Bookmark and Share
Home স্যেকুলারিজম যে মহাবিপদ সেকুলারিজমে

eBook Collection

সর্বাধিক পঠিত

যে মহাবিপদ সেকুলারিজমে Print E-mail

বাংলাদেশসহ প্রতিটি মুসলিম দেশে মুসলমানদের বড় বিপদ এ নয় যে মানুষ দলে দলে হিন্দু, খৃষ্টান বা বৌদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। বরং বিপদের মূল কারণ, সেকুলারিজম ও অসংখ্য সেকুলার প্রতিষ্ঠান। এগুলির মুল লক্ষ্য হলো জনগণের চেতনা থেকে পরকালের স্মরণকে দূর করা। এবং জীবনকে পার্থিব বা ইহকালমুখি করা। অথচ যারা মুসলমান তাদের সমগ্র জীবনই হলো পরকালমুখি। তাদের ধর্মকর্ম, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও যুদ্ধবিগ্রহসহ সকল কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত হয় পরকালে জবাব দিতে হবে সে ভীতি থেকে। পার্থিব জীবনকে ভাবে পরকালীন কল্যাণ লাভে বিণিয়োগের ক্ষেত্ররূপে। ফলে পরকালের চেতনা লোপ পেলে তখন সে ধর্মে অঙ্গিকারশূন্য হতে বাধ্য। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জীবনের অন্যান্য অঙ্গনে তখন প্রকাশ পায় ইহজাগতিকতা। ফলে ধর্মে অঙ্গিকারহীন হয় রাজনীতি। এজন্যই কোন মুসলিম দেশে সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠা পেলে ইসলামের চেতনা-বিনাশ অনিবার্য। তখন মানুষ পরিণত হয় নিছক ভোগবাদী জীবে।


বাংলাদেশের ন্যায় প্রায় প্রতিটি মুসলিম দেশে এভাবে ইসলামে অঙ্গিকারশূণ্য করার কাজ হচ্ছে অতি পরিকল্পিতভাবে। একাজে তারা সফলতাও পাচ্ছে প্রচুর। ফলে লোপ পাচ্ছে প্যানইসলামি চেতনা এবং ইসলামের বিশ্বভাতৃত্ব ও উম্মাহর ধারণা। বিলুপ্ত হচ্ছে ইসলামি মূল্যবোধ ও ন্যায়নীতি। ফলে সূদ, ঘুষ, ব্যভিচার ও দূর্নীতির ন্যায় জঘন্য অপরাধও এখন আর গণ্য হচ্ছে না দন্ডনীয় বা নিন্দনীয় অপরাধ রূপে। ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্ত দেশ হলে কি হবে তা নিয়ে তেমন লজ্জাশরম নেই। কারণ পাপাচারে বেশী অভ্যস্ত হলে সেটি থাকে না। এমন এক লজ্জাহীনতার কারণেই যারা নিয়মিত ঘুষ খায়, সূদ খায়, চুরিডাকাতি বা ব্যাভিচারি করে তারাও সমাজে বুক ফুলিয়ে চলা ফেরা করে। এমন দুর্বৃত্তরাও তখন নেতা হওয়ার প্রশ্রয় পায়। দেশে এমন পাপাচারীরা হর্তাকর্তা হলে তারা যে পাপাচারকে প্রশ্রয় দিবে সেটিই স্বাভাবিক। ফলে তখন পাপকর্ম হয় প্রকাশ্যে। বাংলাদেশের মত দেশে একারণেই দলবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ হয়, শতনারী ধর্ষণের উৎসবও হয়। (যেমনটি নব্বইয়ের দশকে জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছিল জনৈক ছাত্রনেতার দ্বারা)। (বিস্তারিত)

Comments (1)
1 Friday, 31 July 2009 18:15
Rais
You are absolutely right. Please continue and go ahead.


Bookmark this,
 
Banner