Bookmark and Share
Home

eBook Collection

সর্বাধিক পঠিত

রেকর্ড এবার অসভ্যতায়
বাংলাদেশ
Sunday, 07 February 2010 22:51

গত ৩০শে জানুয়ারী অতিশয় অসভ্য ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে। দৈনিক ‘প্রথম আলো’ ৬ই ফেব্রুয়ারি খবর ছেপেছে সেখানে কলেজের শতবর্ষপূর্তি নিয়ে গানের আয়োজন করা হয়েছিল। দায়িত্বে ছিল সরকার সমর্থিত ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রনাধীন ছাত্র সংসদ। ‘প্রথম আলো’ যা ছেপেছে তা হলোঃ “ব্যান্ডের গান শুরুর আগেই হাজার হাজার তরুণ-যুবক ঢুকে পড়ে নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে। শুরু হয় বিশৃঙ্খলা থেকে তাণ্ডব। দুই তরুণীকে আমি অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে পাশের বাড়িতে পৌঁছে দিই। ১৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখি, সেই একই অবস্থা। আরও দুই তরুণী আমাকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানায়। প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়া এমন ৪০ থেকে ৫০ জনকে আমি উদ্ধার করতে দেখেছি।’ এটি ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের গত ৩০ জানুয়ারির রাতের ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শী এক তরুণ এভাবেই সেদিনের তাণ্ডবের বিবরণ দেন প্রথম আলোর কাছে। আনন্দমোহন কলেজের শতবর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘটে এ অপ্রীতিকর ঘটনা।

Read more...
 
ভাষা আন্দোলনের নাশকতা
বাংলাদেশ
Saturday, 23 January 2010 22:49

ভাষা-আন্দোলনের লক্ষ্য শুধু রাষ্ট্রভাষা রূপে বাংলার স্বীকৃতি লাভ ছিল না। বরং পাকিস্তান এবং যে প্যান-ইসলামী চেতনার ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তার বিনাশ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। পাকিস্তান খন্ডিত হয়েছে, বাংলাদেশও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামি চেতনা বিনাশের কাজ এখনও শেষ হয়নি, তাই শেষ হয়নি ভাষা আন্দোলনের নামে বাঙালীর চেতনা জগতে সেকুলার ধারার সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের কাজ। ভাষা আন্দোলনের নাশকতা এখানেই। ভাষা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের দাবী,ভাষা আন্দোলন না হলে বাঙালী জাতিয়তাবাদ কখনই এতটা প্রচন্ডতা পেত না এবং বাংলাদেশও সৃষ্টি হতো না। তাদের এ যুক্তি অস্বীকারের উপায় নেই। তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের কল্যাণচিন্তা, ইসলামের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে মুসলমানদের আবার উত্থান -এসব নানা স্বপ্ন মাথায় নিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে সে স্বপ্নের বিনাশই ভাষা-আন্দোলনের একমাত্র নাশকতা নয়, এখন সে আন্দোলনের সেকুলার চেতনাকে লাগাতর ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ইসলামী চেতনার উত্থান রোধের কাজে।

Read more...
 
ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লবের রোডম্যাপ
ইসলাম
Saturday, 19 December 2009 15:53

ভূমিকা
মুসলমান হওয়ার অর্থই হলো ইসলামের পূর্ণ অনুসরণ। সেটি যেমন নামায-রোযার ন্যায় ধর্মীয় অনুশাসনে, তেমনি প্রতি কর্মে। তখন সে কর্মের গন্ডির মধ্যে এসে যায় রাষ্ট্র এবং সমাজও। তাই মুসলমান মাত্রই স্বপ্ন দেখে এবং সে সাথে আত্মনিয়োগ করে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লবের। যার মধ্যে সে স্বপ্ন এবং আত্মনিয়োগ নেই, বুঝতে হবে তার মধ্যে ইসলামও নেই। তাই সমস্যা এখানে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লব নিয়ে স্বপ্ন দেখা নয়, বরং কীরূপে সেটি সম্ভব তা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে নানা দল ও নেতার নানা মত। বাংলাদেশের ন্যায় প্রতিটি মুসলিম দেশে এমন ভাবনা নিয়ে বহু দল বহু বছর ধরে কাজ করছে। কিন্তু তাদের পথ ও প্রক্রিয়া নিয়ে কী আজও কোন গবেষণা হয়েছে? তাদের ত্রুটিগুলো কী এবং সফলতাই বা কতটুকু-তা নিয়েও কী কোন চিন্তাভাবনা হয়েছে? এ নিয়ে বিতর্ক নেই যে, বাংলাদেশের ন্যায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলাম একটি পরাজিত জীবন বিধান। পরাজিত এ জন্য যে আল্লাহতায়ালার এ বিধানটি দেশের আইন-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে প্রতিষ্ঠা পায়নি। সেটি বেঁচে আছে নামায-রোযা, হজ-যাকাতের মত ধর্মীয় বিধানের সীমিত পরিসরে।  রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো দখলে গেছে ইসলামের বিপক্ষ শক্তির হাতে।

Read more...
 
বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর অপরাধ
বাংলাদেশ
Friday, 06 November 2009 02:18

অপরাধ ইসলামকে আড়াল করার
বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর অপরাধ অনেক। তবে বড় অপরাধ হলো, ইসলামের মূল পরিচয়টি তুলে না ধরার। এ অপরাধ সত্যকে গোপন করার। আর প্রতিটি অপরাধই আল্লাহর আযাব ডেকে আনে। বাংলাদেশে সে আযাবই কি কম? তারা যে ইসলামকে পেশ করছে তাতে নামায-রোযা ও হজ্ব-যাকাত আছে। মসজিদ-মাদ্রাসা, ওয়াজ-মাহফিল ও ইসলামের নামে দলগড়ার আহ্বানও আছে। কিন্তু যেটি নেই তা হলো নবীজী (সাঃ) নিজে যে ইসলামকে বহু যুদ্ধ ও বহু ত্যাগের বিনিময়ে বিজয়ী করেছিলেন সেটির পূর্ণাঙ্গ পরিচয়। মেঘ যেমন সূর্যকে আড়াল করে রাখে তারাও তেমনই তাঁর আমলের সে ইসলামকে আড়াল করে রেখেছে। ফলে বাংলাদেশ একটি মুসলিম-প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও সবচেয়ে অপরিচিত হলো নবীজী (সাঃ)র আমলের সনাতন ইসলাম। বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে সে ইসলাম পরিচিতি পেয়েছে মৌলবাদ রূপে। সেটিকে বলছে, জ্বিহাদীদের ইসলাম। সাধারণ মানুষ দূরে থাক, প্রধান প্রধান ইসলামি দলগুলোও সে ইসলাম থেকে সযত্নে দূরে থাকার চেষ্টা করছে।

Read more...
 
রাজাকারের চেতনা বনাম মু্ক্তিযোদ্ধার চেতনা
বাংলাদেশ
Sunday, 16 August 2009 01:18

কেন এ লেখা?
একটি জনগোষ্ঠীর জীবনে অতিগুরুত্বপূর্ণ হল তার ইতিহাস। ইতিহাস-জ্ঞান একটি জাতিকে দেয় প্রজ্ঞা, দেয় দূরদৃষ্টি, দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ। যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, সে জাতির ভবিষ্যতের পথ চলাটি সঠিক হয় না, সুখেরও হয় না। পদে পদে ভ্রান্তি হয়। বিশ্বাসঘাতকদের বার বার বন্ধু মনে হয়। জাতির জীবনে তখন পলাশি আসে বার বার। তাই শুধু সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম-শাস্ত্র, কৃষি, বাণিজ্য বা চিকিৎসা-বিজ্ঞানের চর্চা বাড়িয়ে একটি জাতির বাঁচা আদৌ সুখের হয় না। এজন্যই ইতিহাস-বিজ্ঞানকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান। কিন্তু পাকিস্তানের ২৩ বছরে এবং বাংলাদেশে ইতিহাস-চর্চার সাথে সুবিচার করা হয়নি। গুরুত্বও আরোপ করা হয়নি। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটিতে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহু হাজার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটের কলসহ শতাধিক কলকারখানা।

Read more...
 
একাত্তরের চেতনার মরণছোবল
বাংলাদেশ
Sunday, 10 January 2010 20:15

রক্তপাত কোনদেশেই সৌহার্দ, সম্পৃতি ও একতা গড়ে না। শান্তিও আনে না। যা গড়ে তা হলো পরস্পরের মাঝে গভীর ঘৃনা, বিভক্তি ও সে সাথে নতুন নতুন রক্তপাতের প্রেক্ষাপট। রক্তের স্মৃতি সহজে মুছে না, বরং সেটি বেঁচে থাকে যুগ যুগ ধরে। এবং গভীরতর করে ঘৃনা। রক্তের স্মৃতি ধরেই জাহেলী যুগের আরবগণ একই যুদ্ধ চালিয়ে যেত শত শত বছর ধরে। রাজনীতিতে রক্তাক্ষয়ী পথ তাই প্রজ্ঞাবান নেতাগণ এড়িয়ে চলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়তে তাই কোন রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অথচ মুজিব জেনেশুনেই ভয়ানক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে তাতে মুজিবের স্বার্থ যাই থাক, ভারতে স্বার্থ ছিল বিরাট। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই ভারতের লক্ষ্য ছিল, নানা ভাষার ও নানা অঞ্চলের মুসলমানদের মাঝে তীব্রতর ঘৃনা ও বিভেদ সৃষ্টি হোক। আর সে ঘৃনায় ভেঙ্গে যাক উপমহাদেশের মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে মুজিবের উপরের অর্পিত দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাহিনীর ঢুকার উপযোগী প্রেক্ষাপট তৈরী করা। তবে মুসলমানদের মাঝে ঘৃণা ও বিভক্তিকে তীব্রতর ও স্থায়ী করার স্বার্থে মুজিব ও তার সমর্থকগণ শুধু পাকিস্তান ভাঙ্গা নিয়েই খুশি ছিল না। তাদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নিরস্ত্র পাকিস্তানপন্থিদের হত্যা, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুট, বাড়ী দখল ও তাদের বিরুদ্ধে লাগাতর ঘৃনা সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত ও বীভৎস করা।

Read more...
 
শেখ মুজিবের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি
বাংলাদেশ
Thursday, 03 December 2009 23:29

পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে প্রচুর সমস্যা ছিল। ভৌগলিক ভাবে দেশটির দুটি অংশ হাজার মাইলের বেশী দূরে থাকায় সে সমস্যায় প্রচন্ড জটিলতাও ছিল। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রচুর বৈষম্যও ছিল। তবে সে সমস্যার কারণগুলো বুঝা ও তার সমাধান নিয়ে যতটা চেষ্টা হয়েছে তার চেয়ে বেশী সেগুলি ব্যবহৃত হয়েছে রাজনীতির গুটি রূপে ক্ষমতা আহরণে। সবচেয়ে বেশী হয়েছে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র পাকাতে। শেখ মুজিব সবসময়ই বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অথচ শেখ মুজিব নিজেই ষড়যন্ত্র করেছেন পাকিস্তানের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে এবং সেটি করেছেন পাকিস্তানের আজন্ম শত্রু ভারতের সাথে মিলে সংগোপনে। আগরতলা ষড়যন্ত্র যে মিথ্যা ছিল না সেটি বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর। এখন এ ষড়যন্ত্রকে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজেদের জন্য গর্বের বিষয় রূপে গণ্য করেন। যাদের বিরুদ্ধে সে মামলায় সেদিন অভিযোগ আনা হয়েছিল, তারাই এখন সে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বাহাদুরীও জাহির করছে।

Read more...
 
যে শিক্ষা বিপর্যয় আনে
শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
Saturday, 29 August 2009 23:55
শিক্ষাই সমৃদ্ধির চাবি। নিঃস্বের এটিই একমাত্র পূঁজি। ব্যক্তি ও জাতির ভাগ্য-পরিবর্তনে এটিই শ্রেষ্ঠ ও সহজতর পথ। শিক্ষা এজন্যই জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু কি বিজ্ঞান ও ব্যবসা-বাণিজ্য, কি অর্থনীতি ও রাজনীতি, কি সাহিত্য ও সংস্কৃতি, কি নীতি ও নৈতিকতা -সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে দুর্গতি –তাতে বিষয়টি কি আর অস্পষ্ট থাকে যে ব্যক্তি ও জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন অবদানই রাখেনি? পুষ্টিহীন আহারেও মানুষ কিছুকাল বাঁচে! তবে বাঁচাটা তাতে সুখের হয় না। নানা রোগে জর্জরিত হয় তখন সে বাঁচা। এমন বাঁচার মধ্যে সম্মান নেই, সুখবোধ নেই, গৌরবও নেই। অশিক্ষা নিয়ে বাঁচাটিও তেমনি অগৌরব, অসম্মান ও দুর্গতির। পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রের কল্যাণে কিছু করাতো দূরে থাক এমন অশিক্ষিত ব্যক্তির জীবনও হয়ে পরে পরনির্ভর। এ কারণেই সুখ, সম্মান আর গৌরবের হয়ে উঠেনি আমাদের জাতি হিসাবে বাঁচাটাও। মহান আল্লাহর পনেরো কোটি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তথা আশরাফুল মাখলুকাতের বাস এদেশটিতে।
Read more...
 
স্বাধীনতায় এত সংকট কেন?
বাংলাদেশ
Wednesday, 05 August 2009 22:52
আলাদা মানচিত্র বা ভিন্ন পতাকাই কি স্বাধীনতার সবটুকু? এমন মানচিত্র ও পতাকা ভূটানের মত বিশ্বের বহু দেশেরই রয়েছে। একসময় সিকিমেরও ছিল। স্বাধীনতার অর্থ নিজের অধীনতা। অপরদিকে পরাধীনতায় অধীনতা অপরের। এবং সেটি শত্রুপক্ষের। স্বাধীন দেশকে পরাধীন করার অমানবিকতা ইতিহাসে প্রচুর। সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়রা এমনকি দেড় শত বছর আগেও আফ্রিকার মানুষদের গলায় রশি বেঁধে গরুছাগলের ন্যায় জাহাজে তুলেছে, পরিবার-পরিজন থেকে আলাদা করেছে এবং আটলান্টিকের ওপারে নিয়ে নিলামে তুলেছে। কেউ মনিব এবং কেউ ক্রীতদাস এ বিভাজন শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বটা অধিকৃত পরাধীন দেশ এবং আধিপত্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী দেশ - এ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। মনিবের কাছে যা অধিকার পরাধীন গোলামের জন্য তা বিদ্রোহ বা ঔদ্ধত্য গন্য হতে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিগত শতাব্দিতে নিছক মানবিক অধিকার চাওয়ার অপরাধে হাজার হাজার কৃষ্নাঙ্গ কৃতদাসকে বিচারের নামে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
Read more...
 
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ
বাংলাদেশ
Saturday, 02 January 2010 08:10

অপরাধ বীভৎস ও বহুমুখি
বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ অনেক। সবচেয়ে বড় অপরাধঃ নিরেট মিথ্যাচার। সেটি অতি বিচিত্র ও বীভৎসভাবে। দ্বিতীয় অপরাধঃ মুসলমানদের বিপুল সম্পদহানী, প্রাণহানী, শক্তিহানী ও ইজ্জতহানী। বাংলাদেশকে তারা তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি বানিয়ে ছেড়েছে। তৃতীয় অপরাধঃ দুর্বৃত্তির সীমাহীন প্রসার। এবং চতুর্থ অপরাধঃ স্বাধীনতার মুখোশ পড়িয়ে দেশটিকে একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করেছে ভারতের। বিশ্বের প্রায় দুই শত দেশকে পর পর ৫ বার হারিয়ে বাংলাদেশ যে দুর্বৃত্তিতে শিরোপা পেল সেটিও এই সেকুলারিষ্টদের একক অবদান। দূর্নীতিকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে ব্যবহার করেছে দেশের রাজনীতি, পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থাকে। আগামী হাজারো বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ আর কোন গৌরব নিয়ে না হোক অন্ততঃ এ অর্জন নিয়ে বিশ্ববাসীর স্মৃতিতে প্রবলভাবে বেঁচে থাকবে। আজ পার পেলেও এ অপরাধ নিয়ে শত বছর পরও বাংলাদেশের মাটিতে অবশ্যই বিচার বসবে। আগামী দিনের প্রজন্ম অবশ্যই প্রশ্ন তুলবে, “আমাদের পূর্বপুরুষগণ কি এতটাই অযোগ্য ও অপদার্থ ছিল যে এমন দুর্বৃত্তদেরও মাথায় তুলেছিল?”

Read more...
 
একাত্তরে নারীধর্ষণ ও সত্যধর্ষণ
বাংলাদেশ
Saturday, 21 November 2009 23:35

মিথ্যাচার ও দুর্বৃত্তিতে শিরোপা-লাভ
হত্যা, ধর্ষণ বা চুরি-ডাকাতিই শুধু অপরাধ নয়, বরং বড় অপরাধ হলো মিথ্যা বলা ও তার প্রচার। খাদ্য দুষিত হলে তাতে স্বাস্থ্যহানী ঘটে, আচরণে বা জ্ঞানচর্চায় মিথ্যাচর্চা হলে তাতে আসে নৈতিক পচন। মহানবী (সাঃ) মিথ্যাচর্চাকে একারণেই সকল পাপের মা বলেছেন। কারণ,সকল পাপের জন্ম তো এ মিথ্যাচর্চা থেকেই। খুনি, ধর্ষণকারি, ঘুষখোর, চোর-ডাকাত ও ধোকাবাজ রাজনীতিবিদ -সবাইকে পদে পদে মিথ্যা বলতে হয়। খুন,ডাকাতি বা ধর্ষণের লক্ষ্যে বাড়ী থেকে বেরুনোর পরই যদি কোন দুর্বৃত্তকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে সে কোথায় যাচ্ছে, এবং উত্তরে যদি সত্য কথা বলে তবে কি সে খুন,ডাকাতি ও ধর্ষণ করতে পারে? পদে পদে মিথ্যার সিঁড়ি বেয়েই প্রতিটি অপরাধীকে অপরাধের নানা পথে ছুটতে হয়। মিথ্যা বলা বন্ধ হলে পাপাচারও বন্ধ হয়ে যায়। হত্যা বা ধর্ষণের কারণে একটি জাতির মুখে অপমানের কালিমা ততটা লাগে না যতটা লাগে মিথ্যাচর্চায় ভেসে যাওয়ায়। বাংলাদেশে নৈতিক পচন ও দুর্বৃত্তিতে দেশটির পাঁচবার শিরোপা পাওয়ার যে বিশ্বজোড়া পরিচিতি সেটি একাত্তরে গণহত্যা ও নারীর ধর্ষণের কারণে জুটেনি। বরং সেটি সত্যহত্যা বা সত্যধর্ষণের কারণে।

Read more...
 
ইসলামের বিজয়ের এত সম্ভাবনা কেন?
ইসলাম
Sunday, 23 August 2009 00:00
বিগত বিংশ শতাব্দির শেষ বছরগুলিতে মুসলিম বিশ্বে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে যা বিগত বহু শতাব্দিতেও ঘটেনি। যেমন ইরানে ইসলামী ইনকিলাব, আফগানিস্তানে তালেবান বিজয়, সূদানে ইসলামী দলের ক্ষমতা লাভ, ফিলিস্তিনে ইন্তিফাদাহ, কাশ্মির-সোমালিয়া-আলজেরিয়ায় নিরলস জিহাদ এবং তুরস্কে ইসলামপন্থিদের ক্ষমতালাভ। এবং সে সাথে আরো গুরুত্বপূর্ণ হল দ্রুত গতিতে বেড়েছে ইসলামী জ্ঞানের প্রসার। ইসলামের উপর যত বই বিগত ৫০ বছরে লেখা ও ছাপা হয়েছে তা সম্ভবতঃ বিগত ৫০০ বছরেও হয়নি। শুধু আরবী-ফার্সী-উর্দু-বাংলার ন্যায় মুসলমানের ভাষায় নয়, ইংরাজী-ফরাসী-স্পেনিশ-হিন্দি ভাষার ন্যায় অন্যান্য ভাষাতেও। ফলে দ্রুত গতিতে বাড়ছে ইসলামের প্রচার। এর ফলে ইসলামের বিজয় ও বিশ্বশক্তি রূপে মুসলমানদের উত্থানে যারা বিশ্বাসী তাদের মধ্যে শুরু হয় নতুন আশাবাদ। অনেকেরই বিশ্বাস, ইসলামের উত্থান আজ আর দূঃস্বপ্ন নয়, বরং এক অপ্রতিরোধ্য বাস্তবতা।
Read more...
 
স্বাধীনতার শত্রুপক্ষ ও ভারতীয় স্ট্রাটেজী
বাংলাদেশ
Tuesday, 28 July 2009 22:39
দেহে প্রাণ থাকলে যেমন রোগভোগের সম্ভাবনা থাকে, তেমনি কোন দেশের স্বাধীন মানচিত্র থাকলে শত্রুপক্ষও থাকে। তাই তেমন শত্রুপক্ষ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশেরও আছে। তবে কারা সে শত্রুপক্ষ সেটি বুঝতে হলে বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট এবং সে সাথে ভারতের স্ট্রাটেজী বা রাজনীতিকে বুঝতে হবে। বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট অন্যান্য মুসলিম দেশগুলি থেকে ভিন্ন। মায়ানমারের সাথে সামান্য কয়েক মাইলের সীমান্ত ছাড়া তিন দিকেই ভারত। পার্শ্বে বা নিকটে কোন মুসলিম দেশ নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনভিজ্ঞ কোন অমুসলিমের কাছে দেশটির ভূগোল নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব এদের অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। বিষয়টিকে ইচ্ছা করেই আরো বিভ্রান্তিকর করা হচ্ছে ভারতে। ভারতের বিশাল ভূগোলের মাঝে ক্ষুদ্র বাংলাদেশের অবস্থান সেদেশের স্কুল-ছাত্রদের কাছে উপস্থাপিত হয় এক বিরক্তিকর ও প্রশ্নবহ বিষয় রূপে।
Read more...
 
«StartPrev123456NextEnd»

Page 1 of 6
Banner