|
ইসলাম
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Sunday, 04 July 2010 18:57 |
|
সুরক্ষিত দুর্গ ও সে দুর্গের লড়াকু সৈনিক ছাড়া কোন ধর্মের বা আদর্শের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা বাড়ে না। এগুলি ছাড়া সার্বভৌমত্বও সুরক্ষা পায় না। তাই প্রতি শাসক রাজ্য-শাসনে শুধু প্রাসাদ গড়ে না, সুরক্ষিত দুর্গ, থানা,কোট-কাছারি,কারাগার, অস্ত্রাগার,বিদ্যালয়, সচিবালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানও গড়ে। এগুলি হল রাজ্যশাসনের অবকাঠামো। সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় অতি অপরিহার্য হল এগুলি। এ প্রতিষ্ঠানগুলি হাতছাড়া হলে শাসন-কাজ চলে না। এ বিশ্বে মানব সৃষ্টির পিছনেও মহান আল্লাহতায়ালার একটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শুধু এ বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টাই নন, শাসকও। তিনি শুধু সর্বশক্তিমান প্রভুই নন,সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রনেতাও। তাঁর সে প্রনীত আইনই ইসলামে শরিয়তরূপে পরিচিত। তিনি চান,সমগ্র বিশ্বজুড়ে সে আইনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা। যেমন তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মহম্মদ (সাঃ) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে অন্য কোন বিধান, ধর্ম, মতবাদ বা দর্শন প্রতিষ্ঠা পাক সেটি মহান আল্লাহর কাম্য নয়। তাছাড়া তাতে মানবের কল্যাণও নেই।
|
|
Read more...
|
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Sunday, 25 July 2010 18:47 |
|
দেশে দেশে ইসলাম যেমন প্রবল ভাবে বিজয়ী হতে পারে, তেমনি পরাজিত, অবহেলিত বা বিপন্নও হতে পারে। আল্লাহর দ্বীনের সবচেয়ে বড় বিজয় এসেছিল মহান নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ) এর হাতে। সমগ্র ইতিহাসে সেটিই হল মানবের সবচেয়ে গৌরবময় কীর্তি। অপর দিকে মানব জাতির পথভ্রষ্টতা, পাপাচার ও আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইতিহাসও বড্ড দীর্ঘ। পথভ্রষ্ট মানুষেরা ইসলামকে বিপন্ন বা আল্লাহর দ্বীনের চর্চা অসম্ভব করেছে খোদ আল্লাহর ঘর -ক্বাবার অভ্যন্তরেও। সেখানে মুর্তি বসিয়ে সেগুলির পুঁজা করেছে। আল্লাহর ঘর এভাবে ব্যবহৃত হয়েছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিচর্যা বাড়াতে। আল্লাহর ঘর ও আল্লাহর জমিন শয়তানী শক্তির হাতে অধিকৃত হলে ইসলাম যে কতটা বিপন্ন হয় এবং ইসলামের বিজয় যে কতটা অসম্ভব হয় -এ হল তার নজীর।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Saturday, 11 July 2009 00:14 |
|
ডি-ইসলামাইজেশনের অর্থ, ইসলাম থেকে মুসলমানদের দূরে সরানো। সেটি হয় দুই ভাবে| এক, অন্যধর্মে দীক্ষা বা ধর্মান্তরের মাধ্যমে। দুই, ইসলামের মুল লক্ষ্যে অনাগ্রহ বা দায়িত্বপালনে নিষ্ক্রীয় করে। বাংলাদেশে এবং সে সাথে সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের ভয়ানক ক্ষতিটি হয়েছে শেষোক্ত পথে। বিগত হাজার বছরে খুব কম সংখ্যক মুসলমানই খৃষ্টান, বৌদ্ধ, পৌত্তলিক বা কাফের হয়েছে। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত অনুসরণে প্রচন্ড নিষ্ক্রীয় হয়ে গেছে অধিকাংশ মুসলমান। ফলে বিগত কয়েক শত বছরে মুসলমানদের সংখ্যা বহুগুণ বাড়লেও শক্তি বাড়েনি। বরং উপর্যুপরি পরাজয় ও বিপর্যয় বেড়েছে। আইন-আদালত থেকে নির্বাসিত হয়েছে আল্লাহর আইন। প্রকৃত অবস্থা হল, নবীজী ও তাঁর সাহাবায়ে কেরাম যে ইসলাম অনুসরণ করতেন সে ইসলামই বেশী অপরিচিত বা বিদেশী হয়ে গেছে খোদ মুসলিম ভূমিতে। সনাতন ইসলামের বদলে বরং মুসলিম সমাজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে সূদ, ঘুষ, মদ্যপান, পতিতাবৃত্তি, নাচগান, বেপর্দা, কবরপুজা ইত্যাদির ন্যায় কুফুরি ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির উপাদানগুলো।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Sunday, 05 April 2009 10:37 |
|
মুসলমান হওয়ার জন্য কারো উপরই কোন বাধ্যবাধকতা নেই। “লা ইকরাহা ফিদ্দীন” কোরআনের এই বহুল প্রচারিত আয়াতের অর্থ হলঃ দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নবীজী (সাঃ)র আমলেও আরবের হাজার হাজার মানুষ অমুসলমান থেকেছে। মিশর, লেবানন, ইরাকসহ আরব দেশগুলির লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও যে অমুসললিম, –তারা তো তাদেরই বংশধর। কোন মুসলিম সেনাবাহিনী কোন কালেই তাদেরকে মুসলিম হতে বাধ্য করেনি। কিন্তু যারা জেনে বুঝে মুসলিম হয় তাদের মাথার উপর অলংঘনীয় দায়িত্বও এসে যায়। অনেকটা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার মত। সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। কিন্তু যোগ দিলে সেনাবাহিনীর বাইরের লোকদের থেকে তার দায়িত্বটা ভিন্নতর হয়। তখন প্রাণ হাতে রণাঙ্গণে যাওয়াটি তার মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে এসে যায়। যুদ্ধে না গেলে বা নির্দেশ পালনে অবাধ্যতা দেখালে তার কোর্টমার্শাল হয়। বিচারে কঠোর শাস্তি হয়, এমনকি প্রাণদন্ডও হয়। প্রশ্ন হলো, মুসলমান হওয়ার পর সে বাধ্যবাধকতাটি কি?
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Thursday, 25 December 2008 20:32 |
সমাজবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ থাকাই মানুষের ফিতরাত বা স্বভাব। শত্রুর হামলার মুখে ঐক্য বা সমাজবদ্ধতা মানুষের জীবনে শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়, অপরিহার্যও। তাই সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ শুধু খাদ্যই খোঁজেনি বা ঘরই গড়েনি, একতার বন্ধনও গড়েছে। পরিবার, সমাজ, সমিতি ও রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে তো সে প্রয়োজন পুরনের অপরিহার্যতায়। ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে নানা বিষয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু একতা বা সংগঠিত হওয়ার গুরুত্ব নিয়ে নানা ধর্ম ও নানা মতবাদের মানুষের মাঝে বিতর্ক নেই। ইসলাম তো একতাবদ্ধ হওয়াকে অপরিহার্য ইবাদত বলে, বিভক্তির প্রতিটি উদ্যোগ বা প্রয়াসকে বলে হারাম। কোন কোন ক্ষেত্রে মুসলমানদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করা তো হত্যা যোগ্য অপরাধ। এ ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে নবীজী (সাঃ) থেকে। বলা হযেছে, “এ ইসলামি উম্মাহর সুদৃঢ় সূত্রকে যে ব্যক্তি ছিন্ন করতে চাইবে, তাকে তরবারী দ্বারা শায়েস্তা কর –সে ব্যক্তি যে কেউ হোক না কেন।” -সহিহ আল-মুসলিম।
|
|
Read more...
|
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Saturday, 19 December 2009 15:53 |
|
ভূমিকা মুসলমান হওয়ার অর্থই হলো ইসলামের পূর্ণ অনুসরণ। সেটি যেমন নামায-রোযার ন্যায় ধর্মীয় অনুশাসনে, তেমনি প্রতি কর্মে। তখন সে কর্মের গন্ডির মধ্যে এসে যায় রাষ্ট্র এবং সমাজও। তাই মুসলমান মাত্রই স্বপ্ন দেখে এবং সে সাথে আত্মনিয়োগ করে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লবের। যার মধ্যে সে স্বপ্ন এবং আত্মনিয়োগ নেই, বুঝতে হবে তার মধ্যে ইসলামও নেই। তাই সমস্যা এখানে ইসলামী রাষ্ট্রবিপ্লব নিয়ে স্বপ্ন দেখা নয়, বরং কীরূপে সেটি সম্ভব তা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে নানা দল ও নেতার নানা মত। বাংলাদেশের ন্যায় প্রতিটি মুসলিম দেশে এমন ভাবনা নিয়ে বহু দল বহু বছর ধরে কাজ করছে। কিন্তু তাদের পথ ও প্রক্রিয়া নিয়ে কী আজও কোন গবেষণা হয়েছে? তাদের ত্রুটিগুলো কী এবং সফলতাই বা কতটুকু-তা নিয়েও কী কোন চিন্তাভাবনা হয়েছে? এ নিয়ে বিতর্ক নেই যে, বাংলাদেশের ন্যায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলাম একটি পরাজিত জীবন বিধান। পরাজিত এ জন্য যে আল্লাহতায়ালার এ বিধানটি দেশের আইন-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে প্রতিষ্ঠা পায়নি। সেটি বেঁচে আছে নামায-রোযা, হজ-যাকাতের মত ধর্মীয় বিধানের সীমিত পরিসরে। রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো দখলে গেছে ইসলামের বিপক্ষ শক্তির হাতে।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Saturday, 25 April 2009 00:24 |
প্রবল বিদ্রোহ চলছে আজ সমগ্র মুসলিম বিশ্বজুড়ে। তবে এ বিদ্রোহ কোন দুর্বৃত্ত স্বৈরাচারি শাসকের বিরুদ্ধে নয়। বরং দুর্বৃত্ত স্বৈরাচারি শাসকগণ তো নির্বিঘ্নে বসে আছে জনগণের সমর্থন নিয়েই। তাদের বিরুদ্ধে যেমন প্রতিবাদ নেই, তেমনি আন্দোলনও নেই। মুসলিম দেশগুলিতে তেমন বিদ্রোহ নেই বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধেও। বরং বহু দেশের মুসলমানতো আগ্রাসী কাফেরদের নিজ দেশে হামলায় আহবানও করছে। অধিকৃত হওয়ার পর আগ্রাসী শত্রুকে অধিকার দিচ্ছে বিশাল বিশাল ঘাঁটি নির্মাণের। আফগানিস্তান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন, তাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান জুড়ে যে বিশাল বিশাল মার্কিন ঘাটি নির্মিত হয়েছে সেটি তো সেসব দেশের মুসলিম শাসকদের অনুমতি নিয়েই। অপরদিকে কাফেরদের অস্ত্র কাঁধে নিয়ে বহু মুসলিম দেশের বহু লক্ষ মুসলমান নেমেছে মুসলিম নিধনে। সেটি ১৯১৭ সালে আরব দেশে যেমন হয়েছিল, তেমনি ১৯৭১এ বাংলাদেশেও হয়েছে। এবং আজ হচ্ছে আফগানিস্তান, ইরাক, ফিলিস্তিন ও চেচনিয়ায়।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Sunday, 15 March 2009 16:18 |
রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ করার কথা বড্ড জোরে-শোরে বলেন বালাদেশের ন্যায় মুসলিম দেশের বহু সেকুলার রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবি। ভাবটা যেন, কোনটি ধর্মসম্মত আর কোনটি ধর্ম-বিরোধী এ বাছবিচারের দায়ভারটি তাদের। রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার শুধু নিন্দনীয়ই নয়, জঘন্য অপরাধও। বাংলাদেশের মত দেশে ধর্মের অপব্যবহার যে শুধু রাজনীতিতে হচ্ছে তা নয়, হচ্ছে আয়-উন্নতি বাড়ানোর লক্ষ্যেও। ধর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে সামাজিক মর্যাদা ও প্রতিপত্তি বাড়ানোর কাজেও। ধর্ম পালনে আন্তরিক না হয়েও এরা ধার্মিক সাজে, জনসম্মুখে ধর্ম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বড় কল্যাণকামী সাজে। মহান আল্লাহতায়ালার কাছে এমন ভন্ড ধার্মিকগণ বড়ই ঘৃনিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারেরা, তোমরা তা বল কেন যা করনা? আল্লাহর কাছে কঠিন অপছন্দের হল যে তোমরা এমন কথা বল যা তোমরা করনা” সুরা সাফ আয়াত ২। কোন ব্যক্তি বা সরকারের সামর্থ্য থাকলে ধর্মের সাথে এমন প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Saturday, 18 October 2008 02:48 |
|
রোযার লক্ষ্য কি শুধু এটুকু, মানুষ সকাল থেকে সন্ধা অবধি পানাহার বন্ধ রাখবে? তারাবিহ পড়বে এবং কোরআন তেলাওয়াত করবে? এবং রমযান শেষে মহা ধুমধামে ঈদ উদযাপন করবে? কত হাজার মাইল পথ চলল সেটিই কি পথিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ? তার সাফল্য যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ তো হল, সে তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে আদৌ পৌঁছল কিনা। রোযার মূল লক্ষ্য, তাকওয়া অর্জন। আল্লাহতায়ালা সে লক্ষ্যটি ব্যক্ত করেছেন এভাবেঃ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’’ (সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)। উপরোক্ত আয়াতে যেটি সুস্পষ্ট তা হল, তাকওয়াই রোযার মূল কথা। প্রশ্ন হল, তাকওয়া বলতে আমরা কি বুঝি?
|
|
Read more...
|
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Sunday, 23 August 2009 00:00 |
|
বিগত বিংশ শতাব্দির শেষ বছরগুলিতে মুসলিম বিশ্বে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে যা বিগত বহু শতাব্দিতেও ঘটেনি। যেমন ইরানে ইসলামী ইনকিলাব, আফগানিস্তানে তালেবান বিজয়, সূদানে ইসলামী দলের ক্ষমতা লাভ, ফিলিস্তিনে ইন্তিফাদাহ, কাশ্মির-সোমালিয়া-আলজেরিয়ায় নিরলস জিহাদ এবং তুরস্কে ইসলামপন্থিদের ক্ষমতালাভ। এবং সে সাথে আরো গুরুত্বপূর্ণ হল দ্রুত গতিতে বেড়েছে ইসলামী জ্ঞানের প্রসার। ইসলামের উপর যত বই বিগত ৫০ বছরে লেখা ও ছাপা হয়েছে তা সম্ভবতঃ বিগত ৫০০ বছরেও হয়নি। শুধু আরবী-ফার্সী-উর্দু-বাংলার ন্যায় মুসলমানের ভাষায় নয়, ইংরাজী-ফরাসী-স্পেনিশ-হিন্দি ভাষার ন্যায় অন্যান্য ভাষাতেও। ফলে দ্রুত গতিতে বাড়ছে ইসলামের প্রচার। এর ফলে ইসলামের বিজয় ও বিশ্বশক্তি রূপে মুসলমানদের উত্থানে যারা বিশ্বাসী তাদের মধ্যে শুরু হয় নতুন আশাবাদ। অনেকেরই বিশ্বাস, ইসলামের উত্থান আজ আর দূঃস্বপ্ন নয়, বরং এক অপ্রতিরোধ্য বাস্তবতা।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Tuesday, 14 April 2009 21:52 |
|
নামায-রোযা-হজ্জ-যাকাতের ন্যায় জিহাদের হুকুমটিও এসেছে মহান আল্লাহতায়ালা থেকে। আল-কোরআনে সে হুকুম ঘোষিত হয়েছে একবার নয়, বহু বার। নামায-রোযা গড়ে মহান আল্লাহর সাথে মজবুত বন্ধন। দেয় আত্মীক পরিশুদ্ধি। আর জিহাদ দেয় শত্রুর হামলার মুখে প্রতিরক্ষা। নিশ্চিত করে আল্লাহর ভূমিতে একমাত্র আল্লাহর আইনের প্রতিষ্ঠা। তাই যেখানে জিহাদ নেই, সেখানে মুসলমানদের প্রতিরক্ষা নেই এবং আল্লাহর আইনের প্রতিষ্ঠাও নেই। বরং এমন একটি জিহাদশূণ্য দেশে যেটি প্রবলভাবে বাড়ে সেটি হলো মহান আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। মুসলিম ভূমি তখন অধিকৃত হয় দেশী ও বিদেশী দুষমনদের হাতে। মুসলিম দেশগুলিতে শয়তানী শক্তির বিজয় ও উল্লাস বেড়েছে তো এভাবেই। আল্লাহর ভূমি এভাবেই দখলে গেছে আল্লাহর দুষমনদের হাতে। তাদের এ মহাবিজয়েরে ফলেই অধিকাংশ মুসলিম দেশে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে কাফেরদের আইন এবং আঁস্তাকুড়ে পড়েছে ইসলামের শরিয়তি বিধান।
|
|
Read more...
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
Friday, 13 February 2009 22:47 |
আমরা ইসলামে কতটা নিষ্ঠাবান তা অন্যরা না জানলেও নিজেদের অজানা নয়। ঈমান আকিদা যাই থাক তা নিয়েই আমাদের সর্ব সময়ের বসবাস। মিথ্যা বলি না সত্য বলি তা অন্যরা টের না পেলেও নিজেরা টের পাই। নিজ ঈমানের ফাঁকি-ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে নিজেরা ভালো বুঝি। ফলে আল্লাহর কাছে হিসাব দেওয়ার আগেই নিজেদের হিসাব নিজেরা নিতে পারি। তেমনি নবীজীর (সাঃ) ইসলামও আমাদের কাছে অজানা নয়। এটি বাইবেলের ন্যায় নানা মুনির নানা সংকলন নয়, মহাভারতের ন্যায় পৌরাণিক কল্প-কাহিণীও নয়। ইসলাম যা শেখাতে চায় তা আজও অতি নির্ভূলভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে পবিত্র কোরআনে। কোরআন নাযিলকালে আরবভূমিতে নিভূর্ল লিপিবদ্ধকরণের প্রযুক্তিও গড়ে উঠেছিল। ফলে এটি শুধু অসংখ্য হাফেজের স্মৃতি নির্ভরই নয়, নির্ভূল পুস্তকনির্ভরও। তাছাড়া যিনি এর রচয়িতা সেই মহান আল্লাহপাক নিজেই এর মোহাফেজ। এছাড়া হাদিস গ্রন্থে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে নবীজী (সাঃ)-এর কর্মময় জীবনের অতি খুঁটিনাটি বিষয়ও। অতএব নবীজীর (সাঃ) ইসলামের সাথে আমাদের তুলনাটা সহজ।
|
|
Read more...
|
|
ইসলাম
|
|
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল
|
|
অতীতের ন্যায় আজও মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো কোরআন; তেল, গ্যাস, কৃষি, খনিজ বা জনসম্পদ নয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিজের কথা যদি বিশ্ব-ভূবনের কোথাও অবিকল অবিকৃত অবস্থায় দৃশ্যমান হয়ে থাকে তবে তা হলো কোরআন। নিছক কোরআন নাযিলের কারণেই আল্লাহ মাহে রামাদ্বানের ন্যায় একটি মাসকে এবং লায়লাতুল ক্বদরের ন্যায় একটি রাতকে মহা সম্মানিত করেছেন। হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠতর বলেছেন লায়তুল ক্বদরকে। অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম শ্রেষ্ঠতর এই কোরআনের কারণে। এ দানের বদৌলতেই অন্য সকল জাতি থেকে মুসলমানগণ শ্রেষ্ঠতর জাতি রূপে বেড়ে উঠতে পেরেছিল। পরিণত হয়েছিল বিশ্বশক্তিতে। আজও সেটি হতে পারতো। কিন্তু তা হয়নি।
|
|
Read more...
|
|
|
|
|
|
|
Page 1 of 2 |
|