bookmark and Share
Home সংস্কৃতি ও সমাজ

eBook Collection

Latest Comments

সর্বাধিক পঠিত

সংস্কৃতি ও সমাজ
সমাজ-বিপ্লবের ধারণা এবং ইসলামী সমাজ-দর্শন Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 05 August 2010 19:12
সমাজ-বিপ্লব কী?

সমাজ-বিপ্লব বলতে বুঝায়? সময়ের তালে সমাজ বা রাষ্ট্রে বহু কিছ্ই বদলে যায়। সেসব পরিবর্তন ঘটে যেমন বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্ম-মৃত্যুর মধ্য দিয়ে , তেমনি ঘটে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ-বিগ্রহ,দেশের মানচিত্র-বদল, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বার বার পরিববর্তন,ভয়াবহ মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে। এরূপ পরিবর্তনে বহুলক্ষ বা বহুকোটি মানুষের মৃত্যু হলেও বা কালের স্রোতে জাতীয় জীবনে বহুশত বছর অতিক্রান্ত হলেও সমাজ বদলায় না, বিপ্লবও আসে না। সমাজ পরিবর্তন বা বিপ্লবের অর্থ নিছক রাষ্ট্রগড়া নয়, কোন রাজবংশের নিপাত নয়, সরকার পরিবর্তনও নয়। কিছু রাস্তাঘাট, দালানকোঠা বা কলকারখানা নির্মানও নয়। সমাজে কতটা পরিবর্তন বা বিপ্লব আসলো সেটি পরিমাপের কিছু সুনির্দ্দিষ্ট মানদন্ড আছে। সেটি যাচাই হয় জীবন ও জগত নিয়ে মানুষের ধ্যাণ-ধারণা, ধর্ম, রুচী, ন্যায়বোধ, মূল্যবোধ, বিচার-আচার, বসবাস ও জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, শিল্প ও সংস্কৃতি, পোষাক-পরিচ্ছদ, সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে কতটা পরিবর্তন আসলো তা থেকে।
Read more...
 
আরোপিত সাংস্কৃতিক যুদ্ধ ও অরক্ষিত বাংলাদেশ Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 05 August 2010 19:08
ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের সাম্রাজ্যবাদী কোয়ালিশনের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধটি নিছক সামরিক বা রাজনৈতিক নয়। বরং সে যুদ্ধটি প্রবল ভাবে হচ্ছে প্রতিটি মুসলিম দেশের সাংস্কৃতিক ময়দানে। সাংস্কৃতিক যুদ্ধের তেমনি একটি উত্তপ্ত রণাঙ্গণ হলো বাংলাদেশে। পাশ্চাত্যের সে কোয়ালিশনে যোগ দিয়েছে আরেক আগ্রাসী দেশ ভারত। ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী্ পাশ্চাত্য এজেন্ডার সাথে ভারতীয় এজেন্ডা এক্ষেত্রে এক ও অভিন্ন। শত্রুপক্ষের এ কোয়ালিশন আফগানিস্তান,ইরাক বা ফিলিস্তিনের মুসলমানদের বিরুদ্ধে আজ যা কিছু করছে, ভারত অবিকল সেটিই করছে বিগত ৬০ বছরের বেশী কাল ধরে করছে অধিকৃত কাশ্মীরের অসহায় মুসলমানদের সাথে। বাংলাদেশের রণাঙ্গনে এ পক্ষটি অতি-উৎসাহী সহযোদ্ধা রূপে পেয়েছে দেশটির বিপুল সংখ্যক সেকুলার রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংস্কৃতিক ক্যাডার, শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী, লেখক-সাংবাদিক, এবং বহু সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা।
Read more...
 
অপসংস্কৃতির জোয়ারে ভাসা বাংলাদেশ Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 16 March 2009 22:05
বাংলাদেশ ভাসছে অপসংস্কৃতির জোয়ারে। এ জোয়ারে প্রবল ভাবে প্লাবিত হয়েছে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের ভূবন। বন্যার প্লাবনে ভাসলে দেশের মাটি থাকে, লোক-লস্কর থাকে, নতুন আবাদের সম্ভাবনাও থাকে। ফলে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর কিছু সামর্থও থাকে। এমন প্লাবনে বাংলাদেশ বহুবার ভেসেছে। কিন্তু অপসংস্কৃতির জোয়ারে আর যাই হোক দেশের সুস্থ্য পরিচিতি থাকে না। অপসংস্কৃতির সে দূষীত জোয়ারে দেশের মাটি না ভাসলেও ভেসে যায় মানুষের চরিত্র, ধ্যান-ধারণা, ধর্ম ও আদর্শ। এতে শুধু নিজস্ব সংস্কৃতিই বিনষ্ট হয় না, বিপন্ন হয় জাতির প্রতিরক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি ও নৈতিক মেরুদন্ড। মন ও মননে, নীতি ও নৈতিকতায়, চিন্তা ও চেতনায় জাতি তখন পঙ্গুত্ব পায়। এমন বিধ্বস্ত জাতি বেঁচে থাকে নিছক এক জৈবিক অস্তিত্ব নিয়ে। শিকড়হীন কচুড়িপানার ন্যায় জাতিও তখন ভাসমান অস্তিত্ব পায়। শিকড়কাটার এ কাজে এক সময় জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ হত, প্রচুর অর্থ ও রক্তক্ষয়ও হত। কিন্তু এখন আর এ কাজে রাজ্য-জয়ের প্রয়োজন পড়ে না, সাংস্কৃতিক অস্ত্রে তা যুদ্ধ ছাড়াই সম্ভব।
Read more...
 
বিলেতে বাংলাদেশী কমিউনিটি Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 16 October 2008 01:49

বিলেতে বাংলাদেশীদের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। এদের মধ্যে সম্ভবতঃ শতকরা আশি ভাগেরও অধিক বৃহত্তর সিলেট জেলার। অধিকাংশেরই আগমন ঘটেছে ষাটের দশকে এবং সেটি বিলেতের বস্ত্রশিল্পে শ্রমিক ঘাটতি পূরণে। অধিকাংশই এসেছেন সিলেটের গ্রাম থেকে। বহু লক্ষ বাংলাদেশীর বসবাস মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা, এমনকি পাকিস্তানেও। তবে সেখানে কোন একক জেলার প্রাধান্য নেই। কিন্তু লক্ষণীয় হলো একমাত্র ইংল্যান্ড ছাড়া আর কোন দেশেই বাংলাদেশীরা কোন কমিউনিটি গড়ে তুলতে পারিনি। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানকারীদের অধিকাংশই অস্থায়ী শ্রমিক। যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের বাংলাদেশীদের বিরাট অংশ এখনও সেখানে স্থায়ী ঠিকানা গড়ে তুলতে পারিনি। তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এক বিশাল এলাকা জুড়ে। আর এমন ভাসমান ও বিক্ষিপ্ত জনগোষ্ঠি কখনই কোন দেশে কম্যুনিটি গড়ে তুলতে পারে না। কারণ, কম্যুনিটি গড়ার জন্য অপরিহার্য হলো মজবুত নেট ওয়ার্ক। একই জেলা থেকে আগত হওয়ার কারণে সেটি বিলেতের বাংলাদেশীদের মাঝে বিদ্যমান। তাছাড়া কমিউনিটি গড়ে উঠে একটি জনগোষ্টির ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে। এটি আত্মীক ও আদর্শিক সচেতনতার প্রতীক। যাদের মধ্যে এ কমিনিটি নাই তারা দৈহিক ভাবে বাঁচলেও উন্নত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মজবুত মূল্যবোধ নিয়ে বাঁচে না। ফলে রেখে যেতে পারে না নতুন প্রজন্মের জন্য সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা। অথচ সন্তানের জীবন সুখময় করার ক্ষেত্রে সম্পদ ও ঘরবাড়ী রেখে যাওয়ার চেয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নত ঐতিহ্য বেশী গুরুত্বপূর্ণ। হযরত আলী (রাঃ)র ভাষায় সম্পদ মানুষকে নিছক পাহারাদারে পরিণত করে, অথচ শিক্ষা তার উপর সদা পাহারাদারি করে। (বিস্তারিত)

 
যে পথে বিজয় আসে Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 16 October 2008 01:20

মুসলমানদের পতন-যাত্রা বহু শত বছর পূর্বে শুরু হলেও এখনও শেষ হয়নি। পতনমুখী এ জাতির উত্থান নিয়ে যারা চিন্তিত তাদের প্রশ্ন, উত্থানের কাজ কোথা থেকে শুরু করতে হবে? এ নিয়েও নানা জন নানা মতে বিভক্ত। অন্য নানা বিষযের ন্যায় এ বিষয়েও নির্ভূল নির্দেশনা হলো মহান আল্লাহতায়ালার ঘোষনা ও নবীজীর (সাঃ) সূন্নত। ব্যক্তি ও জাতি গঠনের কাজে নির্ভূল রোড ম্যাপ হলো পবিত্র কোরআন। সে রোড ম্যাপে যেখান থেকে নবীজী (সাঃ) যাত্রা শুরু করেছিলেন আমাদেরও জাতি গঠনের কাজ সেখান থেকেই শুরু করতে হবে। আর সে নির্দেশনা হলো ’ইকরা’ তথা ’পড়’। ইক্‌রা একটি প্রতিকী শব্দ। পড়া বা অধ্যয়ন যেহেতু জ্ঞানার্জনের চাবি, পবিত্র কোরআনের প্রথম শব্দ রূপে এ শব্দটি তাই বুঝিয়েছে জ্ঞানার্জনের অপরিসীম গুরুত্ব। জ্ঞান দেয় মনের আলো। সে আলো দেয় নানা পথের ভিড়ে সত্য পথ চেনার সামর্থ। এ ভাবেই মানুষ পায় হেদায়াত। অন্ধকার যেমন আচ্ছন্ন করে রাতের পৃথিবীকে, অজ্ঞতাও তেমনি আচ্ছন্ন করে মনের ভুবনকে। অজ্ঞতা এভাবেই ব্যক্তির জীবনে আনে সত্যপথ থেকে বিচ্যুতি। এভাবে তা শিকারের সুযোগ করে দেয় শুধু হিংস্র পশুদেরই নয়, মনুষ্যরূপী শয়তানদেরও। (বিস্তারিত)

 
বিপর্যয়ের মুখে পাশ্চাত্যের পরিবার Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 19 July 2009 21:19
মানব ইতিহাসের সবচেয়ে পুরাতন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতষ্ঠান হলো পরিবার। মানব-সভ্যতার বয়সের সমান এর বয়স। সভ্যতার জন্ম ও অগ্রগতিতে পরিবারের অবদানই সর্বাধিক। নিছক মাতৃর্গভে জন্ম নিলেই মানব-শিশু মানব রুপে বেড়ে উঠেনা। সে মানব রূপে বেড়ে উঠার মূল সবক ও প্রশিক্ষণ পায় পরিবার থকে। পরিবারের অপরিসীমের গুরুত্বরে কথা হাদীস শরীফে বহুভাবে র্বণতি হয়ছে। নবী কারীম (সাঃ) বলছেন, “প্রতিটি মানব শিশুই জন্ম নয়ে মুসলমান রূপ, কিন্তু পিতা-মাতা বা পরিবারের প্রভাবে বেড়ে উঠে ইহুদী, নাসারা বা অমুসলমি রূপে।” সভ্যতা নির্মানের কাজ একমাত্র মানুষের, পশুদের নয়। আল্লাহর খলীফা হওয়ার কারণে প্রতিটি মুসলমানই একাজে দায়বদ্ধ। তবে এ লক্ষ্যে পরিবার অপরিহার্য। কারণ, সভ্যতার যারা নির্মাতা তাদের নির্মানেও তো প্রতিষ্ঠান চাই। পরিবার বস্তুতঃ সে কাজটিই করে। মানব ইতিহাসের এই সনাতন প্রতিষ্ঠানটি আজ বিপর্যের মুখে। ফলে বিপন্ন আজ মানবতা। এবং থমকে দাঁড়িয়েছে সভ্যতার অগ্রগতি। ইট ধ্বসে গেলে প্রাসাদও ধ্বসে যায়। তেমনি পরিবার বিধ্বস্ত হলে বিধ্বস্ত হয় সভ্যতা। নির্জন বনে-বাদাড়ে বা মরুভূমিতে  কোন মানবশিশুই সভ্য রূপে বেড়ে উঠনো, সভ্যতাও সেখানে নির্মিত হয়না। উদ্ভিদ বা পশু-পাখীর পক্ষে একাকী বেড়ে উঠা সম্ভব হলেও মানুষরে পক্ষে তা অসম্ভব। পশুকুলে মানব শিশুকে ছেড়ে দিলে সে শুধু দৈহিক নিরাপত্তাই হারায়না, মানবিক গুন নিয়ে বেড়ে উঠার সুযোগও হারায়।
Read more...
 
সংস্কৃতি ও সভ্যতার সংকট প্রসঙ্গে Print E-mail

সংস্কৃতি বলতে আমরা কি বুঝি? সংস্কৃতির সুস্থ্যতা বা কদর্যতাই বা কি? সুস্থ্য সমাজ, রাষ্ট্র ও ব্যক্তি গঠনে সংস্কৃতির গুরুত্ব কতটুকু? সুস্থ্য সংস্কৃতিই বা কিভাবে নির্মিত হয়? সভ্যতার নির্মাণে তার গুরুত্বই বা কি? সাংস্কৃতিক সুস্থ্যতা নিয়ে যারা বেড়ে উঠতে চায় এবং নির্মাণ করতে চায় সভ্যতর সমাজ ও রাষ্ট্র, এমন প্রতিটি ব্যক্তির কাছে এ প্রশ্নগুলো অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ। রোগ কিসে হয়, স্বাস্থ্যই বা কি করে বৃদ্ধি পায় - এটুকু না জানলে নিজ-দেহের উপরও পদে পদে অবিচার হয়। স্বাস্থ্য জ্ঞান এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো সংস্কৃতির জ্ঞানও। কারণ এটিই সুস্থ্যতা আনে রুচিবোধে। রুচির প্রকাশ ঘটে তখন পোষাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ, আনন্দ-উল্লাস তথা বাঁচার প্রতিটি আয়োজনে। তাই জ্ঞানার্জনের লক্ষ্য নিছক তথ্যদান হলে চলে না, সুস্থ্য-সংস্কৃতির নির্মাণ ও পরিচর্যায়ও তাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হয়। প্রতিটি জ্ঞানবান ব্যক্তি তখন সংস্কৃতিবানও হয়। সংস্কৃতির সংজ্ঞা নিয়ে নানা মনিষীর নানা মত। এ ভিন্নতা এসেছে এসব মনিষীদের এ জীবনে বাঁচার লক্ষ্য নিয়ে ধারণাগত ভিন্নতা থেকে।

Read more...
 
পাশ্চাত্য দেশে মুসলমান Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 16 October 2008 01:32

অনৈসলামিক দেশে বসবাসের বিপদ যে কতটা ভয়াবহ তা ইতিমধ্যে ফলতে শুরু করেছে। বাংলাদেশে বানের জলে ভাসার চেয়ে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্লাবনে ভাসা যে কম ভয়ানক নয় তা এখন পাশ্চাত্যে বসবাসকারি বহু মুসলমানই বোঝে। বানের জলে ক্ষেতের ফসল ভেসে যায়, কিন্তু এখানে ভেসে যাচ্ছে তাদের নিজের ও নিজ সন্তানদের ঈমান-আখলাক, রুচীবোধ ও সংস্কৃতি। ফলে ভেসে যাচ্ছে পরকালের সকল চাওয়া-পাওয়া। অথচ মুসলমান তার ঈমান-আখলাক, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও পরকালের সুখশান্তি বাঁচাতে আলাদা রাষ্ট্র গড়বে, ভিন্ন কম্যুনিটি ও প্রতিষ্ঠান গড়বে এবং এ কাজে অর্থদান ও শ্রমদানের পাশাপাশি এমনকি প্রাণ দিবে সেটিই ছিল কাঙ্খিত। যুগে যুগে মুসলমানেরা তো তাই করেছে। অথচ ঈমান-আখলাক ও সংস্কৃতি বঁচাতে নয়, নিছক বাঁচার প্রয়োজন মিটাতে মুসলমানেরা আজ লাখে লাখে ঈমান দিচ্ছে। ভুলে যাচ্ছে নিজেদের ধর্ম, রুচীবোধ ও সংস্কৃতি। এটি কি কম আতংকের? আরো ভয়ের কারণ, অধিকাংশ মুসলমানের এ নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা নেই। তাদের দুশ্চিন্তা বরং পাউন্ড ডলারের কামাই কি করে আরো বাড়ানো যায় তা নিয়ে। উপার্জন বাড়াতে অনেকে মদবিক্রয়, রেস্তোরায় মদ সরবরাহের ন্যায় হারাম পথও ধরেছেন। মুসলমানদের পচন যে কত গভীরে পৌঁছেছে এসব হলো তারই প্রমাণ। উদ্ভিদও বেড়ে উঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ চায়। বীজ যত উত্তম হোক তা মরুভূমিতে গজায় না। ঝোপঝাড়েও বেড়ে উঠে না। তাই অনুকূল পরিবেশ চায় প্রতিটি মুসলমান সন্তান। এজন্যই ইসলামের নবী মক্কা ছেড়ে মদিনায় গিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র গড়েছিলেন। অথচ ধর্ম, সংস্কৃতি ও আদর্শের দিক দিয়ে তীব্র প্রতিকুল পরিবেশের জঞ্জালে বীজ ছিটিয়ে আমরা ভাবছি আমাদের নতুন প্রজন্ম পাশ্চাত্যে সুন্দর ভবিষ্যৎ পাবে! আমাদের মুখ তারা উজ্বল করবে! বুদ্ধিহীনতারও একটি সীমা আছে, আমরা সেটিও অতিক্রম করেছি। (বিস্তারিত)

 
সংস্কৃতি নিয়ে ভাবনা Print E-mail

জাতি কতটা সভ্য বা উন্নত সেটির পরিমাপে সংস্কৃতি একটি নির্ভূল মাপকাঠি। একটি জনগোষ্টির ঈমান-আমল, চিন্তা-চেতনা, রূচীবোধ, চালচলন বা জীবনবোধের সামগ্রিক পরিচয় মেলে সংস্কৃতিতে। আর এগুলি যেহেতু মানুষে মানুষে ভিন্নতর, তাই ভিন্নতর হল বিভিন্ন জনগোষ্টির সংস্কৃতিও। পশু বা উদ্ভিদের জীবনে সময়ের তালে বাঁচার প্রক্রিয়ায় উন্নতি আসে না। কিন্তু মানুষ তার সমাজকে নিয়ে সামনে এগোয়, পূর্বের চেয়ে উন্নততর ও সভ্যতর হয়। হাজার বছর পূর্বে পশুরা যা খেত আজকের জন্তু জানোয়ারের খাদ্য, পানীয় বা বাসস্থান অবিকল একই। কিন্তু মানুষ সামনে এগিয়েছে। উচ্চতর সভ্যতার নির্মাণে সামনে এগুনোর এই যে প্রক্রিয়া সেটিই হলো সংস্কৃতি। এটি হলো সংস্কারের বিরামহীন প্রচেষ্টা। যে কোন জীবন্ত ও সুস্থ্য জাতির জীবনে এ প্রচেষ্টা ক্রীয়াশীল থাকা শুধু কাঙ্ক্ষিতই নয়, অপরিহার্যও। সমাজে সে প্রক্রিয়া কতটা সফল এবং কতটা কার্যকর সংস্কৃতি সেটারই পরিমাপ দেয়। খনির স্বর্ণ আর অলংকারের স্বর্ণ এক নয়, উভয়ের মাঝে যে পার্থক্য তার পশ্চাতে থাকে দীর্ঘ পরিশুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া।

Read more...
 
«StartPrev12NextEnd»

Page 1 of 2
Banner