|
কোরআনে বলা হয়েছেঃ “ইয়া আইয়োহাল্লাযীনা আমিনূ ইন্ তানছুরুকুম আল্লাহা ইয়ানছুরুকুম ওয়া ইউছাব্বিত আকদামাকুম।” (সুরা মুহাম্মদ আয়াত ৭) অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর তবে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। এবং তোমাদের পদযুগলকে জমিনের উপর মজবুত করে দিবেন। আল্লাহর সাহায্যকারীর হওয়ার অর্থ কি শুধু নামায-রোযা, হজ্ব-যাকাত পালন করা? নবীজীর (সাঃ) জীবন থেকে আমরা কি সে শিক্ষা পাই? বরং,সেটি হলো, তাঁর দ্বীন ও শরিয়তকে দুনিয়ায় বিজয়ী করার কাজে সাহায্য করা। সাহায্য করা সমাজকে কুফরিমুক্ত করার কাজে। নবীজী (সাঃ) ও তার সাহাবীগণ একাজে যুদ্ধ করেছেন এবং বহু সাহাবী শহীদও হয়েছেন। আল্লাহকে এভাবে সাহায্য করার মাধ্যমে মুসলমান পেতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিজয়। এটি তাঁর পবিত্র প্রতিশ্রুতি।
আর প্রতিশ্রুতি পালনে আল্লাহর চেয়ে আর কে উত্তম হতে পারে? মুসলমানদের আজ বিশ্বব্যাপী পরাজয়ের বড় কারণ তারা আল্লাহর সাহায্যকারি হয়নি। ফলে পায়নি আল্লাহর সাহায্য। বরং নিজ দেশে আল্লাহর শরিয়য়তকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত করেছে, তারা কার্যতঃ সাহায্যকারি তাগুতের তথা শয়তানের। শয়তানি শক্তির পক্ষে সে সাহায্যের আরেক প্রমাণ, মুসলিম দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় যতটা ইসলাম চর্চা হয় তার চেয়ে বেশী হয় ইসলামের বিরুদ্ধে অবজ্ঞা সৃষ্টির কাজে। ফলে মুসলিম দেশে যারা ইসলামের শরিয়ত ও সংস্কৃতির বাস্তবায়নে বাধা দেয় তারা অমুসলিম নয়, বরং তারাই যারা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে বেরুয়। আল্লাহর দ্বীনকে সেকেলে বা সামপ্রদায়িক বলে তারাই ইসলামের প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে মাঠে ময়দানে ও পার্লামেন্টে অবস্থান নেয়। (বিস্তারিত)
Bookmark this,
|