|
Saturday, 20 December 2008 20:45 |
|
লন্ডনের দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকায় ১৪ই ডিসেম্বর ২০০৮ সংখ্যায় অরুন্ধতি রায় মুম্বাই হামলার প্রেক্ষাপটে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। তাঁর কথা, ভারত এখন দুই রাস্তার মোহনায় দাঁড়িয়ে- একটি সুবিচারের এবং অপরটি গৃহযুদ্ধের। সামনে তৃতীয় পথ নেই। তবে ভারত সরকার যে পথটি অনুসরণ করছে সেটি অবিচারের। এমন অবিচার যেটি বৃদ্ধি করে সেটি সম্পৃতি নয়, বরং সংঘাত। ভারত সরকার জেনে বুঝে যেন সে পথই অনুসরণই করছে। অবিচার এতটাই আকাশচুম্বি যে সে অবিচার থেকে বাঁচতে লাখ লাখ মানুষ দেশটিতে আত্মহত্যা করে। ২০০৭ সালের মাত্র এক বছরে আত্মহত্যা করেছে এক লাখ ৮ হাজার দরিদ্র কৃষক। একটি দেশের মানুষ যেখানে অবিচার থেকে বাঁচতে আত্মহত্যা করে, সে দেশ নিজেও কি বাঁচতে পারে? এতকাল এ অবিচারকে সহনীয় করতে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আগের জন্মে খারাপ কাজ করায় ভগবান তাদেরকে দুর্দশাগ্রস্ত রূপে জন্ম দিয়েছেন।
|
|
Read more...
|
|
Saturday, 08 November 2008 00:00 |
|
মার্কিন নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বারাক হোসেন ওবামা। তাঁর বিজয়ে আনন্দ-উৎসব হয়েছে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বহুদেশে। কোন এক ব্যক্তির নির্বাচনী বিজয়ে দেশ, বর্ণ, ভাষা ও ধর্মের গন্ডি ডিঙ্গিয়ে এভাবে আনন্দ প্রকাশের ঘটনা বিরল। নির্বাচন-পুর্বে মিশরে এক জরিপ চালিয়েছিল “দি ইকোনমিষ্ট”। সে জরিপে প্রকাশ পায়, ভোট দেওয়ার অধিকার থাকলে শতকরা ৯১ ভাগ মিশরীয়ই ভোট দিত বারাক ওবামাকে। ব্রাজিলের নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী নাম পরিবর্তন করে ভোট চেয়েছে ওবামা নামে। অনেকের ধারণা, ওবামার বিজয়ে মার্কিন রাজনীতিতে শুরু হবে নতুন যুগ। তাদের কথা, ওবামা হলেন একাবিংশ শতাব্দীর নেতা। তাদের যুক্তি, তাঁর পিতা আফ্রিকার মুসলিম পরিবারের। মা একজন শ্বেতাঙ্গ মার্কিন। তাঁর শৈশব কেটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। লেখাপড়া করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
|
|
Read more...
|
|
Monday, 25 August 2008 00:00 |
|
ভারতের অহংকার, এ বিশ্বে তারাই সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু একথা বলে না, তারাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমপ্রসারণবাদী ও দখলদার দেশ। তার নমুনা কাশ্মির। দুনিয়ার আর কোথাও মাথাপিছু হারে এত অধিক সংখ্যক দখলদার সৈন্য নেই যা রয়েছে কাশ্মিরে। ইরাকের জনসংখ্যা ২ কোটি ৭৫ লাখ (জুলাই, ২০০৭য়ের হিসাব মোতাবেক) এবং আয়তন ১৬৯,২৩৫ বর্গমাইল। ইরাকে দখলদার মার্কিন ও তার মিত্রবাহিনীর সৈন্য সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। আফগানিস্তানের জনসংখ্যা তিন কোটি বিশ লাখ (জুলাই, ২০০৭য়ের হিসাব মোতাবেক) এবং আয়তন ২৫১, ৮৮৯ বর্গমাইল। এবং সেখানে দখলদার ন্যাটো বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ৭০ হাজার। কাশ্মীরের জনসংখ্যা মাত্র এক কোটি এবং আয়তন ৮৫, ৮৬৬ বর্গমাইল। অধিকৃত সে কাশ্মিরে ভারতীয় দখলদার বাহিনীর সেনা সংখ্যা ৫ লাখ।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Thursday, 04 January 2007 00:00 |
|
বিচারের নামে বন্দীহত্যাকে উৎসবে পরিণত করার ন্যায় ঘটনা ইতিহাস কম হয়নি। মোঙ্গল নেতা হালাকু খাঁর হাতে যখন বাগদাদের পতন হয় তখনও বন্দীদের বিচারের নামে প্রচুর আদালত বসেছিল। হত্যার আগে একজন কাজীকে দিয়ে বিচারের রায়ও শুনানো হত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন আদলত অহরহ বসতো পালিযে যাওয়ার চেষ্টা করেছে বা ছিচকে চুরী করেছে এ অপরাধে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসদের বিচারে। বিচার শেষে তাদেরকে উৎসব ভরে হত্যা করা হত। ইতিহাসে এগুলোকে বলা হয় লিঞ্চ কোর্ট বা বিচারহীন মেঠো আদালত। অপরদিকে এমন বিচারের আয়োজকগণ এগুলোকে বলেছে গণআদালত ও ন্যায্য বিচার। এমন আদালতে যেটি কাজ করে সেটি হলো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমাহীন ঘৃণা ও প্রতিশোধ পরায়নতা।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Friday, 16 June 2006 00:00 |
|
আত্মঘাতি এক গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে ফিলিস্তিনে। এমন একটি গৃহযুদ্ধ যে শুরু হবে সেটি ৪ মাস আগে অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচনে হামাসের বিজয়ের পর থেকেই অনুমান করা হচ্ছিল। নির্বাচনটি যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ছিল সে রায় এসেছে আন্তর্জাতিক পরিদর্শদের পক্ষ থেকে যার প্রধান ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমি কার্টার। সমগ্র আরব বিশ্বে এমন নির্বাচন পূর্বে হয়নি। এমনকি তৃতীয় বিশ্বের ইতিহাসেও এটি অনন্য। কিন্তু সে নির্বাচনের রায় ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় রাষ্ট্রবর্গ মেনে নেয়নি। এটি ছিল একটি জনগোষ্ঠীর গণরায়ের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ অবমাননা।
|
|
Read more...
|
|
|
Sunday, 30 November 2008 17:43 |
|
মুম্বাইয়ে বন্দুকধারিদের সাথে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর লড়াই শেষ হয়েছে। তবে এ খন্ড লড়াইটি শেষ হলেও যে যুদ্ধটি শুরু হল তা কি শেষ হবে? মুষ্টিমেয় কয়েকজন বন্দুকধারি যা ঘটিয়ে গেল তা যেমন অভিনব তেমনি বিস্ময়কর। তারা প্রসিদ্ধ তাজমহল ও ওবেরয় হোটেল, শিবাজী রেলস্টেশন, ইহুদী সেন্টারসহ ৭টিরও বেশী স্থান দখলে নিয়েছিল। বলা হচ্ছে, সংখ্যায় তারা ছিল মাত্র ১৪ জন। তবে সঠিক তথ্য এখনও আসেনি। হামলাকারিদের মধ্যে মাত্র একজনকে তারা জীবিত ধরতে পেরেছে। বলা হচ্ছে সে নাকি পাকিস্তানী। বিশাল সামরিক বাহিনী, বহু আণবিক বোমা বা চাঁদে রকেট পাঠানোর সামর্থ থাকলে কি হবে, সামান্য কয়েকজন বন্দুকধারির অধিকার থেকে হোটেল দুটিকে মুক্ত করতে ভারতের তিন দিন লেগে যায়।
|
|
Read more...
|
|
Tuesday, 14 October 2008 11:30 |
|
পাকিস্তান অতি দ্রুত একটি সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলেছে।শুধু তাই নয়,রক্তক্ষয়ী সংঘাত ইতিমধ্যে শুরুও হয়ে গিয়েছে।এতদিন সে সংঘাত সীমাবদ্ধ ছিল ফেডারেল শাসিত উপজাতীয় এলাকায়, এখন সেটি রাজধানী ইসলামাবাদেও প্রবেশ কদিন আগে ইসলামাবাদের ৫তারা ম্যারিয়ট হোটেলটি যেভাবে বিধ্বস্ত হল, সেটি এ সংঘাত যে কতটা তীব্র আকার ধারণ করেছে তা বুঝাবার জন্য যথেষ্ট।প্রচন্ড সংঘাত চলছে সোয়াত ও বাজোওরের উপজাতীয় এলাকায়।পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সাথে হামলায় যোগ দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।পাকিস্তানী সেনাবাহিনী দাবী করেছে,গত এক মাসের যুদ্ধে এক হাজারেরও বেশী পাকিস্তানী তালেবানকে তারা হত্যা করেছে।অপরদিকে মার্কিন বিমান খুঁজে খুঁজে পাকিস্তানী তালেবান নেতাদের গৃহে মিজাইল মারছে।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Saturday, 23 August 2008 00:00 |
|
বিগত একশত বছরের মানব ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি হলো বিশ্বের দুটি বিশ্বশক্তির মাঝে একটির পরাজয় এবং বিলুপ্তি। বিংশ শতাব্দির ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় রেকর্ড। এবং সে ইতিহাস নির্মিত হয়েছিল আফগানগানদের হাতে। বিলুপ্ত সে বিশ্বশক্তিটি হলো সোভিয়েত রাশিয়া। আফগান মোজাহিদগণ দীর্ঘ ১০ বছরের যুদ্ধে সোভিয়েত রাশিয়ার এতটাই অর্থনৈতিক রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছিল যে দেশটির পক্ষে তার বিশাল দেহ নিয়ে টিকে থাকাই সম্ভব হয়নি। সেদিন জিতেছিল আফগান মোজাহিদরা। সেটিও অন্য কোন দেশের সাথে কোয়লিশন করে নয়। সে বিজয়ের ফলে ডজন খানেক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। অথচ সোভিয়েত রাশিয়া চীনের মত জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশটিকে আদর্শিক দখলে নিয়েছিল।
|
|
Read more...
|
|
Friday, 14 July 2006 00:00 |
|
ফিলিস্তিনী জনগণের বিরুদ্ধে আজ আর শুধু উচ্ছেদ, হত্যা ও জেলজুলুম নয়, বরং চলছে সর্বাত্মক এক অর্থনৈতিক অবরোধ। এ অবরোধ শুধু ইসরাইল ও তার মিত্র ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলির পক্ষ থেকে নয়, সে অবরোধে শামিল হয়েছে প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও। এটি শুরু হয়েছে বিগত সংসদ নির্বাচনে ইসলামি জিহাদ সংগঠন হামাস বিজয়ী হওয়ার পর। একটি দেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা বলতে যা বুঝায় ফিলিস্তিনীদের তা নাই। স্বাধীন ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা দূরে থাক, ইচ্ছামত হাঁটাচলার অধিকারও তাদের নেই। দেশটি সর্বতো ভাবেই ইসরাইল কর্তৃক অধিকৃত। জেলের প্রাচীরের চেয়েও উঁচু করে বিশাল প্রাচীর দেওয়া হয়েছে দেশটির মাঠ-ঘাট, শহর-গ্রাম ঘিরে। প্রাচীরের কারণে ঘর থেকে নিজ ক্ষেতেও তারা সহজে যেতে পারে না। যেতে হয় বহু পথ ঘুরে ইসরাইলী চেকপোষ্ট পাড়ি দিয়ে।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Sunday, 02 January 2005 00:00 |
|
বিগত রামদ্বানে সারা বিশ্বের মুসলমানেরা যখন রোযা পালনে ব্যস্ত, ফালুজার উপর বর্ষিত হচ্ছিল হাজার হাজার টন বোমা। নিক্ষিপ্ত হচ্ছিল শত শত মিজাইল। শহরটির ধ্বংসকাজে দিবারাত্র ব্যবহৃত হচ্ছিল যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার এবং দূরপাল্লার কামান। বিধ্বস্ত হচ্ছিল হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, দোকানপাট ও আবাসিক ঘরবাড়ী। মৃত লাশগুলো দিনের পর দিন পচছিল খোলা আকাশের নীচে বা বদ্ধ ঘরে। আহতদের চিকিৎসায় অথবা মৃতদের দাফনে শহরে কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।
|
|
Read more...
|
|
|
Sunday, 16 November 2008 20:54 |
|
মৃত্যু ঘটেছে সমাজবাদী বিশ্বশক্তি সোভিয়েত রাশিয়ার। সেটি গত শতাব্দীর শেষ দিকে। এবার মৃত্যুশয্যায় যুদ্ধাহত পুঁজিবাদ এবং সে মতবাদের প্রধানতম শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পুঁজিবাদ ও সমাজবাদ-উভয় মতবাদই প্রসব করেছিল সেকুলারিজম। মানব জাতির যত অকল্যাণ এ দুটি মতবাদের হাতে হয়েছে তা আর কোন ধর্ম,দর্শন বা মতবাদের হাতে হয়নি। দুটি মতবাদের জন্মে অভিন্ন উপাদান ছিল নিরেট ইহলৌকিকতা ও বস্তুবাদ। পুঁজিবাদের সাথে সমাজবাদের মূল বিবাদ রাজনীতির নিয়ন্ত্রন ও পুঁজির বন্টন নিয়ে, মানব বা সৃষ্টিকূলের সৃষ্টি-রহস্য নিয়ে নয়। বিবাদ নয় আখেরাতের অস্বীকার নিয়েও। উভয় মতবাদের অনুসরারিরাই দীক্ষা নিয়েছে ডারউনের বিবর্তনবাদ থেকে। সে বিবর্তনের ধারায় পশু-পাখী,মশা-মাছি ও বানর-শিম্পান্জীর ন্যায় মানুষও তাদের কাছে আরেক জন্তু মনে হয়। ফলে তাদের চেতনা-রাজ্যে গড়ে উঠেনি নিজেদের নিয়ে উচ্চতর মানবিক ভাবনা।
|
|
Read more...
|
|
Tuesday, 02 September 2008 00:00 |
|
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপদ যেন আর কাটছেই না। আফগানিস্তান ও ইরাকে যে চোরাবালিতে ফেঁসে গেছে সেখান থেকেই বেরুনোর রাস্তা পাচ্ছে না, এর উপর নতুন করে সংকট বেড়েছে জর্জিয়ায়। আফগানিস্তান ও ইরাকের হাতে আণবিক অস্ত্র ছিল না, উন্নত মানের প্রচলিত অস্ত্রও ছিল না তারপরও দেশ দুটির উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ বিজয় এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যুদ্ধ শুরুর ৭ বছর পর এখনও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে আফগানিস্তানে। ইরাক এখনও অশান্ত। মার্কিনীদের এবারের নতুন সংঘাত বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ভূগোলের দেশ রাশিয়ার সাথে। এবং সেটি জর্জিয়াকে কেন্দ্র করে। দেশটির অবস্থান রাশিয়ার দক্ষিণ সীমান্তে কৃষ্ণ সাগরের তীরে। জর্জিয়ার দক্ষিণে তুরস্ক এবং আর্মেনিয়া।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Saturday, 05 May 2007 00:00 |
|
পুঁজিবাদ যেমন তার বিশ্বব্যাপী দাপট ও শোষণ প্রক্রিয়া চালু রাখতে বহুজাতিক কোম্পানীর রূপ ধরেছে তেমন অভিন্ন কৌশল সাম্রাজ্যবাদেরও। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদ এখন পূজিবাদী বিশ্বের বহুজাতিক প্রজেক্ট। সে বহুজাতিক সাম্রাজ্যবাদেরই প্রকান্ড চর্চা চলছে ইরাক ও আফগানিস্তানে। ইরাক ও আফগানিস্তান দখলের চেষ্টা এই প্রথম নয়, অতীতেও হয়েছে। হামলা করেছিল এক সময়ের প্রধান সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ব্রিটেন। আফগানিস্তানে দুই দুই বার হামলা করে ভয়ানক ভাবে পরাস্ত হয়েছিল। হামলা করেছিল প্রকান্ড সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সোভিয়েত রাশিয়াও। আফগানিস্তানে প্রায় দশ বছর চেষ্টা করেও রাশিয়া ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতার ভারে সোভিয়েত রাশিয়া নিজেই খান খান হয়ে গেছে। প্রায় নব্বই বছর আগে ব্রিটিশ বাহিনী ইরাক দখল করেছিল। কিন্তু ধরে রাখার সামর্থ ছিল না বলে হটে আসতে বাধ্য হয়েছিল।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Saturday, 01 July 2006 00:00 |
|
যে বর্বরতা নিয়ে মার্কিন বাহিনী ধ্বংযজ্ঞে লিপ্ত ইরাকে, তেমনি এক ধংসযজ্ঞে ইসরাইল নেমেছে ফিলিস্তিনে। মার্কিন বাহিনীর বর্বরতার প্রতীক রূপে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে আবুগারিব ও গোয়ান্তানামো বে, ইসরাইলের হাতে সমগ্র ফিলিস্তিনই আজ আবুগারিব বা গোয়ান্তানামো বে। জেলখানার কয়েদীরা এক কামরা থেকে অন্য কামরায় যেতে পারে না, দেয়াল দিয়ে তাদের পৃথক রাখা হয়। ফলে কেউ কারো সাহায্যে এগুতে পারে না। কংক্রিটের উঁচু দেয়াল দিয়ে তেমনি পৃথক রাখা হয়েছে ফিলিস্তিনের গ্রাম ও শহরগুলোকে। এর ফলে খাদ্য-পানীয় বা চিকিৎসার অভাবে কোন গ্রাম বা শহরবাসী মারা গেলেও অন্য শহর বা গ্রামের ফিলিস্তিনীদের কিছু করার সামর্থ নেই। একটি দেশজুড়ে জেলখানা নির্মাণের এমন ধারণা হিটলারের মাথায়ও আসেনি। আসেনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদীদের মাথায়ও। মানব ইতিহাসে এটি শুধু নির্মমই নয়, অভিনবও। তবে ফিলিস্তিনীদের অবস্থা জেলখানার কয়েদীদের চেয়েও খারাপ।
|
|
Read more...
|
|
আন্তর্জাতিক
|
|
Sunday, 21 November 2004 00:00 |
|
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার নামে ইরাকে ১ লাখেরও বেশী মানুষকে হত্যা করা হলো। বহু লক্ষ মানুষকে সারাজীবনের জন্য পঙ্গু করা হলো। ধ্বংস করা হলো অসংখ্য ঘরবাড়ি, শিল্পকরখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। বিগত ২ বছর যাবত লাগাতর ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর আজও সেটি শেষ হলো না। কখনও বাগদাদ, কখনও নাজাফ, কখনও কারবালা, কখনও রামাদি এভাবে দেশজুড়ে দিবারাত্র চলছে ইরাক ধ্বংসের কাজ। সেটিই এখন অতি বর্বর ও বীভৎস রূপে চলছে ফালুজায়। সাড়ে তিন লাখ মানুষের এই জেলা শহরটি দখলে নেমেছে ১৮ হাজার সৈন্য।
|
|
Read more...
|
|