|
একাত্তরের আত্মঘাতের ইতিহাস
|
একাত্তরকে ঘিরে আওয়ামী লীগের বড় অস্ত্র ছিল মিথ্যাচার। সে সাথে ছিল হৃদয়হীন সন্ত্রাস। এটি যে শুধু দলটির নীচের তলার ক্যাডার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তা নয়, দলের শীর্ষ নেতা, আওয়ামী বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক - সবার মধ্যেই সেটি ভয়ানক ভাবে প্রবেশ করেছিল। এর কিছূ উদাহরণ দেওয়া যাক। ১৯৭০ সালের ১৮ ই জানুয়ারীতে পল্টনে জামায়াতে ইসলামির জনসভা ছিল। সেখানে দলটির আমীর মাওলানা মাওদূদী ছিলেন প্রধান বক্তা। কিন্তু জনসভায় তার আগমনের আগেই প্রচন্ড হামলা শুরু হয়। সেদিন সে হামলা লেখক স্বচক্ষে দেখেছেন। না দেখলে বিশ্বাস করাই কঠিন হত, গণতন্ত্রের দাবীদার একটি দল অন্য দলের শান্তিপূর্ণ জনসভার উপর কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। হামলার জন্য প্রচুর ভাঙ্গা ইট জমা করা হয়েছিল জিন্নাহ এভিনিউতে যা আজ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ নামে পরিচিত। আওয়ামী ক্যাডারগণ বৃষ্টির মত ছুঁড়ে মারছিল জনসভায় সমবেত শ্রোতাদের উপর। মিনিটের মধ্যেই শত শত মানুষ আহত হল। পাথরের আঘাতে মাথা ফেটে রক্ত বেরুচ্ছিল অনেকেরই। জনসভাটি বিশাল করার লক্ষ্যে জামায়াত সারা দেশ থেকে হাজার হাজার কর্মী ও সমর্থক নিয়ে জমা করেছিল। মফস্বলের সাদামাটা মানুষগুলো তখন পাথর খেয়ে দিশে হারা হয়ে গিয়েছিল,নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে কোথায় যে পালাবে সে রাস্তাও পাচ্ছিল না।
হামলা হচ্ছিল পশ্চিম দিক থেকে। তখন পল্টন ময়দানের দক্ষিণের উঁচু দেওয়াল অতি কষ্টে টপকাতে দেখা গেছে লম্বা আলখেল্লা পরিহিত মুসল্লীদের। সেদিন তিনজন নিরীহ শ্রোতা নিহত হয়েছিল। অথচ জনসভায় আসা ছাড়া তাদের কোন অপরাধই ছিল। আহত হয়েছিল বহুশত। আহতরা আরো আহত হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে। সেখানেও আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের মারপিট করে। শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগের অন্য কোন নেতা এমন বর্বর ঘটনার নিন্দা করে কোন বিবৃতিও দেননি। সুস্থ্য গণতন্ত্রচর্চার প্রতি সামান্য আগ্রহ থাকলে একটি দল কি এভাবে অন্য দলে উপর এতটা নির্দয় ও বিবেকহীন হতে পারে? তাদের বিবেক যে কতটা মৃত সেটিই সেদিন প্রকাশ পেয়েছিল। পরের দিন আওয়ামী লীগের মুখপত্র ইত্তেফাক ও ন্যাপের মুখপত্র দৈনিক সংবাদের হেডিং ছিল আরো বিস্ময়কর। প্রথম পৃষ্ঠায় বিশাল খবর ছেপেছিল, জনসভার শ্রোতাদের উপর জামাতকর্মীদের হামলা -এ শিরোনামায়। যেন জামায়াত এক সপ্তাহব্যাপী সারা ঢাকা শহরে প্রচার চালিয়ে এবং বহু হাজার টাকা ব্যয় করে মানুষ জমা করেছিল তাদের মাথায় পাথর মারার জন্য! এটি কি বিশ্বাস করা যায়? কোন সুস্থ্য সাংবাদিক কি এমন মিথ্যা লিখতে পারে? অথচ সে অবিশ্বাস্য মিথ্যাটিই পাঠকদের কাছে পেশ করেছিল দৈনিক ইত্তেফাক ও সংবাদ। এভাবে রেকর্ড গড়া হয় মিথ্যাচর্চায়।
কথা হল, হামলামুখি রাস্তার সন্ত্রাসীদের থেকে সাংবাদিক নামধারি এমন ব্যক্তিদের বিবেককে কি আদৌ উন্নত বলা যায়? একই রূপ বিবেকহীনতা দেখিয়েছেন দেশের বুদ্ধিজীবীরা। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে তারা যুদ্ধ করবে, সেটি সবাই আশা করে না।কিন্তু মিথ্যার বিরুদ্ধে সোচচার হওয়ার দায়িত্বটা তো তাদের।কিন্তু সে দায়িত্ব পালনে তারা ব্যর্থ হয়েছেন।বরং স্বৈরাচারি দুর্বৃত্ত নেতাদের কাছে তারা নীরবে আত্মসমর্পণ করেছেন।পরিণত হয়েছেন চাটুকারে। ১৯৭১-এর নির্বাচন ছিল আওয়ামী লীগের মিথ্যা ওয়াদার। মিথ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জনগণকেও।প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়াকেও। সে প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে যথেচ্ছা সন্ত্রাসের পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। মুজিব ইয়াহিয়া খানকে শাসনতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে কথা বলেছেন ইয়াহিয়া খানের মন্ত্রী জি ডব্লিউ চৌধুরি (G.W. Chowdhury, 1974)। ফলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসে অন্য কোন দল শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী জনসভাই করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী পারেনি, মুসলিম লীগও পারেনি। পারেনি অন্যান্য দলও। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে, বহু প্রাণহানীও হয়েছে। একমাত্র ৭০-এর ১৮ই জানুয়ারীর পল্টনের জনসভায় জামায়াতের ৩ জন নিহত এবং ৪ শতেরও বেশী আহত হয়েছিল। সে হত্যাকান্ডটি ঘটেছিল গভর্নর হাউজের সামনে। কিন্তু এ হত্যাকান্ডের অপরাধে একজনকেও শাস্তি দেওয়া হয়নি। কাউকে গ্রেফতারও করা হয়নি। আরো লক্ষ্যণীয় হল, যে নির্বাচনে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন হল, তছনছ হল বহু নির্বাচনী সভা, বহু ভোটকেন্দ্রে প্রতিদ্বন্ধি দলের পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হল না এবং জালি ভোট দেয়া হল বিপুল সংখ্যায় - সে নির্বাচনকেও সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ বলা হয়েছিল। এবং সেটি দুটি পক্ষ থেকে। পক্ষ দুটি হলঃ আওয়ামী লীগ এবং ইয়াহিয়া খানের সরকার। ৭১-এর সে নির্বাচনের ব্যাপারে মাওলানা ভাষানী কি বলেছিলেন সেটা শোনা যাক। এ বিবরণ দিয়েছেন ঢাকার মুসলিম লীগ নেতা জনাব ইব্রাহীম হোসেন। তিনি তাঁর বই “ফেলে আসা দিনগুলো’’তে লিখেছেনঃ
“ঢাকার টাঙ্গাইলে জনসভা করার পর কাইয়ুম খান (পাকিস্তান মুসলিম লীগের এক গ্রুপের সভাপতি, ইনি এক সময় পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন) গেলেন মওলানা ভাসানীর সাথে দেখা করতে। আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। মওলানার সেই টিনের ঘরে গিয়ে তিনি প্রায় পাঁচ ঘন্টা কাটান। আমি তখন মওলানার নির্মীয়মান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রুমে বসে ছিলাম। ..তারপর কাইয়ুম খান বললেন, মওলানা যা বলেছেন তাতো সাংঘাতিক কথা। আমি বাঙালি হলে এসব কথা জোরেশোরে বলতে পারতাম। আমি বললে সবাই ভূল বঝবে। মওলানা বললেন, নির্বাচনে তিনি কেন যোগ দিচ্ছেন না। এতো সব সাজানো নাটক। আর্মির সাথে মুজিবের বোঝাপড়ার পরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচেছ। এ ষড়যন্ত্রের পিছনে মদদ যোগাচ্ছেন ভূট্টো। যদিও তিনি আমার খুব ঘনিষ্ট। ইন্ডিয়া সুযোগের অপেক্ষায়। এই ভাগাভাগির নির্বাচনে যদি কোন উল্টাপাল্টা হয় তবে ইন্ডিয়া এগিয়ে আসবে।”-(ইব্রাহিম হোসেন,২০০৩)।
তবে ভাষানী যাই বলুন,পূর্বের ন্যায় পাকিস্তানের সে দূর্দিনেও তিনি কোন কল্যাণ করেননি। যেহেতু সে সময় তার সাথে সে সময় দেশী-বেদেশী – বিশেষ করে চীনা গোয়েন্দা চক্রের সংযোগ ছিল, মুজির ও ইয়াহিয়ার গোপন সমঝোতার বিষয়ে তিনি যা বলেছেন সেটি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাছাড়া জেনারেল ইয়াহিয়ার তৎকালীন ইনার সার্কেলের মন্ত্রী জনাব জি ডব্লিউ চৌধুরিও একই কথা বলেছেন। মিথ্যাচর্চা শুধু আওয়ামী লীগ নেতা, মাঠকর্মী ও আওয়ামী ঘরানার সাংবাদিকদের মাঝে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমান ভাবে সংক্রামিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের মাঝেও। বাংলাদেশের আওয়ামী ঘরানার উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। তিনি একাত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। দেখা যাক, তার উচ্চ শিক্ষা তার কদর্যতাকে কতটা পাকসাফ করতে পেরেছিল। তার সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন লিখেছেন,"বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী একাত্তরের ফেব্রুয়ারী মাসের শেষ দিকে ঢাকা ত্যাগ করেন সপরিবারে। তিনি তখন পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসাবে জেনেভায় জুরিষ্টদের সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন। ২৫ মার্চের অব্যবহিত পর তিনি বিবিসিতে এক ইন্টারভিউতে বলেন যে, পাকিস্তান আর্মি তার ইউনিভার্সিটির হাজার হাজার শিক্ষক ও ছাত্রকে খুন করেছে। এরপর তিনি বলেন, তিনি আর ঐ সরকারের আনুগত্য করতে পারেন না। অথচ এটি ছিল মিথ্যাচার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষক ২৫ মার্চ মারা যায় এবং সে সাথে দুই জন ছাত্র। অথচ যারা আবু সাঈদ চৌধুরির বক্তৃতা শুনেছিলেন তাদের ধারণা ছিল সত্যি বুঝি কয়েক শত শিক্ষক এবং ছাত্র ২৫শে মার্চের রাতে নিহত হয়।‘ -( ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন, ১৯৯৩)
বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘একাত্তরে ৩০ লাখ নিহত হয়েছে’ এ মিথ্যার ন্যায় ‘২৫শে মার্চের রাতে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক ও ছাত্র খুন হয়েছে’ আরেকটি বহু উচ্চারিত মিথ্যা। অথচ বিশ্বজুড়ে এ মিথ্যা রটনায় সক্রিয় ভূমিকা নেন জনাব আবু সাঈদ চৌধুরী। এই হল আওয়ামী লীগের সেরা শিক্ষিত ব্যক্তিটির চরিত্র! একাত্তরে ৩০ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিল। এত বড় মাপের মিথ্যা কথা বলে শেখ মুজিব বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তবে বিশ্বাস করেছিল খুব কম লোকই। বিশ্বাস করেনি এমনকি ভারতীয়রাও। তবে তাতে আওয়ামী-বাকশালীদের মিথ্যাচর্চায় ভাটা পড়েনি। শুধু দেশে নয়, বিদেশের মাটিতেও মিথ্যাচার আওয়ামী লীগ নেতা ও ক্যাডারদের চরিত্রের সাথে কতটা মিশে গিয়েছিল তার আরো কিছু উদাহরণ দেওয়া যাক। ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন লিখেছেন,
“(লন্ডনে থাকাকালে ) সালমান আলী সানডে টাইমস পত্রিকার একটি সংখ্যা দেখালেন। পড়ে তো আমি অবাক। মৃতের তালিকার মধ্যে ছিলেন আমার বন্ধু সহকর্মী কে এম মুনিম, মুনীর চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক - এ রকম আরো কয়েকজন। আমি যখন বললাম যে লন্ডন যাত্রার প্রাক্কালে আমি মুনিম সাহেবের সঙ্গে ফোনে আলাপ করে এসেছি, সালমান আলীর বিস্ময় আরো বৃদ্ধি পেল। তাঁকে আরো বললাম যে আমি বিশ্বস্ত সূত্রে খবর নিয়ে এসেছি যে মুনীর চৌধুরী এবং আব্দুর রাজ্জাক জীবিত। সালমান আলীকে আরো বলা হয়েছিল যে ঢাকায় নাগরিক জীবন বলে কিছু নেই। তানভির আহমদের রুমে যখন গেলাম পুরনো পরিচয় সূত্রে অনেক আলাপ হলো। তিনি ড্রয়ার থেকে বড় হরফে ইংরেজীতে লেখা একটা লিফলেট বা প্রচারপত্র দেখালেন। বললেন তাঁর পরিচিত এক বাঙ্গালী মহিলা ওটা লন্ডনের রাস্তায় বিলি করছিলেন। প্রচারপত্রে লেখা ছিল, আপনাদের মধ্যে বিবেক বলে যদি কিছু থাকে তবে পাশবিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুন। এরপর ছিল কয়েকটি লোমহর্ষক কাহিনী। এক পিতার বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল যে ২৫ শের রাত্রে আর্মি ঢাকায় মেয়েদের হলে ঢুকে শুধু গুলী করে অনেক মেয়েকে হত্যা করেনি, তাদের উপর পাশবিক অত্যাচারও চালিয়েছে। সমকামী পাঠান সৈন্যরা মেয়েদের ঐ জঘন্য প্রকারেও ধর্ষণ করেছে। বক্তা পিতা আরো বলেছিলেন যে এ সমস্ত ঘটনা নীচের তলায় যখন হচ্ছিল তখন জন পঞ্চাশেক মেয়ে উপরতলা থেকে এ সমস্ত কান্ড দেখছিল। তরা যখন বুঝতে পারলো যে এর পরই তাদের পালা তখন তারা উপর থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার মধ্যে বক্তার কন্যাও ছিল। তানভির আহমদ যখন বর্ণনার বীভৎসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ঐ মহিলাকে বলেছিলেন যে আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন যে এ ঘটনার মূলে কোন সত্য নেই। মহিলা জবাব দিয়েছিলেন Every thing is fair in love and war অর্থাৎ যুদ্ধ এবং প্রেমের ব্যাপারে অন্যায় বলে কিছু নেই। তানভির সাহেবকে আমি বললাম যে ঢাকায় আমি নিজে মেয়েদের হলের প্রভোস্ট মিসেস আলী ইমামের সঙ্গে ফোনে কথা বলে এসেছি। তাঁর থেকে যা শুনেছি তা হলো এই ৭ই মার্চের পর অধিকাংশ মেয়ে হল ছেড়ে চলে যায়। ২৪ তারিখে ৫ জন মেয়ে মাত্র ছিল। ২৪ তারিখের দিকে যখন আর্মি এ্যাকশনের সম্ভাবনা সম্বন্ধে যখন ঢাকায় নানা গুজব ছড়াতে থাকে তখন মিসেস ইমামের নির্দেশে এই মেয়েগুলোও হল ছেড়ে জনৈকা হাইজ টিউটরের বাসায় আশ্রয় নেয় সুতরাং হলের মেয়েদের উপর অত্যাচার বা ধর্ষণের কোন কথাই উঠতে পারে না। (ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন, ১৯৯৩)
Bookmark this,
|