Bookmark and Share
Home শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম

eBook Collection

Latest Comments

সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
ইসলামি শিক্ষার বিশ্বজনীনতা ও আজকের মুসলমান Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   

 

কূয়ার ব্যাঙ বদ্ধকূপে আজীবন কাটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু যার বাঁচাটাই সমাজ, রাষ্ট্র, উম্মাহ ও সমগ্র মানবজাতির কল্যাণচিন্তা নিয়ে, কূয়ার বদ্ধজীবন তাঁর বাঁচাটাই অর্থহীন করে। শিক্ষা ও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা ব্যক্তিকে এমনই এক বদ্ধ, পঙ্গু ও অকার্যকর জীবন উপহার দিতে পারে। ইসলামের আগমন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে। ইসলামের নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ)সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত। আল্লাহতায়ালা চান তার দ্বীনকে সকল ধর্মের উপর বিজয়ী হোক। সত্যদ্বীনসহ নবী প্রেরণের লক্ষ্য যে কারণটি তিনি পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করেছেন তা হলো, “লি ইউযহিরারাহু আলাদ্দীনে কুল্লিহি” যেন সে দ্বীন সকল  ধর্মের উপর প্রবল ভাবে ছেয়ে যায় বা বিজয়ী হয়। ফলে শুরু থেকেই ইসলাম বিশ্বজনীন। মহান আল্লাহর লক্ষ্য নিছক একটি দেশের মানুষকে পথ দেখানো নয়, তিনি চান সমগ্র মানব জাতি সত্যপথ পাক। তাই মুসলমানের ভাবনাও নিছক একটি দেশের মানুষকে নিয়ে নয়, বরং সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিয়ে। তাই মুসলমানের রাজনীতি ও ধর্মনীতির সাথে শিক্ষানীতিতেও বিশ্বজনীনতা এসে যায়। “চীন ও আরব হামারা, হিন্দুস্তান হামারা, মুসলিম হ্যায় হাম, সারা জাহান হামারা”- ঈমানের এ প্রতিধ্বণি শুধু আল্লামা ইকবালের একার নয়, প্রতিটি ঈমানদারের। এ বিশ্ব মহান আল্লাহর, আল্লাহর খলিফা রূপে মুসলমানের দায়ভারও তাই বিশ্বব্যাপী। ফলে আনসারুল্লাহ তথা আল্লাহর সাহায্যকারী রূপে মুসলমানের কাজই হলো, মহান আল্লাহর মিশনের সাথে পুরাপুরি একাত্ম হওয়া। বিভিন্ন ভাষা, ভূগোল বা বর্ণের নামে গড়া বিভক্তির প্রাচীর দিয়ে দায়িত্বপালনের সে সীমানা সীমিত করা যায় না। খন্ডিতও করা যায়না।
Read more...
 
যে শিক্ষা বিপর্যয় আনে Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
শিক্ষাই সমৃদ্ধির চাবি। নিঃস্বের এটিই একমাত্র পূঁজি। ব্যক্তি ও জাতির ভাগ্য-পরিবর্তনে এটিই শ্রেষ্ঠ ও সহজতর পথ। শিক্ষা এজন্যই জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু কি বিজ্ঞান ও ব্যবসা-বাণিজ্য, কি অর্থনীতি ও রাজনীতি, কি সাহিত্য ও সংস্কৃতি, কি নীতি ও নৈতিকতা -সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে দুর্গতি –তাতে বিষয়টি কি আর অস্পষ্ট থাকে যে ব্যক্তি ও জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন অবদানই রাখেনি? পুষ্টিহীন আহারেও মানুষ কিছুকাল বাঁচে! তবে বাঁচাটা তাতে সুখের হয় না। নানা রোগে জর্জরিত হয় তখন সে বাঁচা। এমন বাঁচার মধ্যে সম্মান নেই, সুখবোধ নেই, গৌরবও নেই। অশিক্ষা নিয়ে বাঁচাটিও তেমনি অগৌরব, অসম্মান ও দুর্গতির। পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রের কল্যাণে কিছু করাতো দূরে থাক এমন অশিক্ষিত ব্যক্তির জীবনও হয়ে পরে পরনির্ভর। এ কারণেই সুখ, সম্মান আর গৌরবের হয়ে উঠেনি আমাদের জাতি হিসাবে বাঁচাটাও। মহান আল্লাহর পনেরো কোটি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তথা আশরাফুল মাখলুকাতের বাস এদেশটিতে।
Read more...
 
পতনমুখী মুসলিম জাতিঃ উত্থানের কাজ শুরু হবে কিভাবে? Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   

মুসলমানদের পতনযাত্রা বহু শত বছর পূর্বে শুরু হলেও এখনও থামেনি। কিন্তু যারা পতনমুখী এ জাতির উত্থান নিয়ে চিন্তিত তাদের কাছে প্রশ্ন হলো উত্থানের কাজ শুরু করতে হবে কোত্থেকে? এব্যাপারে আল্লাহর হেদায়েতই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। কোরআনপাকে মানবজাতির জন্য আল্লাহতায়ালার যেটি প্রথম নির্দেশ সেটি নামায-রোজা-হজ্ব-যাকাত বা জিহাদ নয়। বরং ইকরা বা পড় অর্থাৎ জ্ঞানবান হও। জ্ঞান অর্থ আলো। আর অজ্ঞতা হলো অন্ধকার। অন্ধকার সুযোগ করে দেয় হীংস্র হায়েনাদের, তথা মানুষের দুষমনদের। তারা এমন অবস্থারই অপেক্ষায় থাকে। শুধু পথচলা নয়, যে কোন সৃষ্টিশীল কাজের জন্য চাই আলোকিত পরিবেশ। অন্ধকার যেমন রাতের পৃথিবীকে আচ্ছন্ন করে তেমনি আচ্ছন্ন করতে পারে মনের ভুবনকেও। ন্যায়-অন্যায়, সত্য-অসত্য, শিষ্ঠ-অশিষ্ঠ এসবের পার্থক্য বুঝবার জন্য সূর্যের আলো নয়, প্রয়োজন মনের আলোর। বস্তুতঃ বিশ্বের বহু পাপাচার হয় সূর্যের আলোতেই। সূর্যের সে আলো কদর্যতা বা পাপপংকিলতা চিনতে সাহার্য করে না। (বিস্তারিত)

 
যে শিক্ষা জাতিকে শিক্ষিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে Print E-mail

শিক্ষার লক্ষ্য নিছক স্বাক্ষর-জ্ঞান বা পড়ালেখার সামর্থ বৃদ্ধি নয়। তথ্য ও তত্ত্ব জানানোও নয়। বিজ্ঞান বা কারগরি জ্ঞানে দক্ষ করাও নয়। বরং সেটি হলো ব্যক্তির ঘুমন্ত বিবেককে জাগ্রত করা। তাকে মানবিক গুণে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা। তখন ব্যক্তির বিশ্বাস, দর্শন ও রুচীবোধই শুধু পাল্টে যায় না, পাল্টে যায় তার কর্মকান্ড, আচার-আচরণ ও চিরায়ত অভ্যাস। অসভ্য ও অসুন্দর মানুষ থেকে শিক্ষিত মানুষ তখন ভিন্নতর মানুষে পরিণত হয়। শিক্ষার মাধ্যমে জাতি এ ভাবেই পায় পরিশীলিত, সভ্য ও সুন্দর চরিত্রের মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশ তা পায়নি। এ ব্যর্থতা গলাবাজি করে ঢাকা যাবে না। দেশজুড়ে সন্ত্রাস, অরাজকতা ও দূর্নীতিতে দেশটির বিশ্বে প্রথম অবস্থান যে সত্যটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেয় সেটি হলো, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে শিক্ষিত করতেই ব্যর্থ হচ্ছে। তথাকথিত এ শিক্ষা শুধু দূর্নীতিই বাড়ায়নি, বাড়িয়েছে পরনির্ভরতাও। মেরুদন্ড গড়ার বদলে সেটিকে বরং পঙ্গু করছে। ব্যক্তির নিজেকে জানতেও এটি তেমন সাহায্য করছে না। অথচ প্রতিটি ব্যক্তির গভীরে যে সম্পদ লুকিয়ে আছে তা সোনার খনির বা তেলের খনির চেয়ে কোন অংশে তুচ্ছ নয়। শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় এবং উন্নততর সভ্যতার নির্মাণে বস্ততঃ এ মানবিক সম্পদই মূল। (বিস্তারিত)

 
বিলেতের বাংলা পত্রিকা Print E-mail

একটি জনগোষ্ঠি কতটা জীবন্ত, কতটা উন্নত বা কতটা সৃষ্টিশীল সেটির সবচেয়ে নির্ভূল পরিচয় ফুটে উঠে সে জনগোষ্ঠির মিডিয়া বা পত্রিকায়। বাজারের থলির দিকে তাকিয়েই বলা যায় সে পরিবারের লোকেরা কি খায় এবং কি তাদের রুচি। থলিতে কেনা সামগ্রীর মান ও পরিমাণ দেখেই বুঝা যায় সে পরিবারের সদস্যদের শারীরিক সুস্থ্যতার মান। তেমনি একটি জনগোষ্ঠির মানসিক চাহিদা ও পুষ্টির পরিচয় মেলে তারা কি পড়ে বা সে এলাকার পত্রিকার কি ছাপা হয় সেটি দেখে। একটি জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি ও দর্শনের প্রতিবিম্ব হলো এটি। সমাজের সাধারণ মানুষেরা যা চায়, শিক্ষিত জনেরা যা ভাবে বা রাজনৈতিক ও সমাজকর্মীদের যা এজেন্ডা সেটিই ফুঠে উঠে মিডিয়ায়। তাই একই সমাজে বা একই দেশে বাস করেও দুটি ভিন্ন ধারার ও ভিন্নমানের জনগোষ্ঠির মিডিয়ার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মান কখনই এক হয় না। কারণ তাদের মানসিক গঠনই এক নয়। শুধু প্রকাশিত খবর, সম্পাদকীয় বা নিবন্ধগুলিতেই নয়, সে পার্থক্য ধরা পরে এমনকি পত্রিকার বিজ্ঞাপণেও। ফলে বোধগম্য কারণেই সে পার্থক্যগুলী অতিশয় প্রকট বিলেতের বাংলা পত্রিকাগুলি ও এদেশের ইংরেজী পত্রিকার মাঝে। পত্রিকা একটি সমাজের অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি ছাড়া একটি আধুনিক সমাজকে সামনে এগিয়ে নেওয়া অসম্ভব। সম্ভব নয় সাধারণ মানুষের চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন সাধন। মিডিয়া শুধু খবরই পরিবেশন করে না, বরং খবরের পিছনে যে প্রেক্ষাপট থাকে সেটির বিশ্লেষণও করে। সমাজের অনেক অপ্রকাশিত বিষয়কে সামনে নিয়ে আসে। সমাজের সমস্যাগুলো কি, সমাধানই বা কি - সেগুলো সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরে। এ নিয়ে মানুষকে আন্দোলিত করে, সংঘবদ্ধ করে এবং সেগুলিকে রাজনৈতিক ও সামাজিক এজেন্ডায় পরিণত করে। তাই যে সমাজে পত্রিকা নেই সে সমাজে সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে আন্দোলন নেই, রাজনৈতিক পরিবর্তনও নেই। একারণেই মিডিয়াহীন প্রাচীন সমাজে শত শত বছরের স্বৈরাচারি বর্বর রাজতন্ত্রও সম্ভব হয়েছে। বস্তুতঃ বিগত পঞ্চাশ বছরে জ্ঞানবিজ্ঞানে যে বিপ্লব এসেছে তা মানব ইতিহাসের বাকি বহু হাজার বছরেও হয়নি। এর কারণ পত্র-পত্রিকা বা মিডিয়া। মিডিয়া বা পত্রিকা শিক্ষাকে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ থেকে ঘরের দুয়ারে নিয়ে গেছে। (বিস্তারিত)

 
মিডিয়া আগ্রাসনের মুখে মুসলিম বিশ্ব Print E-mail

ইসলাম ও মুসলিম বিশ্ব আজ যে আগ্রাসনের শিকার সেটি শুধু সামরিক নয়, বরং প্রবলতর হল মিডিয়া ক্ষেত্রে। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিডিয়া আগ্রাসনে মধ্যপ্রাচ্যে যেমন ইসরাইল, সমগ্র বিশ্বজুড়ে যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্র, দক্ষিণ এশিয়ায় তেমনি ভারত। ভারতীয় প্রচারের কৌশল দ্বিমুখী। ভারত থেকে সরাসরি সম্প্রচারের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে তাদের আশ্রয়ে পালিত হচ্ছে মিডিয়া জগতের অনেকেই। প্রতিবেশী দেশের রাজনীতি ও ভূগোলকে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে ভারতীয় পুঁজির বিস্তর বিনিয়োগ হয়েছে মূলতঃ সাতচল্লিশ থেকেই। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ১৯৬৫-এর সামরিক আগ্রাসন ভন্ডুল হওয়ার পর তাদের প্রচারধর্মী নিরস্ত্র আগ্রাসনের মাত্রা বহুগুনে বেড়ে যায়। আকাশবাণীর বহু কেন্দ্র স্থাপিত হয় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানকে টার্গেট করে, প্রতিষ্ঠিত হয় অনেক নতুন টিভিকেন্দ্র। একাত্তরের পর থেকে শুরু হয় ভারতীয় বই-পুস্তকের বাঁধভাঙ্গা জোয়ার। এখন অবস্থা এমন যে, কলকাতার বই-পুস্তকের প্রচার সংখ্যা বহু বাংলাদেশী বইয়ের চেয়েও অধিক।

Read more...
 
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সমস্যা কোথায়? Print E-mail

শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়নে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটি ছাত্র, শিক্ষক বা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নয়। কত বছর বা বছরে কত ঘন্টা ছাত্রকে শিক্ষা দেওয়া হয় সেটিও নয়। পিএইচডি বা সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে কতজন বের হলো সেটিও মাপকাঠি নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, জাতির মেরুদন্ড কতটা মজবুত হলো, মানবিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক দিক দিয়ে জাতি কতটা সামনে এগুলো সেটি। এক্ষেত্রে ব্যর্থতা বাড়লে নিছক ছাত্র, শিক্ষক ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পাওয়াতে দেশের কল্যাণ বাড়ে না। শিক্ষালয়েই নির্মিত হয় জাতির মেরুদন্ড। এখানে থেকেই জাতি পায় বেঁচে থাকার শক্তি। নির্মিত হয় জাতির মন, মনন ও সংস্কৃতি। নিছক ক্ষেতে-খামারে ও কল-কারখানায় উৎপাদন বাড়ালে জাতি বাঁচে না, এজন্য বিদ্যাচর্চাও বাড়াতে হয়। বিবেক বা আত্মার পুষ্টির জন্য এটি অপরিহার্য। নইলে দেহ নিয়ে বেঁচে থাকাটি সম্ভব হলেও অসম্ভব হয় মানুষ রূপে বাঁচাটি। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহু বেড়েছে। গ্রামে গ্রামে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুধু থানা পর্যায়েই নয়, ইউনিয়নেও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বহু জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষাই সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত। অথচ আজ থেকে শত বছর আগে সমগ্র দেশে একখানি বিশ্ববিদ্যালয়ও ছিল না। অধিকাংশ জেলায় ছিল না কলেজ। আজ বিপুল হারে বেড়েছে ছাত্র-শিক্ষকের সংখ্যা। কিন্তু বেড়েছে কি সেগুলিও যা শিক্ষা-বিস্তারের সাথে সাথে বেড়ে উঠা উচিত? মজবুত হয়েছে কি জাতির মেরুদন্ড?

Read more...
 
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এত ব্যর্থ কেন? Print E-mail

কোরআনে বলা হয়েছেঃ “ইয়া আইয়োহাল্লাযীনা আমিনূ ইন্‌ তানছুরুকুম আল্লাহা ইয়ানছুরুকুম ওয়া ইউছাব্বিত আকদামাকুম।” (সুরা মুহাম্মদ আয়াত ৭) অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর তবে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। এবং তোমাদের পদযুগলকে জমিনের উপর মজবুত করে দিবেন। আল্লাহর সাহায্যকারীর হওয়ার অর্থ কি শুধু নামায-রোযা, হজ্ব-যাকাত পালন করা? নবীজীর (সাঃ) জীবন থেকে আমরা কি সে শিক্ষা পাই? বরং,সেটি হলো, তাঁর দ্বীন ও শরিয়তকে দুনিয়ায় বিজয়ী করার কাজে সাহায্য করা। সাহায্য করা সমাজকে কুফরিমুক্ত করার কাজে। নবীজী (সাঃ) ও তার সাহাবীগণ একাজে যুদ্ধ করেছেন এবং বহু সাহাবী শহীদও হয়েছেন। আল্লাহকে এভাবে সাহায্য করার মাধ্যমে মুসলমান পেতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিজয়। এটি তাঁর পবিত্র প্রতিশ্রুতি।

Read more...
 
মিডিয়ার এত গুরুত্ব কেন? Print E-mail

মানব জাতি বিস্ময়কর বিপ্লব সাধন করেছে জ্ঞানের ভূবনে। বিগত শত বছরে বিশ্বে যত বিজ্ঞানী জন্ম নিয়েছে তা সম্ভবতঃ মানব জাতির সমগ্র ইতিহাসেও জন্মেনি। শুরু থেকে এ অবধি জন্ম নেয়া সকল বিজ্ঞানীদের অর্ধেকেরও বেশী সম্ভবতঃ এখনও জীবিত। হাভার্ড, ক্যামব্রিজ, অক্সফোর্ড, শিকাগো প্রভৃতি নাম করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একেকটিতে যত জন বিজ্ঞানী আজ কাজ করেন বা শিক্ষকতা করেন মানব ইতিহাসের বহু শতাব্দী কেটে গেছে ততজন বিজ্ঞানীর জন্ম না দিয়েই। তবে এ শতাব্দীর সর্বশেষ বিপ্লব হলো মিডিয়া বিপ্লব। মানব জাতির ইতিহাসে এটি এক অতি বিস্ময়কর বিপ্লব। জ্ঞানচর্চার বলেই মানুষ স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। মিডিয়া বিপ্লব সে জ্ঞানচর্চাকে শুধু বেগবানই করেনি, জ্ঞানের ভুবনকে বাড়িয়েছে অবিশ্বাস্যভাবে। কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বদৌলতে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে বসে যে কেউ অতি নগন্য মূল্যে নানা দেশের নানা ভাষার হাজার হাজার পত্রিকা পড়ার সুযোগ পাচেছ। বিলেত বা বাংলাদেশের একজন ছাত্র সহজে ঢুকে পড়তে পারে আমেরিকান কংগ্রেস লাইব্রেরীতে। তন্ন তন্ন করে খুঁজতে পারে সেখানে রাখা তার পছন্দ মত বই বা জার্নালের পৃষ্ঠা। ব্যক্তি ও সমষ্টির পরিবর্তনে জ্ঞান ইঞ্জিনের কাজ করে। অথচ অতীতে জ্ঞান কখনই এতটা সহজলভ্য ছিল না। জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে মানুষকে একসময় পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র-মহাসমৃদ্র পাড়ি দিতে হয়েছে। আর এখন সে জ্ঞানের অবিশ্বাস্য বিশাল ভুবন কম্পিউটারের কি বোর্ডে। এটি যাদুকেও হার মানায়। যাদুকরী এ শক্তির বদৌলতে মিডিয়া পাল্টে দিচ্ছে জ্ঞানের ভূবন, পাল্টে দিচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা, রূচীবোধ ও মূল্যবোধ। কারণ, সকল পরিবর্তনের শুরু হয় চেতনা থেকে। ব্যক্তি তার জীবনের যাত্রা পথে সকল নির্দেশনা পায় এখান থেকে। আর সে চেতনা রাজ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য অজ আর কোন রাজার নয়, কোন প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীরও নয়। বরং মিডিয়ার। ফলে মিডিয়া পাল্টে দিচ্ছে বিশ্বকে। কিন্তু কথা হলো মিডিয়ার এ স্রোতে মুসলমানেরা কি শুধু ভেসেই যাবে? (বিস্তারিত)

 
«StartPrev12NextEnd»

Page 1 of 2
Banner